দৈনিক সমাবেশ
সর্বশেষ
  • photo-stories ফটো স্টোরি

জাতীয়

মতামতমতামত

তাহসিফ সাউরির মৃত্যু ও আমাদের দায়

একটি মরদেহ, একটি মোবাইল ফোন, একটি মোটরসাইকেল—আর অসংখ্য প্রশ্ন। বিমানবাহিনীর সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট কে এম তাহসিফ সাউরির মৃত্যু এখন শুধু একটি পরিবারের শোকের বিষয় নয়; এটি তদন্তের স্বচ্ছতা, রাষ্ট্রের জবাবদিহি এবং গণমাধ্যমের দায়িত্বশীলতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে। একজন তরুণের মৃত্যু কীভাবে হলো, এর পেছনে কোনো অপরাধ ছিল কি না—এসব প্রশ্নের উত্তর জানা তাঁর পরিবারের অধিকার, একই সঙ্গে তা জনস্বার্থেরও বিষয়। প্রকাশিত সংবাদ অনুযায়ী, ২৭ অক্টোবর সন্ধ্যায় উত্তরার বাসা থেকে বের হন তাহসিফ। পরিবারের ভাষ্য, ২৮ অক্টোবর রাত ১টা ৩৫ মিনিটে তাঁর মুঠোফোন থেকে মাকে ‘আসছি’ লেখা একটি বার্তা পাঠানো হয়। সেটিই ছিল পরিবারের সঙ্গে তাঁর শেষ যোগাযোগ। ওই দিন বিকেলে ঢাকার তুরাগ নদের রাজাবাড়ী ঘাট এলাকা থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করে নৌ পুলিশ। পকেটে থাকা আইফোনের মাধ্যমে পরিচয় শনাক্ত করা হয়। পরদিন শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নির্ধারণে রাসায়নিক পরীক্ষাসহ প্রয়োজনীয় প্রতিবেদন গুরুত্বপূর্ণ।পুলিশের সুরতহাল প্রতিবেদনে শরীরে দৃশ্যমান আঘাতের চিহ্ন না পাওয়ার কথা বলা হয়েছে। একই প্রতিবেদনে নাক দিয়ে রক্ত বের হওয়ার বিষয়টিও উল্লেখ রয়েছে। তবে সুরতহাল প্রতিবেদন মৃত্যুর কারণ নির্ধারণ করে না। এটি মরদেহের বাহ্যিক অবস্থার প্রাথমিক বিবরণ মাত্র। ফলে এ তথ্যের ভিত্তিতে কাউকে দায়ী করা কিংবা মৃত্যুর ধরন সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো ঠিক হবে না।তাহসিফের মৃত্যুর ঘটনায় তাঁর বন্ধু আহমেদ শাহরিয়ার রেজা দ্বীপ এখন তদন্তের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি। তাহসিফের বাবা কে এম এনায়েতুল করিম ৩০ অক্টোবর রাতে উত্তরখান থানায় অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে হত্যা মামলা করেন। মামলায় দণ্ডবিধির ৩০২, ২০১ ও ৩৪ ধারা যুক্ত করা হয়েছে। পরে দ্বীপকে ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। ৩১ অক্টোবর আদালত তাঁকে চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। তবে মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া বা রিমান্ডে থাকা অপরাধ প্রমাণের সমান নয়। তদন্ত, সাক্ষ্য-প্রমাণ এবং বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই অপরাধের দায় নির্ধারিত হবে।ঘটনার রাতের বিষয়ে দ্বীপের বক্তব্য এবং পরিবারের বক্তব্যে গুরুত্বপূর্ণ অমিল রয়েছে। গণমাধ্যমে প্রকাশিত এক বক্তব্যে দ্বীপ দাবি করেছেন, টঙ্গীর মাজার বস্তি এলাকায় কয়েকজন তাঁদের ধাওয়া করলে তাহসিফ নদীতে ঝাঁপ দেন। অন্যদিকে তাহসিফের বাবা এই বক্তব্য নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তাঁর দাবি, ছেলে সাঁতারে দক্ষ ছিলেন। ধাওয়ার ঘটনা, সেখানে পুলিশের উপস্থিতি এবং নদীতে ঝাঁপ দেওয়ার দাবির পক্ষে কী প্রমাণ রয়েছে, তা তদন্তে পরিষ্কার হওয়া প্রয়োজন। কারণ, ঘটনার প্রত্যক্ষ বিবরণ হিসেবে প্রচারিত কোনো বক্তব্যকেই যাচাই ছাড়া চূড়ান্ত সত্য ধরে নেওয়া যায় না।মোটরসাইকেল উদ্ধারের ঘটনাও তদন্তে নতুন প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। দ্বীপের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ৩০ অক্টোবর টঙ্গীর মাজার বস্তি এলাকা থেকে নম্বরপ্লেটবিহীন একটি কালো সুজুকি জিক্সার মোটরসাইকেল উদ্ধার করে পিবিআই। সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে দ্বীপ মোটরসাইকেলটি তাহসিফের বলে শনাক্ত করেছেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে মোটরসাইকেলটির মালিকানা, সেখানে সেটি কীভাবে গেল এবং ঘটনার রাতে এর ভূমিকা কী ছিল—এসব বিষয় তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া দরকার। সিসিটিভি ফুটেজ ও প্রযুক্তিগত তথ্য বিশ্লেষণও এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইতিমধ্যে নানা দাবি ছড়িয়ে পড়েছে। কেউ ঘটনাটিকে হত্যাকাণ্ড, কেউ আত্মহত্যা, আবার কেউ দুর্ঘটনা হিসেবে ব্যাখ্যা করছেন। তাহসিফের অতীত কর্মজীবনকেও কেউ কেউ ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার দেশত্যাগের একটি ভিডিওর সঙ্গে যুক্ত করছেন। এ বিষয়ে তাহসিফের বক্তব্য, পরিবারের দাবি এবং বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্যের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। তাঁর চাকরি থেকে বিদায় নেওয়ার বিষয়েও ‘অবসর’ ও ‘চাকরিচ্যুতি’—দুই ধরনের তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। ফলে এসব বিষয়কে একক কোনো ব্যাখ্যায় দাঁড় করানোর আগে নির্ভরযোগ্য নথি ও প্রমাণ প্রয়োজন। অতীতের কোনো ঘটনা বা ব্যক্তিগত জীবনের তথ্যের সঙ্গে মৃত্যুর কারণের যোগসূত্র আছে—এমন সিদ্ধান্তও প্রমাণ ছাড়া টানা উচিত নয়।এখানে গণমাধ্যমের দায়িত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পুলিশের বক্তব্য, পরিবারের অভিযোগ, অভিযুক্ত ব্যক্তির দাবি এবং সংবাদমাধ্যমের নিজস্ব অনুসন্ধানে পাওয়া তথ্য—সবকিছুকে এক করে দেখার সুযোগ নেই। কোনটি অভিযোগ, কোনটি বক্তব্য, কোনটি তদন্তে পাওয়া তথ্য আর কোনটি প্রমাণিত সত্য—তা প্রতিবেদনে স্পষ্ট করা জরুরি। দ্রুত সংবাদ প্রকাশের প্রতিযোগিতায় অসমর্থিত তথ্যকে নিশ্চিত সংবাদ হিসেবে উপস্থাপন করলে তা শুধু জনমনে বিভ্রান্তি ছড়ায় না, তদন্তের পরিবেশকেও প্রভাবিত করতে পারে।এখন প্রয়োজন তদন্তের দৃশ্যমান অগ্রগতি। ময়নাতদন্তের পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন ও রাসায়নিক পরীক্ষার ফল দ্রুত সংগ্রহ ও প্রকাশ করা দরকার। মোটরসাইকেলের মালিকানা, মোবাইল ফোনের কললিস্ট ও অবস্থানসংক্রান্ত তথ্য, ঘটনাস্থল এবং আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ—সবকিছু পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পরীক্ষা করতে হবে। সম্ভাব্য সাক্ষীদের বক্তব্য যাচাইয়ের পাশাপাশি তাঁদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে আটক ব্যক্তির আইনি অধিকার রক্ষা করাও জরুরি। তদন্তের স্বচ্ছতা মানে শুধু তথ্য প্রকাশ নয়; নিরপেক্ষভাবে সব সম্ভাবনা যাচাই করাও।আমরা এখনো নিশ্চিতভাবে জানি না, তাহসিফ সাউরির মৃত্যু দুর্ঘটনা, আত্মহত্যা, নাকি হত্যাকাণ্ড। এই প্রশ্নের উত্তর অনুমান, আবেগ কিংবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রচারণা দিয়ে দেওয়া সম্ভব নয়। দিতে হবে নির্ভরযোগ্য তদন্ত ও প্রমাণের ভিত্তিতে। কারও অপরাধের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে তাঁকে আইনের আওতায় আনতে হবে। আর অন্য কোনো কারণ প্রমাণিত হলে সেটিও স্পষ্টভাবে জানাতে হবে।একটি পরিবারের কাছে প্রিয়জনের মৃত্যুর কারণ জানা এবং ন্যায়বিচার পাওয়া সবচেয়ে বড় প্রত্যাশা। একই সঙ্গে এ ধরনের ঘটনায় রাষ্ট্রীয় তদন্তব্যবস্থার নিরপেক্ষতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা প্রতিষ্ঠা করাও জরুরি। সত্য প্রকাশের আগে কাউকে দোষী ঘোষণা করা যেমন অন্যায়, তেমনি তদন্তে অযথা বিলম্বও গ্রহণযোগ্য নয়। আমরা গুজব নয়, প্রমাণের ভিত্তিতে সত্য চাই। তাহসিফ সাউরির মৃত্যুর রহস্য উদ্ঘাটিত হোক, তাঁর পরিবার ন্যায়বিচার পাক—এটাই প্রত্যাশা।লেখক: সম্পাদক, সাহিত্যপাতা।

২৩তম রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে রিহ্যাবের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছে রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (রিহ্যাব)।রিহ্যাবের পরিচালনা পর্ষদের পক্ষ থেকে মহামান্য রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে এই শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানানো হয়।বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নির্বাচিত হওয়া দেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক, সামাজিক ও জাতীয় জীবনের অভিজ্ঞতা, প্রজ্ঞা এবং দেশ ও মানুষের প্রতি দায়বদ্ধতা রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদকে আরও সমৃদ্ধ করবে বলে রিহ্যাবের পরিচালনা পর্ষদ আশা করে।পরিকল্পিত নগরায়ণ, নিরাপদ ও সাশ্রয়ী আবাসন নিশ্চিতকরণ এবং আবাসন খাতের বিদ্যমান সমস্যাগুলো সমাধানে রাষ্ট্রের নীতিগত সহযোগিতা ও সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন উল্লেখ করে রিহ্যাবের পরিচালনা পর্ষদের পক্ষ থেকে বলা হয়, এ ক্ষেত্রে মহামান্য রাষ্ট্রপতি তাঁর সাংবিধানিক দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি দেশের মানুষের মৌলিক আবাসন চাহিদা পূরণ, পরিকল্পিত ও টেকসই নগরায়ণ এবং আবাসন খাতের উন্নয়নে সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের মধ্যে সমন্বয় ও সহযোগিতার পরিবেশ তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন। বিশেষ করে সাধারণ মানুষের জন্য নিরাপদ, মানসম্মত ও সাশ্রয়ী আবাসন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগে তাঁর নৈতিক ও সাংবিধানিক দিকনির্দেশনা দেশের জন্য ইতিবাচক ফল বয়ে আনবে বলে রিহ্যাবের পরিচালনা পর্ষদ প্রত্যাশা করে।রিহ্যাবের পরিচালনা পর্ষদের পক্ষ থেকে মহামান্য রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও সফলতা কামনা করা হয়। একই সঙ্গে তাঁর দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে রাষ্ট্রের সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, অর্থনৈতিক অগ্রগতি এবং জনগণের কল্যাণ আরও সুদৃঢ় হবে—এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়।

‘কাজ শেষ না করে আমরা কোথাও যাচ্ছি না’

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস পদত্যাগ করছেন না উল্লেখ করে পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ বলেছেন, আমরা আমাদের কাজ শেষ না করে কোথাও যাচ্ছি না। শনিবার একনেক বৈঠকের পর হওয়া উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান। দুপুর ১২টা ২০ মিনিটের দিকে শুরু হওয়া বৈঠকে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে অগ্রগতিতে বাধা সৃষ্টিকারী বিষয়গুলো চিহ্নিত করা এবং সমাধানের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।প্রধান উপদেষ্টার পদত্যাগের বিষয়ে পরিকল্পনা উপদেষ্টা বলেন, তিনি চলে যাবেন বলেননি। তিনি (প্রধান উপদেষ্টা) বলেছেন, আমরা যে কাজ করছি, আমাদের সামনে যে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, তাতে অনেক প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়েছে। কিন্তু আমরা সব বাধা অতিক্রম করব।অন্তর্বর্তী সরকারের ওপর অর্পিত দায়িত্বের গুরুত্বের ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, দেশের ভবিষ্যৎ এর ওপর নির্ভর করছে। আমরা এ দায়িত্ব ছেড়ে যেতে পারি না।পরিকল্পনা উপদেষ্টা বলেন, আমরা দেখছি বিভিন্ন জায়গা থেকে কী কী বাধা আসছে, কে কী সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন এবং আমরা এগিয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কী কী প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হচ্ছে।উপদেষ্টা রাজনৈতিক দল, প্রশাসন, বিচার বিভাগ এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানসহ সব পক্ষের সমর্থন চেয়ে বলেন, গণঅভ্যুত্থানের পক্ষে থাকা সব শক্তি এবং সব রাষ্ট্রীয় সংস্থাকে আমরা এ লক্ষ্য অর্জনে সাহায্য করার আহ্বান জানাব। এটা শুধু আমাদের একার দায়িত্ব নয়।ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ আরও বলেন, উপদেষ্টারা স্বপ্রণোদিতভাবে এখানে আসেননি। তবে তাদের একটি জাতীয় দায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছে এবং তারা তা ছেড়ে যাবেন না।আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের রূপরেখা নিয়ে বৈঠকে কোনো আলোচনা হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত করেননি উপদেষ্টা।

এলডিসির চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় নীতির পুনর্মূল্যায়ন জরুরি

বাংলাদেশের আমদানি-রপ্তানি নীতিমালা  : এলডিসি পরবর্তী সময়ে প্রয়োজনীয়তা এবং চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক সেমিনারের আয়োজন করে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই)। ডিসিসিআই সভাপতি তাসকীন আহমেদের সভাপতিত্বে সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ দূত অধ্যাপক লুৎফে সিদ্দিকী। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. সেলিম রায়হান।মূল প্রবন্ধে ড. সেলিম রায়হান বলেন, রাজস্ব খাতে সংস্কারের অভাব এবং প্রত্যক্ষ করের মাধ্যমে কর বৃদ্ধিতে সরকারের ব্যর্থতার ফলে পরোক্ষ কর ও আমদানি করের ওপর ব্যাপক নির্ভরতা দেখা দিচ্ছে। প্রতিযোগী দেশগুলোর চেয়ে বাংলাদেশের আমদানি শুল্ক হার অনেক বেশি। রপ্তানি খাতও শুধু তৈরি পোশাকে সীমাবদ্ধ। তাও আবার পোশাকের প্রবৃদ্ধি নগদ প্রণোদনা ও কর ছাড়ের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে। এলডিসি উত্তরণ পরবর্তী চাপ সামলাতে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি পোশাকের পাশাপাশি নতুন রপ্তানি পণ্য ও নতুন বাজার খোঁজা উচিত।প্রধান অতিথির বক্তব্যে লুৎফে সিদ্দিকী বলেন, সরকারি সংস্থাগুলোর মধ্যকার কাঠামোগত সংস্কার জরুরি। তবে যে গতিতে বর্তমানে সংস্কার কার্যক্রম সম্পন্ন হচ্ছে তা প্রয়োজনের তুলনায় বেশ কম। সত্যিকার অর্থে শিল্প খাতসহ অন্য সেক্টরে কোনো দীর্ঘমেয়াদে রোডম্যাপ নেই, যা হতাশার বিষয়। এলডিসি চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের পাশাপাশি সরকারের সংস্থাগুলোর মধ্যকার সমন্বয় বাড়ানো প্রয়োজন।প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ড. আনিসুজ্জামান চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশকে এলডিসি উত্তরণ করতেই হবে। এখান থেকে ফিরে আসার সম্ভাবনা নেই। তবে এলডিসি পরবর্তী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আমাদের উচ্চমানের তৈরি পোশাক, ওষুধ এবং লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং খাতের ওপর বেশি হারে মনোযোগী হতে হবে। তিনি আরও বলেন, এলডিসি উত্তরণ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় মানবসম্পদ উন্নয়ন, শিল্প-কারখানা এবং আর্থিক ব্যবস্থাপনা মধ্যে সমন্বয় ও পারস্পরিক আস্থা-বিশ্বাস বৃদ্ধির বিকল্প নেই। সেমিনারে বিশেষ অতিথি ছিলেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সদস্য (কাস্টমস) কাজী মোস্তাফিজুর রহমান এবং রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) ভাইস চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন। অনুষ্ঠানে নির্ধারিত আলোচনায় অংশ নেন বিকেএমইএর সাবেক সভাপতি ফজলুল হক, বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের জয়েন্ট চিফ (ইন্টারন্যাশাল কো-অপারেশন ডিভিশন) মসিউল ইসলাম, বেসিসের সাবেক সভাপতি সৈয়দ আলমাস কবীর, ডেল্টা ফার্মা লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. জাকির হোসেন এবং ফকির ফ্যাশন লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফকির কামরুজ্জামান নাহিদ প্রমুখ।

অনিয়মে জর্জরিত ‘ওয়ান এশিয়া অ্যালায়েন্স’, ঝুঁকিতে ব্যান্ডউইথ নিরাপত্তা

নিয়ন্ত্রক সংস্থার নিয়মকানুন উপেক্ষা করে একে একে আইআইজি, আইটিসি, আইজিডব্লিউসহ ইন্টারনেট-টেলিকম খাতের পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ লাইসেন্স দখলে নেয় আওয়ামী সুবিধাভোগী এ প্রতিষ্ঠান। এসব লাইসেন্স অর্জনে রাজনৈতিক প্রভাব ও প্রশাসনিক সুবিধা ব্যবহার করা হয়েছে বলেও জানান সংশ্লিষ্টরা।সংশ্লিষ্ট সূত্র ও নথি পর্যালোচনা করে দেখা যায়, বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি), বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবলস পিএলসি (বিএসসিপিএলসি), দেশের অভ্যন্তরের আইটিসি প্রতিষ্ঠান এবং এয়ারটেল ও টাটার মতো শীর্ষ ব্যান্ডউইথ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে ওয়ান এশিয়ার মোট বকেয়ার পরিমাণ ২৩ কোটি টাকারও বেশি। বিটিআরসির কাছেই এর বকেয়া প্রায় ৪ কোটি টাকা। বিএসসিসিএল-এর কাছে রয়েছে আরও ১ কোটি টাকার বেশি। অপরদিকে টেলিকম জায়ান্ট এয়ারটেল তাদের ১৩ কোটি টাকার এবং টাটা ৫ কোটি টাকার বকেয়া দাবি করছে। এদিকে বকেয়া আদায়ে নানাভাবে চেষ্টা করে না পেয়ে ওয়ান এশিয়া অ্যালায়েন্স-এর বিরুদ্ধে বিএসসিপিএলসি ঢাকা জেলা জজ আদালতে ‘আরবিট্রেশন মামলা’ দায়ের করে। এর রায়ে তারা জয়ী হয়। সেই রায়ের কার্যকারিতা নিশ্চিত করতে প্রতিষ্ঠানটি ‘অ্যাওয়ার্ড এক্সিকিউশন মামলা’ করে, যা এখনো চলমান রয়েছে। অনুসন্ধানে জানা যায়, প্রতিষ্ঠানটির উদ্যোক্তারা সরকারের নীতিনির্ধারকদের কাছে বিভিন্ন প্রভাবশালী মহলের মাধ্যমে চাপ সৃষ্টির চেষ্টা করছেন, যেন লাইসেন্স বাতিল না হয় এবং তাদের ব্যবসা চালু রাখা যায়। ইতোমধ্যে নিয়মবহির্ভূতভাবে তারা এনওসিও নিয়েছে বলে জানিয়েছে বিটিআরসির একটি সূত্র।ওয়ান এশিয়া অ্যালায়েন্স একসময় আইআইজি, আইটিসি ও আইজিডব্লিউ লাইসেন্স নিয়ে টেলিকম বাজারে প্রবেশ করলেও সময়ের সঙ্গে শর্ত লঙ্ঘন করে একাধিক অনিয়মে জড়িয়ে পড়ে। তাদের মালিকানাধীন বেঙ্গল ব্রডব্যান্ড ২০১৬ সালে ডিভিশনাল আইএসপি লাইসেন্স পেলেও নবায়ন না করেই বর্তমানে অবৈধভাবে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। পাশাপাশি এর মালিকানাধীন প্রিজমা ডিজিটাল নেটওয়ার্কের রয়েছে ন্যাশন ওয়াইড আইএসপি লাইসেন্স।এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে বারবার মোবালইল ফোনে কল, হোয়াটসঅ্যাপ ও এসএমএসে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয় ওয়ান এশিয়া অ্যালায়ন্সের মূল প্রতিষ্ঠান বেঙ্গল কমিউনিকেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আসফারিয়া খায়েরের সঙ্গে। তবে তিনি সাড়া দেননি। পরে পুনরায় চেষ্টা করলে দেখা যায়, তিনি প্রতিবেদকের নম্বরই ব্লক করে দিয়েছেন।বিটিআরসির এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, ওয়ান এশিয়া অ্যালায়েন্সকে মোট বকেয়ার ৫০ শতাংশ এককালীন পরিশোধ এবং বাকি অংশ কিস্তিতে পরিশোধের শর্তে এনওসি প্রদান করা হয়েছে। তবে নির্ধারিত ১ কোটি ৩৮ লাখ টাকা পরিশোধের কথা থাকলেও প্রতিষ্ঠানটি এ পর্যন্ত মাত্র ১ কোটি টাকা পরিশোধ করেছে বলে তিনি জানান।ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (আইএসপিএবি) সভাপতি ইমদাদুল হক বলেন, আইএসপি সেক্টরের সেবাদান নির্ভর করে আইআইজি ও ব্যান্ডউইথ সরবরাহকারীদের ওপর। কেউ যদি কোটি টাকা বকেয়া রেখে অনিয়ম করে, তা গ্রাহকের নিরাপত্তা ও নিরবচ্ছিন্ন সংযোগের জন্য হুমকি। তবে নেপথ্যে যদি নীতিগত বা কাঠামোগত কোনো সমস্যা থাকে, সেটাও বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন।টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান যুগান্তরকে বলেন, টেলিযোগাযোগ খাতের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রম নিয়ম ও নীতিমালার আলোকে পর্যালোচনা জরুরি। এক্ষেত্রে যদি কোনো প্রতিষ্ঠান বকেয়া বা নীতিগত ব্যত্যয়ের সঙ্গে যুক্ত থাকে, তাহলে তা ন্যায্যতার ভিত্তিতে সমাধান হওয়া উচিত। বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবল কোম্পানি লিমিটেড (বিএসসিসিএল)-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক আসলাম হোসেন যুগান্তরকে বলেন, দীর্ঘদিন তাগাদা দিলেও প্রতিষ্ঠানটি পাওনা পরিশোধ করেনি, চিঠির জবাবও দেয়নি। এখন তাদের কাউকে খুঁজেও পাওয়া যাচ্ছে না। বাধ্য হয়ে মামলা করেছি।ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমেদ তৈয়ব যুগান্তরকে বলেন, আমরা চাই, ব্যবসায়ীরা স্বচ্ছন্দে ব্যবসা করুক, গ্রাহকদের সেবা দিক। কিন্তু সরকারের পাওনা পরিশোধ না করে কেউ যদি অনিয়মে জড়ায়, তাদের কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না।

অধ্যাদেশ বিলুপ্তির দাবিতে কর্মবিরতি কর্মসূচি চলবে

ন কর্মসূচি পালন করেন। এ সময় বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড হাতে তাদের স্লোগান দিতে দেখা যায়। এনবিআরের অধীনস্থ সারা দেশের অন্য সব অফিসেও একইভাবে কর্মসূচি পালিত হয়। ঢাকা ও চট্টগ্রাম কাস্টম হাউজে বিকাল ৩টা পর্যন্ত কোনো কাজ হয়নি। ভ্যাট ও কর অফিসেও সেবা বন্ধ ছিল। তবে রপ্তানি ও আন্তর্জাতিক যাত্রীসেবা কাযক্রম চলমান ছিল। শনিবার এনবিআর সংস্কার ঐক্য পরিষদের পক্ষে সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন কাস্টমসের অতিরিক্ত কমিশনার এদিপ বিল্লাহ, উপকর কমিশনার মোস্তফিজুর রহমান, সহকারী কর কমিশনার ইশতিয়াক হোসেন। সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, দেশের বৃহত্তর স্বার্থে এনবিআর সংস্কার ঐক্য পরিষদের দাবি অত্যন্ত যৌক্তিক, যা ইতোমধ্যেই দেশের প্রথিতযশা অর্থনীতিবিদ ও থিংকট্যাংকসহ সর্বমহলে স্বীকৃতি পেয়েছে। এনবিআর তথা রাজস্ব প্রশাসনের আমূল সংস্কার আমাদের দীর্ঘদিনের দাবি। তবে এই সংস্কার হতে হবে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে স্বীকৃত সর্বোত্তম ব্যবস্থা ও পদ্ধতির অনুরূপ। দেশের স্বার্থ ও উন্নয়ন দর্শন এতে সঠিকভাবে প্রতিফলিত হতে হবে। এছাড়া রাজস্ব প্রশাসন অধিকতর কার্যকর, প্রগতিশীল ও দুর্নীতিমুক্ত হতে হবে এবং এ সংস্কার বিশেষ কারও স্বার্থ হাসিলের হাতিয়ার হবে না। কিন্তু রাজস্ব ব্যবস্থার আমূল সংস্কারের স্বার্থে আমাদের এমন যৌক্তিক দাবি মেনে নিতে সরকার কেন, কী কারণে এবং কাদের প্ররোচনায় বিলম্ব করছে, তা বোধগম্য নয়।    এতে আরও বলা হয়, আজ (শনিবার) সকাল থেকেই এনবিআর ভবনের অভ্যন্তরে এবং বাইরে বিপুলসংখ্যক পুলিশ, বিজিবি, র‌্যাব ও সেনাবাহিনীর সদস্যদের উপস্থিতি রয়েছে। এ বিষয়টি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মনে নানা ধরনের প্রশ্নের উদ্রেক করেছে। ক্ষুব্ধ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বলছেন, এনবিআরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা আন্দোলন করতে বাধ্য হয়েছে। কিন্তু এখন দেখছি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দিয়ে ভয় দেখানোর চেষ্টা হচ্ছে। তবে রোববারও একইভাবে অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যেখানে হস্তক্ষেপ করবে, সেখানে তারা প্রেস ব্রিফিং করবেন।ভিন্নমত যাদের: নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কর ও কাস্টমস ক্যাডারের কয়েকজন সিনিয়র কর্মকর্তা যুগান্তরকে বলেন, ‘দাবি আদায়ের নামে এনবিআর সংস্কার ঐক্য পরিষদের ব্যানারে এখন যা হচ্ছে তা রীতিমতো সরকার ও রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে অবস্থান। এটি সম্পূর্ণ শৃঙ্খলাপরিপন্থি কাজ, সরকারি কর্মচারী আচরণবিধি এসব কর্মকাণ্ড পারমিট করে না।’ তারা মনে করেন, এনবিআর বিলুপ্ত করে যে গেজেট করা হয়েছে সেখানে প্রত্যাশার অনেক কিছু চলে এসেছে। যেটুকু অবশিষ্ট আছে তা পরবর্তী সংশোধনী ও বিধি প্রণয়নের মাধ্যমে সংযোজন করা সম্ভব। এজন্য এভাবে আন্দোলন করার প্রয়োজন ছিল না। বিষয়টিকে পুনরায় আলোচনার টেবিলে নিয়ে গেলে ভালো হতো। 

অনলাইন জরিপ অনলাইন জরিপ

১৩ আগস্ট ২০২৫, ১২:৫০ পিএম
ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচনের বিষয়ে কি আপনি একমত ?

ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচনের বিষয়ে কি আপনি একমত ?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ ২ জন
১

গণমাধ্যমের সুরক্ষায় অংশীজনদের সুপারিশ আমলে নিয়ে খসড়া প্রণয়ন করা হবে - স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

২

ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক পদে আলোচনায় এগিয়ে মনিরুল ইসলাম মনির

৩

মহাদেবপুরে ইউপি নির্বাচন পরিস্থিতি -১| উপজেলার সকল ইউনিয়নে জামাতের একক প্রার্থী বিএনপি'র গড়ে ৬ জন

৪

মতলব উত্তরে জমির সীমানা নির্ধারণে বাধা ও সাংবাদিক সুমন পোদ্দারকে প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ

৫

মাছে-ভাতে বাঙালির ঐতিহ্য ধরে রাখতে মৎস্য উৎপাদন বাড়াতে হবে -- প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু

৬

বাণিজ্যমন্ত্রী ও ইউনান প্রদেশের এক্সিকিউটিভ ভাইস গভর্নর এর বৈঠক

৭

বৃত্তি-উপবৃত্তিতে ‘সমতা’ নয়, প্রয়োজনের ভিত্তিতে অগ্রাধিকার: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ

৮

সাংবাদিক কাজী শাকিলের নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে বিপিজেএফের মানববন্ধন

৯

হৃদয়ের কোনো সতর্কসংকেত উপেক্ষা করা যাবে না: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

১০

দক্ষিণ কাটিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের ইউনিফর্ম ও খাতা বিতরণ

জনপ্রিয় সব খবর
১

লোহাগড়ায় মাছবাহী পিকআপের ধাক্কায় ভ্যানচালক নিহত

২

শৈলকুপায় ছিনতাইয়ের চেষ্টা কালে ২ নারী সদস্য কে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করল জনতা

৩

আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় ১২ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন

৪

ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

৫

গ্রীষ্মের আগেই জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে ৩-৪ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ

৬

বন্ধ গার্মেন্টস কারখানা দ্রুত খুলে দেওয়া হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

৭

আন্দোলনের নামে অরাজকতা সৃষ্টির চেষ্টা করছে একটি দল: ডিএনসিসি প্রশাসক

৮

ঝিনাইদহের শৈলকুপায় সেচ পাম্পের ফিতা নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ

৯

মহাদেবপুরে বীর মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের বিক্ষোভ প্রদর্শন ও স্মারকলিপি প্রদান

১০

গৌরীচন্না ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী নাজনীন খানমের পথসভা অনুষ্ঠিত

সর্বশেষ সব খবর
লিংক কপি করা হয়েছে!

 রাজনীতি রাজনীতি

কুষ্টিয়ায় বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচারের প্রতিবাদ

কুষ্টিয়ায় বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচারের প্রতিবাদ

কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির যুগ্ন আহবায়ক  শেখ সাদীর বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভুয়া ফেসবুক আইডি ব্যবহার করে বিভিন্ন সময়ে মিথ্যা অপপ্রচার ছড়ানোর অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে স্থানীয় কর্মীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে তবে কে বা কারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কুষ্টিয়া জেলা বিএনপি'র যুগ্ন আহবায়ক শেখ সাদীর বিরুদ্ধে এমন অপপ্রচার চালাচ্ছে তা এখনো জানা যায়নি। এ বিষয়ে শেখ সাদী'র সমর্থিত এক কর্মী বলেন, নিজের দলের কিছু স্বার্থান্বেষী নেতারা শেখ সাদীর জনপ্রিয়তা দেখে হিংসায় এমন নিকৃষ্ট কাজকর্ম করে বেড়াচ্ছে তবে তাদের এই সমস্ত অপপ্রচার সাধারণ নেতাকর্মীরা ও সাধারণ জনগণ বুঝতে পেরে ফেসবুকের মাধ্যমে তাদের জবাব দিয়ে দিচ্ছে। অন্যদিকে খোকসা উপজেলা বিএনপি'র সাবেক যুগ্ন আহবায়ক ও খোকসা উপজেলা যুবদলের আহবায়ক আবু হেনা মোস্তফা সালাম লুলু বলেন, শেখ সাদী একটা ব্রান্ড তাকে গুজব বা মিথ্যা অপবাদ দিয়ে তার জনপ্রিয়তা কমানো সম্ভব না। শেখ সাদীকে নিয়ে যারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার ছড়াচ্ছে তারা কিভাবে জনগণের কল্যাণে রাজনীতি করে আমরা বুঝিনা কারণ শেখ সাদী একজন বিএনপি নেতা হিসেবে সাধারণ জনগণের বিপদে-আপদে তাদের পাশে থাকেন। সাধারণ জনগণের কথা ভেবে নিজ অর্থায়নে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ করেছে যা জেলার সবাই জানে। আমি সেই সমস্ত ষড়যন্ত্রকারীদের উদ্দেশ্যে বলতে চাই, আপনারা শেখ সাদীকে নিয়ে সমালোচনা বা মিথ্যা গুজব ছড়ানোর আগে শেখ সাদীর মত কিছু জনকল্যাণমুখী উন্নয়ন করে দেখান এবং শেখ সাদীর মত একজন জনপ্রিয় নেতা হয়ে দেখান তাহলেই আপনাদের মিথ্যা গুজব সাধারণ জনগণ বিশ্বাস করবে তা না হলে সাধারণ জনগণ আপনাদেরকে বয়কট ঘোষণা করবে। কুষ্টিয়া জেলা বিএনপি'র যুগ্ন আহবায়ক শেখ সাদীর বিরুদ্ধে এমন মিথ্যা অপপ্রচার ছড়ানোর বিষয়ে আরো জানা যায়, শেখ সাদী কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটিতে যুগ্ন আহ্বায়ক পদে দায়িত্ব পালন করছে এবং অতি দ্রুতই কুষ্টিয়া জেলা বিএনপি'র পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হবে এবং এ পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে শেখ সাদী সভাপতি প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা দিয়েছে আর এতে করেই তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের সমর্থকেরা সোশ্যাল মিডিয়াতে শেখ সাদীকে নিয়ে বিভিন্ন অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে জানা যায়।

গাড়ি থেকে নিজ হাতে সরকারি লোগো খুলে ফেললেন ইশরাক হোসেন

গাড়ি থেকে নিজ হাতে সরকারি লোগো খুলে ফেললেন ইশরাক হোসেন

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দেওয়ার আগে নিজের গাড়ি থেকে সরকারি লোগো খুলে ফেলেছেন ইশরাক হোসেন।সোমবার (১৯ অক্টোবর) দুপুরে পুরান ঢাকায় নিজের বাসা থেকে জাতীয় প্রেস ক্লাবে যাওয়ার পথে গাড়ি থেকে লোগোটি খুলে ফেলেন তিনি।এ সময় ইশরাক হোসেন বলেন, দল চায়নি, তিনি নিজে থেকেই পদত্যাগ করছেন। বিশেষ কারণে তাকে পদত্যাগ করতে হচ্ছে বলেও জানান তিনি।তিনি আরও বলেন, বিশেষ কারণে পদত্যাগ করতে হলেও মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ অব্যাহত থাকবে।এর আগে, শনিবার (১৭ অক্টোবর) ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ইশরাক হোসেনের গেন্ডারিয়া এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিতর্কের মধ্যে সোমবার সকালে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দেন তিনি।

ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক পদে আলোচনায় এগিয়ে মনিরুল ইসলাম মনির

ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক পদে আলোচনায় এগিয়ে মনিরুল ইসলাম মনির

ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের আসন্ন কমিটিতে সাধারণ সম্পাদক পদে আলোচনায় এগিয়ে আছেন ত্যাগী নেতা মনিরুল ইসলাম মনির।তৃণমূল নেতাকর্মীদের মতে, আগামী মহানগর উত্তর যুবদলের কমিটিতে আওয়ামী দুঃশাসনের বিরুদ্ধে গর্জে ওঠা, নির্যাতিত ও সম্মুখভাগের নেতৃত্বকেই যুবসমাজের অধিকার প্রতিষ্ঠার ধারক হিসেবে দেখতে চান তারা। সেই ধারাবাহিকতায় সংগঠনকে সু-সংগঠিত, শক্তিশালী ও গতিশীল করার লক্ষ্যে তৃণমূলের পক্ষ থেকে জোরালোভাবে সাধারণ সম্পাদক পদে উঠে আসছে মনিরুল ইসলাম মনিরের নাম।এর আগে মনিরুল ইসলাম মনির সদ্য সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক - ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদল, সাবেক সাধারণ সম্পাদক - দারুসসালাম থানা যুবদল এবং ১০ নং ওয়ার্ড যুবদলের সাবেক সভাপতি হিসেবে নিষ্কলঙ্ক নেতৃত্বের স্বাক্ষর রেখেছেন। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড ও আন্দোলন-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে তিনি সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ে দায়িত্ব পালন করেছেন।তৃণমূলের দাবি, দলের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়ন এবং যুবসমাজকে মাদকমুক্ত করতে মনিরুল ইসলাম মনিরের মতো নেতৃত্বের কোনো বিকল্প নেই। ক্লিন ইমেজের এই নেতৃত্বকে সামনে এনে যুবসমাজকে কলুষমুক্ত করে মেধা বিকাশের রাস্তা সুগম করা জরুরি হয়ে পড়েছে।নেতাকর্মীরা বলেন, স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন-সংগ্রামে জীবনের সর্বোচ্চ ঝুঁকি নিয়ে রাজপথে সক্রিয় ছিলেন মনিরুল ইসলাম মনির। অর্ধশতাধিক মামলার শিকার হয়েও নানা প্রতিকূলতা ও রাজনৈতিক চাপ উপেক্ষা করে তিনি নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে মাঠে সক্রিয় ছিলেন এবং সংগঠনকে শক্তিশালী করতে ভূমিকা রেখেছেন।তৃণমূলের ভাষায়, "মনিরুল ইসলাম মনির ভাই রাজপথের পরীক্ষিত ও সাহসী নেতা। আন্দোলন-সংগ্রামে তিনি নেতাকর্মীদের পাশে ছিলেন। আমরা তৃণমূলের নেতাকর্মীরা তাকে ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দেখতে চাই।"

চাঁদাবাজ আর স্বৈরাচার একাকার হয়ে গেছে : নাহিদ ইসলাম

চাঁদাবাজ আর স্বৈরাচার একাকার হয়ে গেছে : নাহিদ ইসলাম

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি, সারের ডিলার নিয়োগ দলীয়করণ, সরকারি চাকরির নিয়োগে দুর্নীতি ও বাণিজ্যের প্রতিবাদে শরীয়তপুর পৌরসভা মিলনায়তনে নাগরিক সভা করেছে শরীয়তপুর জেলা জাতীয় নাগরিক পার্টি। সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এনসিপির আহ্বায়ক ও বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ মো. নাহিদ ইসলাম বলেন, 'আমরা লক্ষ্য করছি বিদেশে আওয়ামী লীগ, দেশে বিএনপি। এই দুই শক্তির কারণে বাংলাদেশের মানুষ তাদের অধিকার ফিরে পাচ্ছে না। বাংলাদেশের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হওয়ার যে সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল, সে সম্ভাবনা নষ্ট হয়েছে। ক্ষমতায় বসে বিএনপি সরকার পুনরায় দুর্নীতি, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস, সিন্ডিকেট সবকিছুই ফিরিয়ে এনেছে।'নাহিদ ইসলাম বলেন, 'আওয়ামী লীগের সাথে নির্বাচনের আগে হাত মিলিয়েছিল বিএনপি। তারা একটা সমঝোতার মাধ্যমে নির্বাচনে জয়লাভ করেছে। এবং আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীদেরকে, চাঁদাবাজদেরকে এখন নিজেদের কাজে ব্যবহার করছে। ফলে আমরা দেখতেছি যে চাঁদাবাজ আর স্বৈরাচার একাকার হয়ে যাচ্ছে। যে গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে বিএনপি ক্ষমতায় এসেছে, সে গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা থেকে বিএনপি অনেক দূরে সরে গেছে।'সিন্ডিকেট ও দ্রব্যমূল্য নিয়ে নাহিদ ইসলাম বলেন, সরকার দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না। ১২০০ টাকার এলপিজি সিলিন্ডারের দাম বাড়িয়ে ১৮০০ টাকা করেছে। সেই দামেও সিলিন্ডার পাওয়া যাচ্ছে না। একটা সিলিন্ডার ২৬০০ টাকা হয়ে গেছে। সিন্ডিকেট করে দাম বাড়ানো হচ্ছে, আর সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ করছে বিএনপি। স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে নাহিদ ইসলাম বলেন, প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছাড়াই শরীয়তপুর বার নির্বাচন করে ফেলা হয়েছে। কাউকে নমিনেশন তুলতে দেওয়া হয়নি। কিন্তু স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আমরা সেটা হতে দেব না। আপনারা যারা জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশ নিয়েছেন, আপনারা যারা দেশপ্রেমিক ব্যক্তি রয়েছেন, যারা এলাকার উন্নয়ন করতে চান, মানুষের কাজ করতে চান, আপনারা স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নিন। স্বৈরাচার, চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসীদের হাত থেকে দেশকে রক্ষা করুন। আমরা প্রশাসনকে নিরপেক্ষ ভূমিকা পালনের আহ্বান জানাই। যারা রাতের ভোট করেছে তাদের পরিণতি মনে রাখতে হবে। সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন এনসিপি উত্তরাঞ্চলের মূখ্য সংগঠক সারজিস আলম, রাজনৈতিক পর্ষদ সদস্য আরিফুল ইসলাম আদীব। এছাড়া হাজি শরীয়তুল্লাহর বংশধর আব্দুল্লাহ মোঃ হোসাইন, শরীয়তপুর জেলা এনসিপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট রুহুল আমিন, সদস্যসচিব সবুজ তালুকদারসহ নেতৃবৃন্দ বক্তব্য দেন।

 সারাদেশ সারাদেশ

লোহাগড়ায় মাছবাহী পিকআপের ধাক্কায় ভ্যানচালক নিহত

লোহাগড়ায় মাছবাহী পিকআপের ধাক্কায় ভ্যানচালক নিহত

নড়াইলের লোহাগড়া পৌরসভার আলামুন্সির মোড়ে মাছবাহী পিকআপের ধাক্কায় আনোয়ার হোসেন (৫৫) নামে এক ভ্যানচালক নিহত হয়েছেন।আজ মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) দুপুর ৩টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।নিহত আনোয়ার হোসেন কালিয়া উপজেলার বোমবাগ গ্রামের মৃত আকরাম মোল্যার ছেলে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুপুরে আলামুন্সির মোড়ে দ্রুতগতির একটি মাছবাহী পিকআপ চলন্ত ভ্যানটিকে পেছন থেকে ধাক্কা দেয়। এতে ভ্যানচালক আনোয়ার হোসেন গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে লোহাগড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।লোহাগড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, দুর্ঘটনার খবর পাওয়া গেছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। 

৬ ঘণ্টা আগে
নামাজের সময়সূচী
লোডিং হচ্ছে...

 বিনোদন বিনোদন

ওটিটিতে যা দেখবেন

ওটিটিতে যা দেখবেন

নেটফ্লিক্সে মুক্তি পেয়েছে ডকুমেন্টারি ফিল্ম ‘এয়ার ফোর্স এলিট: থান্ডারবার্ডস’। এতে দেখা যাবে মার্কিন বিমান বাহিনীর থান্ডারবার্ডস ফ্লাইট স্কোয়াড্রনের ভেতরের দৃশ্য। ডকুমেন্টরিটি নির্মাণ করেছেন ম্যাট উইলকক্স।বিঞ্জে দেখা যাচ্ছে নাটক ‘নিষিদ্ধ বাসর’। এটি পরিচালনা করেছেন নুরুল আলম আতিক। এতে অভিনয় করেছেন নাজিফা তুষি, মনোজ প্রামাণিক, শিল্পী সরকার অপু প্রমুখ।বঙ্গতে দেখা যাচ্ছে নাটক ‘টাকার মেশিন’। নির্মাণ করেছেন কামরুল জিন্নাহ। এতে অভিনয় করেছেন রাকিব হোসেইন ইভন, অশোক বেপারী, মোমেনা চৌধুরী, আরফান মৃধা শিবলু, ইমেল হক প্রমুখ। হইচইতে মুক্তি পেয়েছে ওয়েব সিরিজ ‘বিষহরি’। এটি নির্মাণ করেন সৃজিত রয়। এতে অভিনয় করেন সোলাঙ্কি রয়, রোহান ভট্টাচার্য, শঙ্কর চক্রবর্তী, কৌশিক রয় প্রমুখ।আইস্ক্রিনে দেখা যাচ্ছে নাটক ‘দূর্ঘটনা কবলিত স্বামী’। এটি পরিচালনা করেছেন জাকিউল ইসলাম রিপন। এতে অভিনয় করেছেন ইরফান সাজ্জাদ ও সাফা কবির প্রমুখ।

০২ মে ২০২৫

 খেলা খেলা

খেলাধুলার মাধ্যমে যুবসমাজকে মাদক থেকে দূরে রাখতে চায় সরকার : আইন মন্ত্রী মো: আসাদুজ্জামান

খেলাধুলার মাধ্যমে যুবসমাজকে মাদক থেকে দূরে রাখতে চায় সরকার : আইন মন্ত্রী মো: আসাদুজ্জামান

খেলাধুলার মাধ্যমে যুবসমাজকে মাদক থেকে দূরে রেখে একটি সুস্থ ও সুন্দর জাতি গড়ে তুলতে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো: আসাদুজ্জামান। গতকাল রাজধানীর পুরানা পল্টনে শহীদ নূর হোসেন জাতীয় ভলিবল স্টেডিয়ামে ঢাকা মহানগরী ২য় বিভাগ ভলিবল লীগ ২০২৬ -এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। আইনমন্ত্রী বলেন, যুবসমাজকে মাদকের ভয়াবহতা থেকে রক্ষা করতে তাদের খেলার মাঠে ফিরিয়ে আনতে হবে। মাদক ব্যক্তি, পরিবার, পরিবেশ ও সমাজকে ধ্বংস করে। লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলার চর্চায় যুক্ত থাকলে তরুণরা মাদক থেকে নিজেদের দূরে রাখতে পারবে। এ লক্ষ্যেই সরকার খেলাধুলাকে অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার হিসেবে গ্রহণ করেছে। তিনি বলেন, খেলাধুলার উন্নয়ন ও প্রসারে খেলোয়াড়দের ভূমিকাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। অতিথিরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে হাততালি দিয়ে খেলোয়াড়দের অনুপ্রেরণা দিতে পারেন; কিন্তু খেলাধুলাকে এগিয়ে নেওয়ার মূল দায়িত্ব খেলোয়াড়দেরই পালন করতে হবে। ভলিবল ফেডারেশনকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে খেলোয়াড়দের নিষ্ঠা, পরিশ্রম ও আন্তরিক প্রচেষ্টা প্রয়োজন। আইনমন্ত্রী আরও বলেন, ভলিবল ফেডারেশনের সঙ্গে সাবেক খেলোয়াড়দের সম্পৃক্ততা এবং বিভিন্ন পেশায় নিয়োজিত সাবেক খেলোয়াড়দের উপস্থিতি আশাব্যঞ্জক। তাঁদের অভিজ্ঞতা ও সম্পৃক্ততা আগামী প্রজন্মের খেলোয়াড় তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। খেলাধুলার মাধ্যমে নতুন প্রজন্মের জন্য একটি সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। তিনি বলেন, ছেলে-মেয়ে নির্বিশেষে প্রত্যেককে নিজ নিজ পছন্দের খেলায় অংশগ্রহণের সুযোগ ও উৎসাহ দিতে হবে। লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলার চর্চা একটি সুস্থ, সচেতন ও সুন্দর জাতি গঠনের ভিত্তি তৈরি করবে। বাংলাদেশ ভলিবল ফেডারেশনের সভাপতি এম এ লতিফ শাহরিয়ার জাহেদীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে রেডিয়েন্ট ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল  (অব.) সিনা ইবনে জামালী, জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মোসা. ফেরদৌসী বেগম, ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মুমিন সাদ্দাম প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। বাংলাদেশ ভলিবল ফেডারেশনের ব্যবস্থাপনায় এবং রেডিয়েন্ট ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের পৃষ্ঠপোষকতায় আয়োজিত এ প্রতিযোগিতায় ঢাকা মহানগরীর ১৩টি ক্লাব ও প্রতিষ্ঠানের ভলিবল দল অংশগ্রহণ করছে।

জাতীয় যুব দিবস ২০২৬ উদযাপনে দেশজুড়ে নানা কর্মসূচি: ১৪ জন পাচ্ছে জাতীয় যুব পুরস্কার

জাতীয় যুব দিবস ২০২৬ উদযাপনে দেশজুড়ে নানা কর্মসূচি: ১৪ জন পাচ্ছে জাতীয় যুব পুরস্কার

আগামী ১ নভেম্বর যথাযোগ্য মর্যাদায় দেশব্যাপী উদযাপিত হতে যাচ্ছে ‘জাতীয় যুব দিবস ২০২৬’। এ উপলক্ষে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মোঃ আমিনুল হক বলেন, দেশের যুবসমাজকে দক্ষ মানবসম্পদ ও স্বাবলম্বী হিসেবে গড়ে তুলতে বর্তমান সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। ‘দক্ষ যুব গড়বে দেশ, সবার জন্য বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে এবারের যুব দিবসে যুবদের অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ৪ জন সংগঠক ও ১০ জন সফল আত্মকর্মীসহ মোট ১৪ জনকে ‘জাতীয় যুব পুরস্কার ২০২৬’ প্রদান করা হবে।প্রতিমন্ত্রী বলেন, আগামী ১ নভেম্বর সকালে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে জাতীয় যুব দিবসের মূল উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মহামান্য রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার সদয় সম্মতি জ্ঞাপন করেছেন। তিনি আরও বলেন, যুব দিবসের অংশ হিসেবে জ্বালানি সংকট মোকাবেলায় সারা দেশে ১২,০০০ রিনিউয়েবল ও পরিবেশবান্ধব টেকসই বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট স্থাপনের কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করা হবে। এছাড়া যুবদের কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে আগামী ১ নভেম্বর ৫৫টি স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান নিয়ে এক বিশাল ‘জব ফেয়ার’ বা চাকরি মেলার আয়োজন করা হয়েছে, যেখানে পর্যায়ক্রমে ৩,০০০ থেকে ৫,০০০ জনের চাকরির সুযোগ সৃষ্টি করা হবে।সংবাদ সম্মেলনে প্রতিমন্ত্রী জানান, আগামী ৩১ অক্টোবর সকালে বাংলাদেশ শিশু একাডেমি প্রাঙ্গণ থেকে একটি বর্ণাঢ্য যুব র‍্যালি বের করা হবে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, সরকারের যুববান্ধব বিভিন্ন প্রশিক্ষণ, যুব ঋণ ও প্রকল্পগুলোর সঠিক বাস্তবায়নের মাধ্যমে যুবসমাজ দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে।এছাড়াও সারা দেশব্যাপী সকল জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে ‘জাতীয় যুব দিবস ২০২৬’ যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপিত হবে। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে সপ্তাহব্যাপী যেসব কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে সেগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্যসমূহ হলো: পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও ডেঙ্গু প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম, খালখনন কর্মসূচি, রক্তদান কর্মসূচি, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং যুব ঋণ বিতরণ ইত্যাদি।

বেগম খালেদা জিয়া আইএইচএফ ন্যাশনস ট্রফিতে নেপালের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের উড়ন্ত সূচনা

২০১৯ সালের এসএ গেমসে নেপালের কাছে হারের সেই ক্ষত এখনও তাজা ছিল আলপনা আক্তারের মনে। আজ ঢাকার কোর্টে সেই পুরোনো ক্ষোভকেই শক্তিতে রূপান্তর করলেন তিনি। দুর্দান্ত নৈপুণ্যে একাই করলেন ৭ গোল। ‘বেগম খালেদা জিয়া আইএইচএফ নেশনস ট্রফি ২০২৬ এশিয়া জোন–২ (উইমেনস সিনিয়র)’-এর উদ্বোধনী ম্যাচে নেপালকে ৩৩–২০ গোলে উড়িয়ে দিয়ে মধুর প্রতিশোধ নিল বাংলাদেশ। ম্যাচসেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার জেতার পর আলপনার কণ্ঠে ফুটে ওঠে সেই পুরোনো হিসেব চুকানোর তৃপ্তি। তিনি বলেন, ‘আসলে আমার অনেক ভালো লাগছে। উনিশে আমরা একবার নেপালের কাছে হেরেছিলাম, ওই ক্ষোভটা আমার মনের মধ্যে ছিল। মনে মনে ভেবেছিলাম আজকে আমরা জিতব, ইনশাআল্লাহ। আল্লাহর রহমতে তা-ই হয়েছে, আমরা জিততে পেরেছি। ম্যাচের প্রথমার্ধেই বড় ধাক্কা খেয়েছিল বাংলাদেশ। সরাসরি লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়তে হয় সাকিবা জান্নাতকে। দলের শক্তি কিছুটা কমলেও সতীর্থদের মনোবল ভাঙতে দেননি আলপনা। সেই মুহূর্তের লড়াইয়ের কথা মনে করিয়ে দিয়ে আলপনা বলেন,  সাকিবা যখন লাল কার্ড পেল, তখন আমাদের মনোবল কিন্তু ভেঙে পড়েনি। আমি সবাইকে উৎসাহ দিয়ে বলেছিলাম—না, ও যে লাল কার্ড পেয়েছে, আমরা ম্যাচ জিতেই সেটার প্রতিশোধ নেব। ইনশাআল্লাহ আমরা তা নিতে পেরেছি। নতুন স্প্যানিশ কোচ আনা আলোনসোর অধীনে জাতীয় দলের এটিই ছিল প্রথম আন্তর্জাতিক ম্যাচ। বিদেশি এই কোচের অধীনে দলের কৌশলগত উন্নতির কথা জানিয়ে আলপনা বলেন, আগের চেয়ে আমাদের ডিফেন্স অনেক ভালো হয়েছে। আগে আমাদের রক্ষণভাগ তেমন একটা ভালো ছিল না। এখন ডিফেন্স ও অ্যাটাক—উভয় বিভাগেই আমরা ভালো করছি। হেড কোচ অনেক ভালো, পাশাপাশি আমাদের ডালিয়া আপাও (সহকারী কোচ) চমৎকার। উদ্বোধনী ম্যাচে বড় জয়ে শুরু হলেও সামনে অপেক্ষা করছে সবচেয়ে কঠিন পরীক্ষা। আগামীকালই শক্তিশালী ভারতের মুখোমুখি হবে লাল-সবুজের দল। ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ নিয়ে আত্মবিশ্বাসী আলপনা বলেন, এই ম্যাচটা অনেক ভালো লেগেছে, আমরা সবাই খুব ভালো খেলেছি। কালকে আমাদের ভারতের সাথে খেলা, সেখানেও অবশ্যই আমরা ভালো করার চেষ্টা করব।

বেগম খালেদা জিয়া আইএইচএফ ন্যাশনস ট্রফিতে নেপালের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের উড়ন্ত সূচনা

ফিউনা রিসোর্ট প্রথম আন্ত: সার্ভিস সাইক্লিং ২০২৬ আজ শুরু আর্মি স্টেডিয়াম

বাংলাদেশ সাইক্লিং ফেডারেশনের ব্যবস্থাপনায় ও ফিওনা লাক্সারি রিসোর্টের পৃষ্ঠপোষকতায় আগামী ১৬ ও ১৭ অক্টোবর ২০২৬ “ফিওনা লাক্সারি রিসোর্ট প্রথম আন্তঃ সার্ভিসেস সাইক্লিং চ্যাম্পিয়নশিপ-২০২৬ ঢাকার আর্মি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। উক্ত চ্যাম্পিয়নশিপের খেলা আগামী ১৬-১০-২০২৬ সকাল ৮.০০ ঘটিকায় আর্মি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে।এই সাইক্লিং চ‍্যাম্পিয়নশীপ উপলক্ষে ঢাকা মহানগর ফুটবল কার্যালযের প্রেস কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন ফেডারেশনের সহ সভাপতি ফায়সাল হোসেন, এই চ‍্যাম্পিয়ানশীপের আহ্বায়ক নুরুল হুদা, ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক পারভেজ হাসান, যুগ্ম সম্পাদক আলমগীর আলম ও ফেডারেশনের কর্মকর্তাবৃন্দ। এই চ‍্যাম্পিয়নশীপে চারটি দল বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড, বাংলাদেশ আনসার ভিডিপি ও বাংলাদেশ জেল। এতে ১৪ ইভেন্টে শতাধিক সাইক্লিস্ট অংশ নিবেন এই চ‍্যাম্পিয়ন শীপ বাংলাদেশের সাইক্লিংজগতে প্রথমবারের মত আয়োজিত হতে যাচ্ছে । এতে শুধু ট্রাক ইভেন্ট গুলো অনুষ্ঠিত হবে। এই চ‍্যাম্পিয়ানশীপের পৃষ্ঠপোশকতা করেছেন ফিওনা লাক্সারী রিসোর্ট। 

ফিউনা রিসোর্ট প্রথম আন্ত: সার্ভিস সাইক্লিং ২০২৬ আজ শুরু আর্মি স্টেডিয়াম

প্রিমিয়ার লিগেও সেরার মুকুট পরলেন সালাহ

লিভারপুলের শিরোপা জয়ে সবচেয়ে বড় অবদান রেখে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের চলতি মৌসুমের সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হলেন মোহামেদ সালাহ। এর আগে ফুটবল রাইটার্স অ্যাসোসিয়েশনের ভোটে ইংলিশ ফুটবলের বর্ষসেরা নির্বাচিত হয়েছেন এই মিসরীয় ফরোয়ার্ড।২০২৪-২৫ প্রিমিয়ার লিগের এখনো শেষ রাউন্ড বাকি। তবে এর আগেই শনিবার (২৪ মে) মৌসুমের সেরা খেলোয়াড় হিসাবে সালাহর নাম জানিয়ে দিল লিগ কর্তৃপক্ষ।নতুন কোচ আর্নে স্লটের অধীনে এবার চার ম্যাচ বাকি থাকতে প্রিমিয়ার লিগের রাজত্ব পুনরুদ্ধার নিশ্চিত করে লিভারপুল। দলের সাফল্যে নিয়মিত গোল করে এবং করিয়ে সবচেয়ে বড় অবদান রাখেন সালাহ। এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ ২৮ গোল করার পাশাপাশি সবচেয়ে বেশি ১৮টি গোল বানিয়ে দিয়েছেন তিনি।রোববার (২৫ মে) মৌসুমের শেষ ম্যাচে ঘরের মাঠে ক্রিস্টাল প্যালেসের মুখোমুখি হবে লিভারপুল। শেষ রাউন্ডে নাটকীয় কিছু না হলে চতুর্থবার গোল্ডেন বুট জিতে আর্সেনাল কিংবদন্তি থিয়েরি অঁরির রেকর্ড স্পর্শ করবেন সালাহ।

প্রিমিয়ার লিগেও সেরার মুকুট পরলেন সালাহ
.
আজকের আবহাওয়া
আবহাওয়া তথ্য লোড হচ্ছে...
--°
গড় তাপমাত্রা
--°
সর্বোচ্চ
--%
বৃষ্টির সম্ভাবনা
লোড হচ্ছে...

অর্থনীতি

সকল জেলার খবর

আর্কাইভ

আর্কাইভ

কোন পোস্ট নেই !
উত্তরপ্রদেশে মসজিদ-মাদ্রাসা টার্গেট করে উচ্ছেদ অভিযান

সিল করে দেওয়া হয়েছে। / উত্তরপ্রদেশে মসজিদ-মাদ্রাসা টার্গেট করে উচ্ছেদ অভিযান

রাজ্য সরকারের দাবি, সরকারি জমিতে তৈরি সেসব মাদ্রাসা ও ধর্মীয় স্থান সিল করে দেওয়া বা ভেঙে ফেলা হচ্ছে, যাদের কাছে কোনো বৈধ কাগজপত্র নেই।ওই রাজ্যের সাত জেলায় চালানো এই অভিযানের ফলে বহু মাদ্রাসায় পড়াশোনাও থমকে গেছে বলে অভিযোগ।রাজ্য সরকার নেপাল সীমান্তের ১৫ কিলোমিটারের মধ্যে অবস্থিত ধর্মীয় স্থান ও মাদ্রাসা পরিদর্শন করছে। সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, ১৪ মে পর্যন্ত ২২৫টা মাদ্রাসা, ৩০ মসজিদ, ২৫টি মাজার ও ছয়টি ঈদগাহের বিরুদ্ধে এমন ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।উত্তরপ্রদেশের সংখ্যালঘু বিষয়ক মন্ত্রী ওমপ্রকাশ রাজভর বিবিসিকে বলেছেন, মাদ্রাসা খুললে সেখানে শিক্ষাদান করেন, সেটাকে হোটেল বা আবাসস্থল বানিয়ে ফেলবেন না। সেখানে বিদেশিরা এসে বাস করলে আশঙ্কা তো সৃষ্টি হবেই।শিক্ষাদানের পরিবর্তে সেখানে অন্য কাজ করা হলে তার তদন্ত হবে। তদন্তে দোষী প্রমাণিত হলে ব্যবস্থাও নেওয়া হবে। যারা নিরপরাধ, যারা সেখানে শুধু শিক্ষকতা করছেন, তারা নির্ভয়ে কাজ করতে পারেন।কী বলছে উত্তরপ্রদেশ সরকার?উত্তর প্রদেশ সরকার সন্দেহ করছে, যথাযথ কাগজপত্র ছাড়া যেসব মাদ্রাসা চালানো হচ্ছে, সেখানে বিভিন্ন ধরনের বেআইনি কাজ হয়।সংখ্যালঘু কল্যাণ মন্ত্রী ওমপ্রকাশ রাজভর বলেছেন, এই রাজ্যের দু-একটা মাদ্রাসায় জাল নোট ছাপানো হচ্ছিল। সেগুলো পুলিশের হাতে ধরাও পড়েছে।তবে মাদ্রাসা সঞ্চালনকারীদের দাবি, এসব অভিযোগ ভিত্তিহীন।উত্তরপ্রদেশের শ্রাবস্তী জেলার বাঙ্গাইয়ের মাদ্রাসার সঞ্চালক মেরাজ আহমেদ বলেন, এই এলাকায় সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর সংখ্যা মোটামুটি। তবে দারিদ্র্য খুব বেশি। মাদ্রাসায় বিনামূল্যে শিক্ষা দেওয়া হয় যাতে লোকে লেখাপড়া করতে পারে। কিন্তু সরকারের উদ্দেশ্য ভিন্ন।অন্যদিকে, সমাজবাদী পার্টির অভিযোগ- শুধু রাজনৈতিক কারণে সংখ্যালঘুদের নিশানা করছে সরকার।সমাজবাদী পার্টির মুখপাত্র ফখরুল হাসান বলেন, যেখানেই বিজেপি সরকার রয়েছে, সেখানেই সংখ্যালঘু এবং তাদের প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিশানা করা হচ্ছে। এটা সংবিধানের লঙ্ঘন।সমাজবাদী পার্টির প্রধান তথা উত্তর প্রদেশের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী অখিলেশ যাদবও বিজেপির বিরুদ্ধে সাম্প্রদায়িক রাজনীতির অভিযোগ তুলেছেন।কয়েকদিন আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথোপকথনের সময় তিনি বলেন, কোনো প্রতিষ্ঠানের কাগজপত্র না থাকলে তার সমাধান অন্যভাবে হতে পারত।পাশাপাশি, তিনি পাল্টা প্রশ্ন তুলে বলেছেন, যেসব মাদ্রাসা ও অন্যান্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের বৈধ কাগজ নেই বলে এখন অভিযোগ তোলা হচ্ছে, যখন সেগুলো নির্মাণ হচ্ছিল সেই সময় কর্মকর্তারা কোথায় ছিলেন?বাহরাইচে চিহ্নিত ৪৯৫টি স্থাননেপালের সঙ্গে কয়েকশ কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্ত রয়েছে উত্তর প্রদেশের। এটা উন্মুক্ত সীমান্ত যা পর্যবেক্ষণের দায়িত্ব রয়েছে সশস্ত্র সীমা বল (এসএসবি)-এর ওপর।প্রতিদিন নেপাল ও ভারতের হাজার হাজার মানুষ এই সীমান্ত পেরিয়ে যাওয়া আসা করেন।উত্তর প্রদেশের বাহরাইচ জেলা থেকে ৪৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত রূপাইডিহা সীমান্ত থেকে প্রতিদিন বহু মানুষ নেপালগঞ্জে (নেপালের একটি শহর) যাতায়াত করেন। এখানে এসএসবির তরফে শুধু পরিচয়পত্র দেখে এবং তল্লাশির পর প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়।এই এলাকায় ৪৯৫টি জবরদখল করা জায়গা চিহ্নিত করা হয়েছে এবং এর মধ্যে ১২টার বেশি মাদ্রাসা সিল করে দেওয়া হয়েছে।নানপাড়ার তহশিলদার অম্বিকা চৌধুরি বলেন, রাজস্ব বিভাগের দল জমির মাপঝোঁক করছে। সরকারি জমিতে যে সমস্ত বেআইনি নির্মাণ গড়ে উঠেছিল, তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।স্থানীয় পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে রাজস্ব ও সংখ্যালঘু বিভাগের দল প্রতিদিন পরিদর্শনের জন্য গ্রামে গ্রামে যাচ্ছে। বৈধ কাগজপত্র না থাকলে মাদ্রাসাগুলো সিল করে দেওয়া হচ্ছে।রূপাইডিহা থেকে থেকে পাঁচ কিলোমিটার দূরে রয়েছে রঞ্জিতবোঝা গ্রাম। এই গ্রাম নেপাল সীমান্ত থেকে প্রায় দুই কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।

কোন পোস্ট নেই !