আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ৩১ জুলাই পর্যন্ত নিবন্ধিত ভোটারদের তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হালনাগাদ তালিকায় দেশে মোট ভোটার দাঁড়িয়েছে ১২ কোটি ৮৭ লাখ ৭৭ হাজার ৬৪৩ জন। নতুন তালিকায় পুরুষ ও নারী ভোটারের ব্যবধানও আগের তুলনায় কমেছে।
সোমবার (৩১ আগস্ট) সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। তিনি বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রাথমিক প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ৩১ জুলাই পর্যন্ত নিবন্ধিতদের ভিত্তিতেই বর্তমান ভোটার তালিকা করা হয়েছে।
চূড়ান্ত তালিকা অনুযায়ী, মোট ভোটারের মধ্যে পুরুষ ৬ কোটি ৫৫ লাখ ১০ হাজার ৬৬৫ জন, নারী ৬ কোটি ৩২ লাখ ৬৫ হাজার ৭১১ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ১ হাজার ২৬৭ জন। ফলে পুরুষ ও নারী ভোটারের সংখ্যার পার্থক্য দাঁড়িয়েছে ২২ লাখ ৪৫ হাজার ৫৫৪ জনে।
ইসি সচিবালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৪ মে প্রকাশিত প্রাথমিক ভোটার তালিকার তুলনায় এবার চূড়ান্ত তালিকায় নতুন ভোটার বেড়েছে ৪ লাখ ৫ হাজার ৪০৩ জন।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে আখতার আহমেদ বলেন, ৩১ জুলাইকে ‘কাট-অফ ডেট’ ধরে আসন্ন নির্বাচনের প্রস্তুতি এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। ওই তারিখের পর যারা ভোটার হিসেবে নিবন্ধিত হচ্ছেন বা হবেন, তারা আপাতত আসন্ন নির্বাচনে ভোট দেওয়ার সুযোগ পাবেন না। তবে ভোটার নিবন্ধন একটি চলমান প্রক্রিয়া উল্লেখ করে তিনি জানান, ভবিষ্যতে কমিশন কাট-অফ তারিখ পুনর্নির্ধারণ করলে নতুন ভোটারদের অন্তর্ভুক্ত করে তালিকা আবারও হালনাগাদ করা হবে।
নির্বাচনের সময়সূচি বা তফসিল নিয়ে জানতে চাইলে কোনো নির্দিষ্ট তারিখ জানাননি ইসি সচিব। তিনি বলেন, নির্বাচন আয়োজনের জন্য কমিশনের প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক প্রস্তুতি রয়েছে। সময়সূচি নিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হলে তা দ্রুত গণমাধ্যমকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে।
ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা নিয়েও এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। আখতার আহমেদ জানান, স্থানীয় সরকারের কোন প্রতিষ্ঠান বা স্তরের নির্বাচন আগে হবে—ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা, উপজেলা পরিষদ নাকি সিটি করপোরেশন—তার ওপর কেন্দ্রের সংখ্যা নির্ভর করবে। নির্বাচনী তফসিল ও সার্বিক রূপরেখা স্পষ্ট হওয়ার পর ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা চূড়ান্ত করবে নির্বাচন কমিশন।

বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ আগস্ট ২০২৬
আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ৩১ জুলাই পর্যন্ত নিবন্ধিত ভোটারদের তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হালনাগাদ তালিকায় দেশে মোট ভোটার দাঁড়িয়েছে ১২ কোটি ৮৭ লাখ ৭৭ হাজার ৬৪৩ জন। নতুন তালিকায় পুরুষ ও নারী ভোটারের ব্যবধানও আগের তুলনায় কমেছে।
সোমবার (৩১ আগস্ট) সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। তিনি বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রাথমিক প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ৩১ জুলাই পর্যন্ত নিবন্ধিতদের ভিত্তিতেই বর্তমান ভোটার তালিকা করা হয়েছে।
চূড়ান্ত তালিকা অনুযায়ী, মোট ভোটারের মধ্যে পুরুষ ৬ কোটি ৫৫ লাখ ১০ হাজার ৬৬৫ জন, নারী ৬ কোটি ৩২ লাখ ৬৫ হাজার ৭১১ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ১ হাজার ২৬৭ জন। ফলে পুরুষ ও নারী ভোটারের সংখ্যার পার্থক্য দাঁড়িয়েছে ২২ লাখ ৪৫ হাজার ৫৫৪ জনে।
ইসি সচিবালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৪ মে প্রকাশিত প্রাথমিক ভোটার তালিকার তুলনায় এবার চূড়ান্ত তালিকায় নতুন ভোটার বেড়েছে ৪ লাখ ৫ হাজার ৪০৩ জন।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে আখতার আহমেদ বলেন, ৩১ জুলাইকে ‘কাট-অফ ডেট’ ধরে আসন্ন নির্বাচনের প্রস্তুতি এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। ওই তারিখের পর যারা ভোটার হিসেবে নিবন্ধিত হচ্ছেন বা হবেন, তারা আপাতত আসন্ন নির্বাচনে ভোট দেওয়ার সুযোগ পাবেন না। তবে ভোটার নিবন্ধন একটি চলমান প্রক্রিয়া উল্লেখ করে তিনি জানান, ভবিষ্যতে কমিশন কাট-অফ তারিখ পুনর্নির্ধারণ করলে নতুন ভোটারদের অন্তর্ভুক্ত করে তালিকা আবারও হালনাগাদ করা হবে।
নির্বাচনের সময়সূচি বা তফসিল নিয়ে জানতে চাইলে কোনো নির্দিষ্ট তারিখ জানাননি ইসি সচিব। তিনি বলেন, নির্বাচন আয়োজনের জন্য কমিশনের প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক প্রস্তুতি রয়েছে। সময়সূচি নিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হলে তা দ্রুত গণমাধ্যমকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে।
ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা নিয়েও এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। আখতার আহমেদ জানান, স্থানীয় সরকারের কোন প্রতিষ্ঠান বা স্তরের নির্বাচন আগে হবে—ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা, উপজেলা পরিষদ নাকি সিটি করপোরেশন—তার ওপর কেন্দ্রের সংখ্যা নির্ভর করবে। নির্বাচনী তফসিল ও সার্বিক রূপরেখা স্পষ্ট হওয়ার পর ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা চূড়ান্ত করবে নির্বাচন কমিশন।

মতামত