মহাদেবপুরে সাংবাদিক আমিনুর রহমান খোকনের পিতার জানাজা ও দাফন সম্পূর্ণ হয়েছে। ২৭ অক্টোবর মঙ্গলবার বাদ জোহর উপজেলা সদরের ঐতিহাসিক ডাকবাংলা মাঠে জানাযার নামাজ শেষে কেন্দ্রীয় কবরস্থানে দাফন কার্য সম্পন্ন করা হয়। কাচারীপাড়ার বাসিন্দা অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্য আলহাজ আবুল কাশেম (৭৮) সোমবার ২৬ অক্টোবর সন্ধ্যা ৭টায় ইন্তেকাল করেন ।(ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
মরহুম আবুল কাশেম ১৯৪৯ সালের ৪ জানুয়ারি পাবনা জেলার সাঁথিয়া উপজেলার শামুকজানি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি উল্লেখিত গ্রামের মৃত আব্দুর রহমান মুসল্লি এবং মৃত জবেদা বেগমের বড় ছেলে। আবুল কাশেম ১৯৬৯ সালে বাংলাদেশ পুলিশে যোগদান করেন। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়ে তিনি পায়ে গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হন। কর্মজীবনে তিনি ঠাকুরগাঁও জেলার বালিয়াডাঙ্গী, বান্দরবান জেলার থানচি ও লামায় চাকরি করেছেন। পরবর্তীতে তিনি ১৯৮৪ সালে নওগাঁ জেলার নিয়ামতপুর থানায় যোগদান করেন এবং ১৯৮৯ সাল থেকে মহাদেবপুরে স্থায়ীভাবে বসবাস করে আসছিলেন। তিনি নওগাঁ জেলার নিয়ামতপুর, মহাদেবপুর, পত্নীতলা, ধামইরহাট, আত্রাই ও রানীনগর থানা এবং নওগাঁ আদালতে চাকরি করেছেন। সর্বশেষ তিনি নওহাটা পুলিশ ফাঁড়িতে কর্মরত ছিলেন এবং ২০০৩ সালে চাকরি থেকে অবসরে জান।
মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক ছেলে, এক মেয়ে ও নাতি-নাতনিসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। জানাজার নামাজে মহাদেবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ওমর ফারুক সহ এলাকার বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ সুশীল সমাজের ব্যক্তিবর্গএবং আমিনুর রহমান খোকনের সহকর্মী মহাদেবপুরে কর্মরত সাংবাদিকগণ উপস্থিত ছিলেন।

মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ অক্টোবর ২০২৬
মহাদেবপুরে সাংবাদিক আমিনুর রহমান খোকনের পিতার জানাজা ও দাফন সম্পূর্ণ হয়েছে। ২৭ অক্টোবর মঙ্গলবার বাদ জোহর উপজেলা সদরের ঐতিহাসিক ডাকবাংলা মাঠে জানাযার নামাজ শেষে কেন্দ্রীয় কবরস্থানে দাফন কার্য সম্পন্ন করা হয়। কাচারীপাড়ার বাসিন্দা অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্য আলহাজ আবুল কাশেম (৭৮) সোমবার ২৬ অক্টোবর সন্ধ্যা ৭টায় ইন্তেকাল করেন ।(ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
মরহুম আবুল কাশেম ১৯৪৯ সালের ৪ জানুয়ারি পাবনা জেলার সাঁথিয়া উপজেলার শামুকজানি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি উল্লেখিত গ্রামের মৃত আব্দুর রহমান মুসল্লি এবং মৃত জবেদা বেগমের বড় ছেলে। আবুল কাশেম ১৯৬৯ সালে বাংলাদেশ পুলিশে যোগদান করেন। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়ে তিনি পায়ে গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হন। কর্মজীবনে তিনি ঠাকুরগাঁও জেলার বালিয়াডাঙ্গী, বান্দরবান জেলার থানচি ও লামায় চাকরি করেছেন। পরবর্তীতে তিনি ১৯৮৪ সালে নওগাঁ জেলার নিয়ামতপুর থানায় যোগদান করেন এবং ১৯৮৯ সাল থেকে মহাদেবপুরে স্থায়ীভাবে বসবাস করে আসছিলেন। তিনি নওগাঁ জেলার নিয়ামতপুর, মহাদেবপুর, পত্নীতলা, ধামইরহাট, আত্রাই ও রানীনগর থানা এবং নওগাঁ আদালতে চাকরি করেছেন। সর্বশেষ তিনি নওহাটা পুলিশ ফাঁড়িতে কর্মরত ছিলেন এবং ২০০৩ সালে চাকরি থেকে অবসরে জান।
মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক ছেলে, এক মেয়ে ও নাতি-নাতনিসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। জানাজার নামাজে মহাদেবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ওমর ফারুক সহ এলাকার বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ সুশীল সমাজের ব্যক্তিবর্গএবং আমিনুর রহমান খোকনের সহকর্মী মহাদেবপুরে কর্মরত সাংবাদিকগণ উপস্থিত ছিলেন।

মতামত