কুড়িগ্রামের রৌমারী-রাজিবপুর উপজেলার শিবেরডাঙ্গি নামক এলাকায় ট্রাক ও অটোরিক্সার মুখোমুখি সংঘর্ষে একই পরিবারের তিনজনসহ মোট ৫ জন নিহতের ঘটনার পর পলাতক ট্রাক চালক লুৎফর রহমান (৫০) কে যৌথ অভিযানে গ্রেফতার করেছে জামালপুর-১৪ ও পাবনা-১২ এসআরবি।
গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করে রৌমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাওসার আলী জানান, শনিবার (২৪ অক্টোবর) রাত ৯ টার দিকে পাবনা জেলা শহরে যৌথ অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত লুৎফর রহমান পাবনা জেলা সদরের স্থায়ী বাসিন্দা বলে জানা যায়।
উল্লেখ গত ১৭ সেপ্টেম্বর (শনিবার) দুপুর আড়াইটার দিকে রৌমারী উপজেলার যাদুরচর ইউনিয়নের শিবেরডাঙ্গী নামক এলাকায় মালবাহী একটি ট্রাক এবং যাত্রীবাহী ইজিবাইকের মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনায় অটোরিক্সায় থাকা লিপি (২৬), তাঁর শিশু সন্তান রিশাদ (১২) ও মেয়ে তুবা (৭) এবং তার বড়বোন শরিফা (৪২) নিহত হন। এছাড়া রাজিবপুর উপজেলার নজরুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তি নিহত হন।গুরুতর আহত হন নিহত শরিফার মেয়ে বৃষ্টি (২৫)।
ঘটনার পর ট্রাক ও অটোরিক্সাচালক দুর্ঘটনার পর পালিয়ে যান। ঘটনার দিন রাতেই নিহতের পরিবার বাদী হয়ে ট্রাক ও অটোরিক্সাচালকের বিরুদ্ধে রৌমারী থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। এ ঘটনায় পুলিশের পাশাপাশি ছায়া তদন্তে নামে এসআরবি জামালপুর-১৪।
গ্রেফতারকৃত ট্রাকচালক লুৎফর রহমানকে পাবনা থেকে রৌমারী থানায় আনা হয়েছে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদের পর কুড়িগ্রাম আদালতে পাঠানো হবে বলে রৌমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাওসার আলী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

রোববার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ অক্টোবর ২০২৬
কুড়িগ্রামের রৌমারী-রাজিবপুর উপজেলার শিবেরডাঙ্গি নামক এলাকায় ট্রাক ও অটোরিক্সার মুখোমুখি সংঘর্ষে একই পরিবারের তিনজনসহ মোট ৫ জন নিহতের ঘটনার পর পলাতক ট্রাক চালক লুৎফর রহমান (৫০) কে যৌথ অভিযানে গ্রেফতার করেছে জামালপুর-১৪ ও পাবনা-১২ এসআরবি।
গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করে রৌমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাওসার আলী জানান, শনিবার (২৪ অক্টোবর) রাত ৯ টার দিকে পাবনা জেলা শহরে যৌথ অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত লুৎফর রহমান পাবনা জেলা সদরের স্থায়ী বাসিন্দা বলে জানা যায়।
উল্লেখ গত ১৭ সেপ্টেম্বর (শনিবার) দুপুর আড়াইটার দিকে রৌমারী উপজেলার যাদুরচর ইউনিয়নের শিবেরডাঙ্গী নামক এলাকায় মালবাহী একটি ট্রাক এবং যাত্রীবাহী ইজিবাইকের মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনায় অটোরিক্সায় থাকা লিপি (২৬), তাঁর শিশু সন্তান রিশাদ (১২) ও মেয়ে তুবা (৭) এবং তার বড়বোন শরিফা (৪২) নিহত হন। এছাড়া রাজিবপুর উপজেলার নজরুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তি নিহত হন।গুরুতর আহত হন নিহত শরিফার মেয়ে বৃষ্টি (২৫)।
ঘটনার পর ট্রাক ও অটোরিক্সাচালক দুর্ঘটনার পর পালিয়ে যান। ঘটনার দিন রাতেই নিহতের পরিবার বাদী হয়ে ট্রাক ও অটোরিক্সাচালকের বিরুদ্ধে রৌমারী থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। এ ঘটনায় পুলিশের পাশাপাশি ছায়া তদন্তে নামে এসআরবি জামালপুর-১৪।
গ্রেফতারকৃত ট্রাকচালক লুৎফর রহমানকে পাবনা থেকে রৌমারী থানায় আনা হয়েছে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদের পর কুড়িগ্রাম আদালতে পাঠানো হবে বলে রৌমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাওসার আলী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মতামত