দৈনিক সমাবেশ
আপডেট : শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

চীনর দূতাবাসের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্সের সঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ

চীনর দূতাবাসের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্সের সঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ

লিবিয়া থেকে স্বেচ্ছায় দেশে ফিরেছেন ১৭৪ জন অনিয়মিত বাংলাদেশি

লিবিয়া থেকে স্বেচ্ছায় দেশে ফিরেছেন ১৭৪ জন অনিয়মিত বাংলাদেশি

বাংলাদেশ-পাকিস্তানের খাদ্য সংরক্ষণ ও দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য সম্প্রসারণে গুরুত্বারোপ খাদ্যমন্ত্রীর

বাংলাদেশ-পাকিস্তানের খাদ্য সংরক্ষণ ও দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য সম্প্রসারণে গুরুত্বারোপ খাদ্যমন্ত্রীর

সম্প্রীতির উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করে উদযাপিত হলো দুর্গাপূজা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সম্প্রীতির উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করে উদযাপিত হলো দুর্গাপূজা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণ ও খাদ্যশস্য সংরক্ষণে যুক্তরাষ্ট্রের কারিগরি সহায়তা চাইলেন খাদ্যমন্ত্রী

নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণ ও খাদ্যশস্য সংরক্ষণে যুক্তরাষ্ট্রের কারিগরি সহায়তা চাইলেন খাদ্যমন্ত্রী

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মিসেস শামা ওবায়েদ ইসলাম, ২০২৬ সালের ২৬ থেকে ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত স্পেন ও যুক্তরাজ্য সফরে যাচ্ছেন

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মিসেস শামা ওবায়েদ ইসলাম, ২০২৬ সালের ২৬ থেকে ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত স্পেন ও যুক্তরাজ্য সফরে যাচ্ছেন

ডিএসসিসি কর্তৃক নবনির্মিত 'জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ' এবং 'ওসমানী উদ্যানের আধুনিকায়ন' - এর উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

ডিএসসিসি কর্তৃক নবনির্মিত 'জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ' এবং 'ওসমানী উদ্যানের আধুনিকায়ন' - এর উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

আমি স্বাস্থ্যের প্রতিমন্ত্রী, হাসপাতালের নই; রোগ প্রতিরোধই সরকারের মূল অগ্রাধিকার

আমি স্বাস্থ্যের প্রতিমন্ত্রী, হাসপাতালের নই; রোগ প্রতিরোধই সরকারের মূল অগ্রাধিকার

লিবিয়া থেকে আরও ১৭৪ জনকে মানবিক প্রত্যাবাসন

লিবিয়া থেকে আরও ১৭৪ জনকে মানবিক প্রত্যাবাসন

লিবিয়ার বিভিন্ন ডিটেনশন সেন্টারে আটক বাংলাদেশি নাগরিকদের নিরাপদ ও মানবিক প্রত্যাবাসনের লক্ষ্যে বাংলাদেশ দূতাবাস স্থানীয় কর্তৃপক্ষ, পাচারের শিকার মানব উদ্ধার ও শিশু সুরক্ষা সংস্থা এবং আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম)-এর সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে ত্রিপলীর তাজুরা ডিটেনশন সেন্টার থেকে ১৭৪ জন বাংলাদেশি নাগরিককে আইওএম-এর সহায়তায় দেশে প্রত্যাবাসন করা হয়েছে। প্রত্যাবাসিত অভিবাসীরা লিবিয়ার বুরাক এয়ারের UZ222 ফ্লাইটযোগে ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে সকাল ৭:০০ ঘটিকায় ঢাকায় পৌঁছালেন। বাংলাদেশ দূতাবাসের একটি প্রতিনিধি দল ত্রিপলীর মেতিগা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে উপস্থিত থেকে প্রত্যাবাসন কার্যক্রম তদারকি করেন এবং অভিবাসীদের প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদান করেন। 

প্রত্যাবাসিত অভিবাসীরা ভূমধ্যসাগরে উদ্ধার হওয়ার পর দীর্ঘদিন ধরে তাজুরা ডিটেনশন সেন্টারে আটক অবস্থায় ছিলেন। এভাবে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে অনিয়মিতভাবে সমুদ্রপথে বিদেশ গমনের চেষ্টা অনেক ক্ষেত্রে অভিবাসীদের মৃত্যু, নিখোঁজ, জিম্মি বা আটক হওয়ার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এর ফলে অনেক অভিবাসীকে দীর্ঘ সময় ডিটেনশন সেন্টারে মানবেতর পরিবেশে বন্দী জীবনযাপন করতে হয়। এ প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ দূতাবাস সকলকে দালাল ও মানবপাচারকারীদের প্ররোচনায় বিভ্রান্ত না হয়ে অনিয়মিত পথে বিদেশ গমনের চেষ্টা থেকে বিরত থাকার জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে।

এবিষয়ে পাচারের শিকার মানব উদ্ধার ও শিশু সুরক্ষা সংস্থার চেয়ারম্যান সৈয়দ খায়রুল আলম বিভিন্ন স্কুল কলেজে নিয়মিত সচেতনতা তৈরিতে মতবিনিময়, সেমিনার, পথসভা করে অবৈধভাবে দালাল চক্রের মাধ্যমে বিদেশে না যাওয়ার বিরুদ্ধে প্রতিবাদী আন্দোলন গড়ে তুলতে সবার সহযোগিতা কামনা করেন। মানবিক সমাজকর্মী খায়রুল আলম জানান কোন গার্ডিয়ান স্থানীয় প্রশাসন, সচেতন আত্নীয় স্বজন, থানা পুলিশ, সাংবাদিকদের  সহায়তা ছাড়া কাউকে (দালাল চক্র) গোপনে টাকা লেনদেন করে সন্তানকে বিদেশে পাঠিয়ে তার জীবনকে ঝুকিতে ফেলবেন না। সবাই একটু সচেতন হলে অবৈধভাবে দালাল চক্রের মাধ্যমে প্রতারিত হওয়ার সম্ভাবনা কমে যাবে। বৈধ ট্রাভেল এজেন্সি, সঠিক ঠিকানা,বৈধ ভিসা, কাজের ধরন, ব্যাংক এ চেকের মাধ্যমে অর্থ প্রদান, অফিসিয়াল রিসিটে টাকা প্রদানের মানি রিসিট সংগ্রহ করা, প্রতিষ্ঠানের এমডি চেয়ারম্যান ক্যাশিয়ার এর নজরে এনে লেনদেন করে সঠিক মনে হলে তারপর সন্তান কে বিদেশে পাঠানো উচিত, লিবিয়া হয়ে অন্য দেশে বিশেষ করে ইটালি যাওয়ার স্বপ্ন দেখা সন্তান কে বুঝিয়ে এধরনের ঝুকিতে ফেলবেন না। বাংলাদেশ থেকে লিবিয়ায় বৈধভাবে কোন শ্রমিক পাঠানো হয় না, ভিসারও প্রয়োজন হয় না, টুরিস্ট ভিসায় টিকিট কেটে দালাল চক্র ইটালির কথা বলে লিবিয়া নিয়ে ট্রলারে উঠিয়ে সাগরে ভাসিয়ে দিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। এধরণের প্রতারক চক্রকে ধরিয়ে দিতে পুলিশকে তথ্য দিয়ে সহায়তা করার অনুরোধ করেন পাচারের শিকার মানব উদ্ধার ও শিশু সুরক্ষা সংস্থার চেয়ারম্যান সৈয়দ খায়রুল আলম। 

খোজ নিয়ে জানা যায় বাংলাদেশ দূতাবাস লিবিয়ার বিভিন্ন ডিটেনশন সেন্টারে আটক বাংলাদেশি নাগরিকদের সনাক্তকরণ, কনস্যুলার সহায়তা প্রদান এবং দেশে প্রত্যাবাসনের ব্যবস্থা গ্রহণে ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এ লক্ষ্যে দূতাবাস নিয়মিতভাবে লিবিয়ার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও আইওএম-এর সঙ্গে যোগাযোগ ও সমন্বয় বজায় রাখছে। একই সঙ্গে বেনগাজীর গানফুদা ও ত্রিপলীর তাজুরা ডিটেনশন সেন্টারে অবস্থানরত অন্যান্য বাংলাদেশি নাগরিকদের দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ অব্যাহত রয়েছে।

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

লিবিয়া থেকে আরও ১৭৪ জনকে মানবিক প্রত্যাবাসন
0:00 0:00
1.0x
দৈনিক সমাবেশ

বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬


লিবিয়া থেকে আরও ১৭৪ জনকে মানবিক প্রত্যাবাসন

প্রকাশের তারিখ : ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

লিবিয়ার বিভিন্ন ডিটেনশন সেন্টারে আটক বাংলাদেশি নাগরিকদের নিরাপদ ও মানবিক প্রত্যাবাসনের লক্ষ্যে বাংলাদেশ দূতাবাস স্থানীয় কর্তৃপক্ষ, পাচারের শিকার মানব উদ্ধার ও শিশু সুরক্ষা সংস্থা এবং আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম)-এর সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে ত্রিপলীর তাজুরা ডিটেনশন সেন্টার থেকে ১৭৪ জন বাংলাদেশি নাগরিককে আইওএম-এর সহায়তায় দেশে প্রত্যাবাসন করা হয়েছে। প্রত্যাবাসিত অভিবাসীরা লিবিয়ার বুরাক এয়ারের UZ222 ফ্লাইটযোগে ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে সকাল ৭:০০ ঘটিকায় ঢাকায় পৌঁছালেন। বাংলাদেশ দূতাবাসের একটি প্রতিনিধি দল ত্রিপলীর মেতিগা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে উপস্থিত থেকে প্রত্যাবাসন কার্যক্রম তদারকি করেন এবং অভিবাসীদের প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদান করেন। 

প্রত্যাবাসিত অভিবাসীরা ভূমধ্যসাগরে উদ্ধার হওয়ার পর দীর্ঘদিন ধরে তাজুরা ডিটেনশন সেন্টারে আটক অবস্থায় ছিলেন। এভাবে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে অনিয়মিতভাবে সমুদ্রপথে বিদেশ গমনের চেষ্টা অনেক ক্ষেত্রে অভিবাসীদের মৃত্যু, নিখোঁজ, জিম্মি বা আটক হওয়ার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এর ফলে অনেক অভিবাসীকে দীর্ঘ সময় ডিটেনশন সেন্টারে মানবেতর পরিবেশে বন্দী জীবনযাপন করতে হয়। এ প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ দূতাবাস সকলকে দালাল ও মানবপাচারকারীদের প্ররোচনায় বিভ্রান্ত না হয়ে অনিয়মিত পথে বিদেশ গমনের চেষ্টা থেকে বিরত থাকার জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে।

এবিষয়ে পাচারের শিকার মানব উদ্ধার ও শিশু সুরক্ষা সংস্থার চেয়ারম্যান সৈয়দ খায়রুল আলম বিভিন্ন স্কুল কলেজে নিয়মিত সচেতনতা তৈরিতে মতবিনিময়, সেমিনার, পথসভা করে অবৈধভাবে দালাল চক্রের মাধ্যমে বিদেশে না যাওয়ার বিরুদ্ধে প্রতিবাদী আন্দোলন গড়ে তুলতে সবার সহযোগিতা কামনা করেন। মানবিক সমাজকর্মী খায়রুল আলম জানান কোন গার্ডিয়ান স্থানীয় প্রশাসন, সচেতন আত্নীয় স্বজন, থানা পুলিশ, সাংবাদিকদের  সহায়তা ছাড়া কাউকে (দালাল চক্র) গোপনে টাকা লেনদেন করে সন্তানকে বিদেশে পাঠিয়ে তার জীবনকে ঝুকিতে ফেলবেন না। সবাই একটু সচেতন হলে অবৈধভাবে দালাল চক্রের মাধ্যমে প্রতারিত হওয়ার সম্ভাবনা কমে যাবে। বৈধ ট্রাভেল এজেন্সি, সঠিক ঠিকানা,বৈধ ভিসা, কাজের ধরন, ব্যাংক এ চেকের মাধ্যমে অর্থ প্রদান, অফিসিয়াল রিসিটে টাকা প্রদানের মানি রিসিট সংগ্রহ করা, প্রতিষ্ঠানের এমডি চেয়ারম্যান ক্যাশিয়ার এর নজরে এনে লেনদেন করে সঠিক মনে হলে তারপর সন্তান কে বিদেশে পাঠানো উচিত, লিবিয়া হয়ে অন্য দেশে বিশেষ করে ইটালি যাওয়ার স্বপ্ন দেখা সন্তান কে বুঝিয়ে এধরনের ঝুকিতে ফেলবেন না। বাংলাদেশ থেকে লিবিয়ায় বৈধভাবে কোন শ্রমিক পাঠানো হয় না, ভিসারও প্রয়োজন হয় না, টুরিস্ট ভিসায় টিকিট কেটে দালাল চক্র ইটালির কথা বলে লিবিয়া নিয়ে ট্রলারে উঠিয়ে সাগরে ভাসিয়ে দিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। এধরণের প্রতারক চক্রকে ধরিয়ে দিতে পুলিশকে তথ্য দিয়ে সহায়তা করার অনুরোধ করেন পাচারের শিকার মানব উদ্ধার ও শিশু সুরক্ষা সংস্থার চেয়ারম্যান সৈয়দ খায়রুল আলম। 

খোজ নিয়ে জানা যায় বাংলাদেশ দূতাবাস লিবিয়ার বিভিন্ন ডিটেনশন সেন্টারে আটক বাংলাদেশি নাগরিকদের সনাক্তকরণ, কনস্যুলার সহায়তা প্রদান এবং দেশে প্রত্যাবাসনের ব্যবস্থা গ্রহণে ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এ লক্ষ্যে দূতাবাস নিয়মিতভাবে লিবিয়ার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও আইওএম-এর সঙ্গে যোগাযোগ ও সমন্বয় বজায় রাখছে। একই সঙ্গে বেনগাজীর গানফুদা ও ত্রিপলীর তাজুরা ডিটেনশন সেন্টারে অবস্থানরত অন্যান্য বাংলাদেশি নাগরিকদের দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ অব্যাহত রয়েছে।


দৈনিক সমাবেশ

প্রকাশকঃ মো: রবিউল ইসলাম ।
সম্পাদকঃ নিজামুল হক ।
নির্বাহী সম্পাদকঃ মোঃ রফিকুল ইসলাম ।
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: 2/2-c পুরানা পল্টন, ঢাকা-১০০০।
ই-মেইল: dainiksomabesh@gmail.com
টেলিফোনঃ 02226638261 মোবাইলঃ +880 1408-350003
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক সমাবেশ