বাংলাদেশের সীমান্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক ও প্রযুক্তিসক্ষম করার লক্ষ্যে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-এর উদ্যোগে সিলেটে প্রতিষ্ঠিত ‘Shimanto School of Surveillance and Drone Warfare (SSSDW)’-এর আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়েছে।
আজ (০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জনাব সালাহউদ্দিন আহমদ, এমপি প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে SSSDW-এর শুভ উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী উপস্থিত ছিলেন।
উদ্বোধনের পর মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী SSSDW-এর কমপ্লেক্স ও ডিসপ্লে সেন্টার পরিদর্শন করেন। এ সময় SSSDW-এর ভারপ্রাপ্ত কমান্ড্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ সালাহ উদ্দীন বিশেষায়িত এই প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কার্যক্রম, আধুনিক সুযোগ-সুবিধা এবং বিজিবিতে ব্যবহৃত বিভিন্ন ধরনের ড্রোনের আভিযানিক প্রয়োগ ও প্রশিক্ষণ পরিকল্পনা সম্পর্কে মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে অবহিত করেন।
পরবর্তীতে প্রশিক্ষণ মাঠে বিজিবির দক্ষ ও প্রশিক্ষিত ড্রোন পাইলটদের অংশগ্রহণে সীমান্ত নিরাপত্তায় ড্রোন প্রযুক্তির কার্যকর ও বহুমুখী ব্যবহারের ওপর একটি বিশেষ ‘Drone Maneuver’ মহড়া প্রদর্শন করা হয়। মহড়ায় ড্রোনের মাধ্যমে বিজিবির সিক্সম্যান পেট্রোল টিমের আভিযানিক কার্যক্রম, চোরাচালানবিরোধী অভিযানে ড্রোনের সাহায্যে চোরাকারবারীদের শনাক্ত ও আটক, পুশ-ইন প্রতিরোধে ড্রোনের কার্যকর ব্যবহার এবং অনুপ্রবেশকারী বা অপরিচিত ড্রোন শনাক্ত ও নিয়ন্ত্রণে Anti-Drone System-এর ব্যবহারিক প্রয়োগ প্রদর্শন করা হয়।
মহড়ার শেষ পর্যায়ে বিজিবিতে সংযোজিত Mavic Drone-সহ বিভিন্ন ড্রোনের সমন্বয়ে একটি আকর্ষণীয় Drone Fly-Past প্রদর্শন করা হয়। এর মাধ্যমে সীমান্ত নজরদারি, চোরাচালান প্রতিরোধ, পুশ-ইন প্রতিহতকরণ এবং সার্বিক সীমান্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনায় আধুনিক ড্রোন প্রযুক্তির কার্যকর প্রয়োগের সক্ষমতা তুলে ধরা হয়।
‘Shimanto School of Surveillance and Drone Warfare (SSSDW)’ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বিজিবির সীমান্ত নজরদারি ও ড্রোন পরিচালনায় দক্ষ জনবল তৈরির পাশাপাশি আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর সীমান্ত ব্যবস্থাপনা আরও সুসংহত হবে। এই বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান সীমান্ত নিরাপত্তায় উদ্ভাবনী প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি এবং বিজিবির অপারেশনাল সক্ষমতা আরও জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বাংলাদেশের সীমান্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক ও প্রযুক্তিসক্ষম করার লক্ষ্যে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-এর উদ্যোগে সিলেটে প্রতিষ্ঠিত ‘Shimanto School of Surveillance and Drone Warfare (SSSDW)’-এর আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়েছে।
আজ (০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জনাব সালাহউদ্দিন আহমদ, এমপি প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে SSSDW-এর শুভ উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী উপস্থিত ছিলেন।
উদ্বোধনের পর মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী SSSDW-এর কমপ্লেক্স ও ডিসপ্লে সেন্টার পরিদর্শন করেন। এ সময় SSSDW-এর ভারপ্রাপ্ত কমান্ড্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ সালাহ উদ্দীন বিশেষায়িত এই প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কার্যক্রম, আধুনিক সুযোগ-সুবিধা এবং বিজিবিতে ব্যবহৃত বিভিন্ন ধরনের ড্রোনের আভিযানিক প্রয়োগ ও প্রশিক্ষণ পরিকল্পনা সম্পর্কে মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে অবহিত করেন।
পরবর্তীতে প্রশিক্ষণ মাঠে বিজিবির দক্ষ ও প্রশিক্ষিত ড্রোন পাইলটদের অংশগ্রহণে সীমান্ত নিরাপত্তায় ড্রোন প্রযুক্তির কার্যকর ও বহুমুখী ব্যবহারের ওপর একটি বিশেষ ‘Drone Maneuver’ মহড়া প্রদর্শন করা হয়। মহড়ায় ড্রোনের মাধ্যমে বিজিবির সিক্সম্যান পেট্রোল টিমের আভিযানিক কার্যক্রম, চোরাচালানবিরোধী অভিযানে ড্রোনের সাহায্যে চোরাকারবারীদের শনাক্ত ও আটক, পুশ-ইন প্রতিরোধে ড্রোনের কার্যকর ব্যবহার এবং অনুপ্রবেশকারী বা অপরিচিত ড্রোন শনাক্ত ও নিয়ন্ত্রণে Anti-Drone System-এর ব্যবহারিক প্রয়োগ প্রদর্শন করা হয়।
মহড়ার শেষ পর্যায়ে বিজিবিতে সংযোজিত Mavic Drone-সহ বিভিন্ন ড্রোনের সমন্বয়ে একটি আকর্ষণীয় Drone Fly-Past প্রদর্শন করা হয়। এর মাধ্যমে সীমান্ত নজরদারি, চোরাচালান প্রতিরোধ, পুশ-ইন প্রতিহতকরণ এবং সার্বিক সীমান্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনায় আধুনিক ড্রোন প্রযুক্তির কার্যকর প্রয়োগের সক্ষমতা তুলে ধরা হয়।
‘Shimanto School of Surveillance and Drone Warfare (SSSDW)’ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বিজিবির সীমান্ত নজরদারি ও ড্রোন পরিচালনায় দক্ষ জনবল তৈরির পাশাপাশি আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর সীমান্ত ব্যবস্থাপনা আরও সুসংহত হবে। এই বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান সীমান্ত নিরাপত্তায় উদ্ভাবনী প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি এবং বিজিবির অপারেশনাল সক্ষমতা আরও জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

মতামত