জাতিসংঘ মানবাধিকার হাইকমিশনারের কার্যালয় (ওএইচসিএইচআর) মিশনের নবনিযুক্ত প্রধান মিসেস সাবিন ম্যাগডালেনা লাউবার আজ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের কাছে তাঁর পরিচয়পত্র পেশ করেছেন।
মিসেস লাউবারকে স্বাগত জানিয়ে এবং দায়িত্ব গ্রহণের জন্য তাঁকে অভিনন্দন জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী ওএইচসিএইচআর-এর সাথে গঠনমূলকভাবে কাজ করার জন্য বাংলাদেশের দৃঢ় সংকল্প পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি গণতন্ত্র শক্তিশালীকরণ, সুশাসন ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং মত প্রকাশের ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতাসহ মানবাধিকার ও মৌলিক স্বাধীনতা সুরক্ষার মতো সরকারি অগ্রাধিকারগুলোর ওপর আলোকপাত করেন। তিনি আইনি ও প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের মাধ্যমে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার গুরুত্বের ওপরও জোর দেন।
প্রতিমন্ত্রী কবির জাতিসংঘের বিশেষ কার্যপ্রণালী ম্যান্ডেটধারীদের সাথে বাংলাদেশের অব্যাহত সম্পৃক্ততার ওপরও আলোকপাত করেন এবং মিয়ানমারের মানবাধিকার পরিস্থিতি বিষয়ক বিশেষ র্যাপোর্টার ও শিক্ষা অধিকার বিষয়ক বিশেষ র্যাপোর্টারের আসন্ন সফর নিয়ে মতবিনিময় করেন।
প্রতিমন্ত্রী মানবাধিকার কমিশন (OHCHR) মিশনকে তাদের কর্মসূচি ও কার্যক্রম যেন সরকারের অগ্রাধিকারের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ থাকে তা নিশ্চিত করার জন্য আহ্বান জানান। তিনি বাংলাদেশে মিসেস লাউবারকে তার দায়িত্ব পালনে সরকারের পূর্ণ সমর্থন ও সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
জবাবে, মিসেস লাউবার সরকারের গঠনমূলক সম্পৃক্ততার প্রশংসা করেন এবং মানবাধিকারের প্রচার ও সুরক্ষায় এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের প্রচেষ্টাকে সমর্থন করার জন্য মানবাধিকার কমিশনের (OHCHR) প্রস্তুতির কথা পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি তার মেয়াদকালে অগ্রাধিকার ও পরিকল্পিত কার্যক্রমের রূপরেখা তুলে ধরেন এবং বাংলাদেশ সরকারের সাথে অব্যাহত সংলাপ ও সহযোগিতার গুরুত্বের ওপর জোর দেন।
২০২৫ সালের জুলাই মাসে বাংলাদেশ সরকার এবং ওএইচসিএইচআর-এর মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি তিন বছর মেয়াদী সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী প্রতিষ্ঠিত, বাংলাদেশে ওএইচসিএইচআর মিশনের প্রথম প্রধান হিসেবে মিসেস লাউবার দায়িত্ব গ্রহণ করছেন।

রোববার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ নভেম্বর ২০২৬
জাতিসংঘ মানবাধিকার হাইকমিশনারের কার্যালয় (ওএইচসিএইচআর) মিশনের নবনিযুক্ত প্রধান মিসেস সাবিন ম্যাগডালেনা লাউবার আজ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের কাছে তাঁর পরিচয়পত্র পেশ করেছেন।
মিসেস লাউবারকে স্বাগত জানিয়ে এবং দায়িত্ব গ্রহণের জন্য তাঁকে অভিনন্দন জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী ওএইচসিএইচআর-এর সাথে গঠনমূলকভাবে কাজ করার জন্য বাংলাদেশের দৃঢ় সংকল্প পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি গণতন্ত্র শক্তিশালীকরণ, সুশাসন ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং মত প্রকাশের ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতাসহ মানবাধিকার ও মৌলিক স্বাধীনতা সুরক্ষার মতো সরকারি অগ্রাধিকারগুলোর ওপর আলোকপাত করেন। তিনি আইনি ও প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের মাধ্যমে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার গুরুত্বের ওপরও জোর দেন।
প্রতিমন্ত্রী কবির জাতিসংঘের বিশেষ কার্যপ্রণালী ম্যান্ডেটধারীদের সাথে বাংলাদেশের অব্যাহত সম্পৃক্ততার ওপরও আলোকপাত করেন এবং মিয়ানমারের মানবাধিকার পরিস্থিতি বিষয়ক বিশেষ র্যাপোর্টার ও শিক্ষা অধিকার বিষয়ক বিশেষ র্যাপোর্টারের আসন্ন সফর নিয়ে মতবিনিময় করেন।
প্রতিমন্ত্রী মানবাধিকার কমিশন (OHCHR) মিশনকে তাদের কর্মসূচি ও কার্যক্রম যেন সরকারের অগ্রাধিকারের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ থাকে তা নিশ্চিত করার জন্য আহ্বান জানান। তিনি বাংলাদেশে মিসেস লাউবারকে তার দায়িত্ব পালনে সরকারের পূর্ণ সমর্থন ও সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
জবাবে, মিসেস লাউবার সরকারের গঠনমূলক সম্পৃক্ততার প্রশংসা করেন এবং মানবাধিকারের প্রচার ও সুরক্ষায় এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের প্রচেষ্টাকে সমর্থন করার জন্য মানবাধিকার কমিশনের (OHCHR) প্রস্তুতির কথা পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি তার মেয়াদকালে অগ্রাধিকার ও পরিকল্পিত কার্যক্রমের রূপরেখা তুলে ধরেন এবং বাংলাদেশ সরকারের সাথে অব্যাহত সংলাপ ও সহযোগিতার গুরুত্বের ওপর জোর দেন।
২০২৫ সালের জুলাই মাসে বাংলাদেশ সরকার এবং ওএইচসিএইচআর-এর মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি তিন বছর মেয়াদী সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী প্রতিষ্ঠিত, বাংলাদেশে ওএইচসিএইচআর মিশনের প্রথম প্রধান হিসেবে মিসেস লাউবার দায়িত্ব গ্রহণ করছেন।

মতামত