আসন্ন স্থানীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে সারা দেশের মতো কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলাতেও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা প্রচার-প্রচারণায় ব্যস্ত সময় পার করছে। ইতিমধ্যে প্রার্থীরা দোয়া ও সমর্থন চেয়ে পাড়া-মহল্লার অলি-গলিতে টাঙিয়েছে ব্যানার-ফেস্টুন। কিন্তু স্থানীয় বিএনপির রাজনীতিতে গ্রুপিং ও অভ্যন্তরীণ কোন্দলে ইতিমধ্যে প্রার্থীদের মধ্যেই সৃষ্টি হয়েছে বিরূপ প্রতিক্রিয়া একে অপরের প্রতি তুলছে নানা অভিযোগ।
আসন্ন খোকসা পৌর নির্বাচনকে সামনে রেখে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল থেকে সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী হয়েছে অনেকেই তবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল - বিএনপি থেকে একাধিক প্রার্থীদের নাম শোনা গেলেও মাঠে সক্রিয়ভাবে প্রচার-প্রচারণায় দেখা যাচ্ছে চারজন সম্ভাব্য প্রার্থীকে। কিন্তু স্থানীয় বিএনপির গ্রুপিং রাজনীতি ফলে প্রার্থীরা নিজেদের মধ্যে জড়িয়ে পড়েছে অভ্যন্তরীণ কোন্দলে। ইতিমধ্যে খোকসা পৌর নির্বাচনে সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী ও সাবেক ছাত্রদল নেতা রবিন রায়হান জসিমের ব্যানার-ফেস্টুন ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ এর অভিযোগ উঠেছে। জানা যায়, খোকসা পৌর এলাকার বিভিন্ন জায়গায় দোয়া ও সমর্থন চেয়ে ব্যানার-ফেস্টুন লাগিয়েছে সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী রবিন রায়হান জসিম তবে রাতের আঁধারে কে বা কারা তার ব্যানার-ফেস্টুন ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে। এ বিষয়ে নির্দিষ্ট কাউকে দোষারোপ না করলেও রবিন রায়হান জসিম সংবাদ সম্মেলন করে বলেন, তার জনপ্রিয়তা দেখে তার প্রতিপক্ষ প্রার্থীরা এই সমস্ত কর্মকাণ্ড ঘটাচ্ছে। তিনি আরো বলেন, আমরা জাতীয়তাবাদী রাজনীতিতে বিশ্বাসী। দেশ নায়ক জনাব তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী করার জন্য স্থানীয় নির্বাচনের ভূমিকা অপরিহার্য। দল থেকে যে প্রার্থী মনোনীত করা হবে আমরা তার পক্ষে সবাই মিলে কাজ করব। কিন্তু ব্যানার-ফেস্টুন ভাঙচুর করা,অগ্নিসংযোগ করা এবং শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, আপোষহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও দেশ নায়ক তারেক রহমানের ছবি অসম্মান করা ও ভাঙচুর করা এটা কখনোই মেনে নেওয়া সম্ভব না। আমি পুলিশ প্রশাসনের উদ্দেশ্যে বলতে চাই, নির্বাচনকে সামনে রেখে এ সমস্ত ঘটনা যেন দ্বিতীয়বার না ঘটে এবং আইনশৃংখলার পরিবেশ ঠিক রাখার জন্য আপনারা যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। এবং আমার বিএনপির নেতাকর্মীদেরকে বলতে চাই আপনারা এই সমস্ত গ্রুপিং রাজনীতি না করে সবাই এক ছাতার নিচে আসুন দলকে সুসংঘটিত করতে হলে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ ভাবে কাজ করতে হবে তা না হলে জাতীয় নির্বাচনের মত বিএনপি'র পরাজয় ও রাজাকারদের চক্রান্ত সফল হবে।
ব্যানার ও ফেস্টুন ভাঙচুরের ঘটনায় কোন মামলা না করা হলেও রবিন রায়হান জসিমের সমর্থকেরা জানিয়েছে পরবর্তীতে এমন ঘটনা আবারো ঘটলে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ নভেম্বর ২০২৬
আসন্ন স্থানীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে সারা দেশের মতো কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলাতেও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা প্রচার-প্রচারণায় ব্যস্ত সময় পার করছে। ইতিমধ্যে প্রার্থীরা দোয়া ও সমর্থন চেয়ে পাড়া-মহল্লার অলি-গলিতে টাঙিয়েছে ব্যানার-ফেস্টুন। কিন্তু স্থানীয় বিএনপির রাজনীতিতে গ্রুপিং ও অভ্যন্তরীণ কোন্দলে ইতিমধ্যে প্রার্থীদের মধ্যেই সৃষ্টি হয়েছে বিরূপ প্রতিক্রিয়া একে অপরের প্রতি তুলছে নানা অভিযোগ।
আসন্ন খোকসা পৌর নির্বাচনকে সামনে রেখে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল থেকে সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী হয়েছে অনেকেই তবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল - বিএনপি থেকে একাধিক প্রার্থীদের নাম শোনা গেলেও মাঠে সক্রিয়ভাবে প্রচার-প্রচারণায় দেখা যাচ্ছে চারজন সম্ভাব্য প্রার্থীকে। কিন্তু স্থানীয় বিএনপির গ্রুপিং রাজনীতি ফলে প্রার্থীরা নিজেদের মধ্যে জড়িয়ে পড়েছে অভ্যন্তরীণ কোন্দলে। ইতিমধ্যে খোকসা পৌর নির্বাচনে সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী ও সাবেক ছাত্রদল নেতা রবিন রায়হান জসিমের ব্যানার-ফেস্টুন ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ এর অভিযোগ উঠেছে। জানা যায়, খোকসা পৌর এলাকার বিভিন্ন জায়গায় দোয়া ও সমর্থন চেয়ে ব্যানার-ফেস্টুন লাগিয়েছে সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী রবিন রায়হান জসিম তবে রাতের আঁধারে কে বা কারা তার ব্যানার-ফেস্টুন ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে। এ বিষয়ে নির্দিষ্ট কাউকে দোষারোপ না করলেও রবিন রায়হান জসিম সংবাদ সম্মেলন করে বলেন, তার জনপ্রিয়তা দেখে তার প্রতিপক্ষ প্রার্থীরা এই সমস্ত কর্মকাণ্ড ঘটাচ্ছে। তিনি আরো বলেন, আমরা জাতীয়তাবাদী রাজনীতিতে বিশ্বাসী। দেশ নায়ক জনাব তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী করার জন্য স্থানীয় নির্বাচনের ভূমিকা অপরিহার্য। দল থেকে যে প্রার্থী মনোনীত করা হবে আমরা তার পক্ষে সবাই মিলে কাজ করব। কিন্তু ব্যানার-ফেস্টুন ভাঙচুর করা,অগ্নিসংযোগ করা এবং শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, আপোষহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও দেশ নায়ক তারেক রহমানের ছবি অসম্মান করা ও ভাঙচুর করা এটা কখনোই মেনে নেওয়া সম্ভব না। আমি পুলিশ প্রশাসনের উদ্দেশ্যে বলতে চাই, নির্বাচনকে সামনে রেখে এ সমস্ত ঘটনা যেন দ্বিতীয়বার না ঘটে এবং আইনশৃংখলার পরিবেশ ঠিক রাখার জন্য আপনারা যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। এবং আমার বিএনপির নেতাকর্মীদেরকে বলতে চাই আপনারা এই সমস্ত গ্রুপিং রাজনীতি না করে সবাই এক ছাতার নিচে আসুন দলকে সুসংঘটিত করতে হলে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ ভাবে কাজ করতে হবে তা না হলে জাতীয় নির্বাচনের মত বিএনপি'র পরাজয় ও রাজাকারদের চক্রান্ত সফল হবে।
ব্যানার ও ফেস্টুন ভাঙচুরের ঘটনায় কোন মামলা না করা হলেও রবিন রায়হান জসিমের সমর্থকেরা জানিয়েছে পরবর্তীতে এমন ঘটনা আবারো ঘটলে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মতামত