বাগেরহাটে অভিযান চালিয়ে ২২০ কেজি নকল ও ভেজাল সিগারেট উদ্ধার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে স্বামী-স্ত্রীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। উদ্ধার করা সিগারেটের আনুমানিক বাজারমূল্য ১১ লাখ টাকা। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) রাত ৩টা ৫০ মিনিটের দিকে বাগেরহাট সদর মডেল থানার খারাসম্বল এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালায় জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। এ সময় গ্রেফতারকৃতদের বসতঘর থেকে ১১টি প্লাস্টিকের বস্তায় রাখা ২২০ কেজি নকল ও ভেজাল সিগারেট উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতার ব্যক্তিরা হলেন, মো. দুলাল হাওলাদার (৫৮) ও তার স্ত্রী মোছা. রনজিদা বেগম।
জেলা গোয়েন্দা পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, তারা পরস্পরের যোগসাজশে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে নকল সিগারেট সংগ্রহ ও মজুদ করে আসছিলেন। পরে সরকারের রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে এসব সিগারেট বাজারে বিক্রি করতেন বলে পুলিশের দাবি।
এ ঘটনায় গ্রেফতার দুজনের বিরুদ্ধে ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ২৫-গ ধারায় বাগেরহাট সদর মডেল থানায় মামলা করা হয়েছে।
বাগেরহাট পুলিশ সুপার জামিরুল ইসলাম বলেন, অবৈধ ও নকল পণ্যবিরোধী অভিযান অব্যাহত রয়েছে। অপরাধীদের শনাক্ত, গ্রেফতার ও আইনের আওতায় আনতে জেলা পুলিশ তৎপর রয়েছে।

বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ নভেম্বর ২০২৬
বাগেরহাটে অভিযান চালিয়ে ২২০ কেজি নকল ও ভেজাল সিগারেট উদ্ধার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে স্বামী-স্ত্রীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। উদ্ধার করা সিগারেটের আনুমানিক বাজারমূল্য ১১ লাখ টাকা। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) রাত ৩টা ৫০ মিনিটের দিকে বাগেরহাট সদর মডেল থানার খারাসম্বল এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালায় জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। এ সময় গ্রেফতারকৃতদের বসতঘর থেকে ১১টি প্লাস্টিকের বস্তায় রাখা ২২০ কেজি নকল ও ভেজাল সিগারেট উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতার ব্যক্তিরা হলেন, মো. দুলাল হাওলাদার (৫৮) ও তার স্ত্রী মোছা. রনজিদা বেগম।
জেলা গোয়েন্দা পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, তারা পরস্পরের যোগসাজশে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে নকল সিগারেট সংগ্রহ ও মজুদ করে আসছিলেন। পরে সরকারের রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে এসব সিগারেট বাজারে বিক্রি করতেন বলে পুলিশের দাবি।
এ ঘটনায় গ্রেফতার দুজনের বিরুদ্ধে ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ২৫-গ ধারায় বাগেরহাট সদর মডেল থানায় মামলা করা হয়েছে।
বাগেরহাট পুলিশ সুপার জামিরুল ইসলাম বলেন, অবৈধ ও নকল পণ্যবিরোধী অভিযান অব্যাহত রয়েছে। অপরাধীদের শনাক্ত, গ্রেফতার ও আইনের আওতায় আনতে জেলা পুলিশ তৎপর রয়েছে।

মতামত