নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার ১১ নং ইতনা ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের দক্ষিণ পাংখারচর গ্রামে মৃত মোহাম্মদ জাহিদ মোল্লার ছেলে মোহাম্মদ রাজু মোল্লার বসতভিটায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।
রবিবার রাত ৮টায় ঘটে যাওয়া এই দুর্ঘটনায় মোহাম্মদ রাজু মোল্লার বসতভিটা সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে প্রায় ৫লাখ টাকার ক্ষতি সাধিত হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রবিবার রাতে হঠাৎ করেই মোহাম্মদ রাজু মোল্লার বসতঘরে আগুন জ্বলে ওঠে। মুহূর্তের মধ্যে আগুনের লেলিহান শিখা চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। প্রতিবেশীরা ছুটে এসে আগুন নেভানোর চেষ্টা করলেও শেষ রক্ষা হয়নি। লোহাগড়া ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেওয়া হলে তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই টিন ও কাঠের তৈরি ঘরটি আসবাবপত্রসহ পুড়ে মাটির সাথে মিশে যায়।
ক্ষতিগ্রস্ত দিনমজুর মোহাম্মদ রাজু মোল্লা জানান, ঘরের ভেতর থাকা আসবাবপত্র, খাদ্যসামগ্রী এবং নগদ টাকা পুড়ে যাওয়ায় তিনি এখন পরিবার নিয়ে খোলা আকাশের নিচে দাঁড়িয়ে আছেন। অগ্নিকাণ্ডের সঠিক কারণ এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। আকস্মিক এই দুর্ঘটনায় পরিবারটি সম্পূর্ণ নিঃস্ব হয়ে পড়েছে এবং প্রশাসনের পক্ষ থেকে দ্রুত সহায়তার আবেদন জানিয়েছে এলাকাবাসী।
লোহাগড়া ফায়ার সার্ভিস স্টেশন অফিসার মোঃ সোহাগুজ্জামান বলেন, ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই ঘরসহ আসবাবপত্রসহ পুড়ে যায়।

শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ অক্টোবর ২০২৬
নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার ১১ নং ইতনা ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের দক্ষিণ পাংখারচর গ্রামে মৃত মোহাম্মদ জাহিদ মোল্লার ছেলে মোহাম্মদ রাজু মোল্লার বসতভিটায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।
রবিবার রাত ৮টায় ঘটে যাওয়া এই দুর্ঘটনায় মোহাম্মদ রাজু মোল্লার বসতভিটা সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে প্রায় ৫লাখ টাকার ক্ষতি সাধিত হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রবিবার রাতে হঠাৎ করেই মোহাম্মদ রাজু মোল্লার বসতঘরে আগুন জ্বলে ওঠে। মুহূর্তের মধ্যে আগুনের লেলিহান শিখা চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। প্রতিবেশীরা ছুটে এসে আগুন নেভানোর চেষ্টা করলেও শেষ রক্ষা হয়নি। লোহাগড়া ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেওয়া হলে তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই টিন ও কাঠের তৈরি ঘরটি আসবাবপত্রসহ পুড়ে মাটির সাথে মিশে যায়।
ক্ষতিগ্রস্ত দিনমজুর মোহাম্মদ রাজু মোল্লা জানান, ঘরের ভেতর থাকা আসবাবপত্র, খাদ্যসামগ্রী এবং নগদ টাকা পুড়ে যাওয়ায় তিনি এখন পরিবার নিয়ে খোলা আকাশের নিচে দাঁড়িয়ে আছেন। অগ্নিকাণ্ডের সঠিক কারণ এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। আকস্মিক এই দুর্ঘটনায় পরিবারটি সম্পূর্ণ নিঃস্ব হয়ে পড়েছে এবং প্রশাসনের পক্ষ থেকে দ্রুত সহায়তার আবেদন জানিয়েছে এলাকাবাসী।
লোহাগড়া ফায়ার সার্ভিস স্টেশন অফিসার মোঃ সোহাগুজ্জামান বলেন, ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই ঘরসহ আসবাবপত্রসহ পুড়ে যায়।

মতামত