ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ বলেছেন, জনগণের স্বার্থে পুলিশ ও গণমাধ্যম পরস্পরের বন্ধু। উভয় পক্ষের দায়িত্ব একে অপরের পরিপূরক।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (ক্র্যাব) ৪৩ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
ডিএমপি কমিশনার বলেন, চার দশকের বেশি সময় ধরে অপরাধবিষয়ক সাংবাদিকতায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছেন সাংবাদিকরা। দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকাণ্ড জনগণের সামনে তুলে ধরার ক্ষেত্রে তাদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি বলেন, অপরাধ দমন ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশের কার্যক্রম সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে গণমাধ্যম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। এ কারণে জনগণের স্বার্থে পুলিশ ও গণমাধ্যমের দায়িত্ব পরস্পরের সঙ্গে সম্পূরক।
বর্তমান সময়ে প্রযুক্তিনির্ভর অপরাধ ও অনলাইন প্রতারণাসহ নানা ধরনের নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি হচ্ছে বলেও উল্লেখ করেন মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ। এসব বিষয়ে জনগণকে সচেতন করতে সত্য, বস্তুনিষ্ঠ ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার গুরুত্ব রয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
ডিএমপি ও গণমাধ্যমের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা ও আস্থার সম্পর্ক ভবিষ্যতে আরও শক্তিশালী হবে বলে আশা প্রকাশ করেন ডিএমপি কমিশনার।
ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের ৪৩ বছরের পথচলায় যারা অবদান রেখেছেন, তাদের প্রতিও আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানান তিনি। আগামী দিনগুলোতে ক্র্যাব আরও শক্তিশালী ও পেশাদার সংগঠন হিসেবে দেশের সাংবাদিকতা ও সমাজের কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দ, সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের সদস্য এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।

বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ বলেছেন, জনগণের স্বার্থে পুলিশ ও গণমাধ্যম পরস্পরের বন্ধু। উভয় পক্ষের দায়িত্ব একে অপরের পরিপূরক।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (ক্র্যাব) ৪৩ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
ডিএমপি কমিশনার বলেন, চার দশকের বেশি সময় ধরে অপরাধবিষয়ক সাংবাদিকতায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছেন সাংবাদিকরা। দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকাণ্ড জনগণের সামনে তুলে ধরার ক্ষেত্রে তাদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি বলেন, অপরাধ দমন ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশের কার্যক্রম সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে গণমাধ্যম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। এ কারণে জনগণের স্বার্থে পুলিশ ও গণমাধ্যমের দায়িত্ব পরস্পরের সঙ্গে সম্পূরক।
বর্তমান সময়ে প্রযুক্তিনির্ভর অপরাধ ও অনলাইন প্রতারণাসহ নানা ধরনের নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি হচ্ছে বলেও উল্লেখ করেন মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ। এসব বিষয়ে জনগণকে সচেতন করতে সত্য, বস্তুনিষ্ঠ ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার গুরুত্ব রয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
ডিএমপি ও গণমাধ্যমের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা ও আস্থার সম্পর্ক ভবিষ্যতে আরও শক্তিশালী হবে বলে আশা প্রকাশ করেন ডিএমপি কমিশনার।
ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের ৪৩ বছরের পথচলায় যারা অবদান রেখেছেন, তাদের প্রতিও আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানান তিনি। আগামী দিনগুলোতে ক্র্যাব আরও শক্তিশালী ও পেশাদার সংগঠন হিসেবে দেশের সাংবাদিকতা ও সমাজের কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দ, সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের সদস্য এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।

মতামত