ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার মধ্যেই ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন’ বা এসআরবি নামে কার্যক্রম শুরু করেছে প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে বিলুপ্ত হওয়া র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) থেকে নতুন নামে কার্যক্রম শুরুর কথা জানিয়েছেন বাহিনী প্রধান আহসান হাবীব পলাশ।
তিনি বলেন, এসআরবি নামে গেজেট হয়েছে। র্যাবের নাম পরিবর্তন করে এসআরবি নামে বুধবার থেকে সব কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে।
এদিন আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনের আমন্ত্রণপত্রের সঙ্গে ব্যবহৃত বাহিনীর লোগোতেও র্যাবের পরিবর্তে ‘এসআরবি বাংলাদেশ’ লেখা দেখা যায়। তবে লোগোর নকশায় কোনো পরিবর্তন করা হয়নি। বাহিনীর বিভিন্ন ইউনিটের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতেও নতুন লোগো ব্যবহার করা হয়েছে।
এর আগে গত ১০ সেপ্টেম্বর র্যাব বিলুপ্ত করে পুলিশের অধীনে ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন’ বা এসআরবি নামে একটি নতুন বিশেষায়িত ইউনিট গঠনের বিল জাতীয় সংসদে পাস হয়। মঙ্গলবার এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারির মাধ্যমে তা আইনে পরিণত হয়। এর পরদিনই নতুন নাম ও কাঠামোয় কার্যক্রম শুরু করল বাহিনীটি।
বিএনপি জামায়াত জোট সরকারের সময়ে ২০০৪ সালের ২৬ মার্চ র্যাব গঠন করা হয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় বাহিনীটির সাফল্যের পাশাপাশি পরবর্তী সময়ে বিচারবহির্ভূত হত্যা ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ ওঠে। এর পরিপ্রেক্ষিতে র্যাব বিলুপ্তির দাবিও বিভিন্ন সময়ে সামনে আসে।
গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে ২০২১ সালের ১০ ডিসেম্বর র্যাব এবং বাহিনীটির সাত কর্মকর্তার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে যুক্তরাষ্ট্র।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর ২০২৪ সালের ১০ ডিসেম্বর বিএনপি গঠিত পুলিশ প্রশাসন সংস্কারবিষয়ক কমিটি র্যাব বিলুপ্ত করার দাবি জানায়।
এর ধারাবাহিকতায় র্যাবের কাঠামো ও কর্মপরিধি পুনর্বিন্যস্ত করে ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন’ বা এসআরবি নামে বাহিনীটিকে কার্যক্রমে রাখা হলো।

বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার মধ্যেই ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন’ বা এসআরবি নামে কার্যক্রম শুরু করেছে প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে বিলুপ্ত হওয়া র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) থেকে নতুন নামে কার্যক্রম শুরুর কথা জানিয়েছেন বাহিনী প্রধান আহসান হাবীব পলাশ।
তিনি বলেন, এসআরবি নামে গেজেট হয়েছে। র্যাবের নাম পরিবর্তন করে এসআরবি নামে বুধবার থেকে সব কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে।
এদিন আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনের আমন্ত্রণপত্রের সঙ্গে ব্যবহৃত বাহিনীর লোগোতেও র্যাবের পরিবর্তে ‘এসআরবি বাংলাদেশ’ লেখা দেখা যায়। তবে লোগোর নকশায় কোনো পরিবর্তন করা হয়নি। বাহিনীর বিভিন্ন ইউনিটের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতেও নতুন লোগো ব্যবহার করা হয়েছে।
এর আগে গত ১০ সেপ্টেম্বর র্যাব বিলুপ্ত করে পুলিশের অধীনে ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন’ বা এসআরবি নামে একটি নতুন বিশেষায়িত ইউনিট গঠনের বিল জাতীয় সংসদে পাস হয়। মঙ্গলবার এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারির মাধ্যমে তা আইনে পরিণত হয়। এর পরদিনই নতুন নাম ও কাঠামোয় কার্যক্রম শুরু করল বাহিনীটি।
বিএনপি জামায়াত জোট সরকারের সময়ে ২০০৪ সালের ২৬ মার্চ র্যাব গঠন করা হয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় বাহিনীটির সাফল্যের পাশাপাশি পরবর্তী সময়ে বিচারবহির্ভূত হত্যা ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ ওঠে। এর পরিপ্রেক্ষিতে র্যাব বিলুপ্তির দাবিও বিভিন্ন সময়ে সামনে আসে।
গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে ২০২১ সালের ১০ ডিসেম্বর র্যাব এবং বাহিনীটির সাত কর্মকর্তার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে যুক্তরাষ্ট্র।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর ২০২৪ সালের ১০ ডিসেম্বর বিএনপি গঠিত পুলিশ প্রশাসন সংস্কারবিষয়ক কমিটি র্যাব বিলুপ্ত করার দাবি জানায়।
এর ধারাবাহিকতায় র্যাবের কাঠামো ও কর্মপরিধি পুনর্বিন্যস্ত করে ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন’ বা এসআরবি নামে বাহিনীটিকে কার্যক্রমে রাখা হলো।

মতামত