যুক্তিবাদী সমাজ নির্মাণ করা গেলে সমাজ থেকে অপসংস্কৃতি, ধর্মান্ধতা ও কুসংস্কার দূর হবে বলে মন্তব্য করেছেন ন্যাশনাল ডিবেট ফেডারেশন বাংলাদেশ (এনডিএফবিডি) চেয়ারম্যান এ.কে.এম. শোয়েব।
তিনি বলেন, “যুক্তির জোর দরকার, জোরের যুক্তি নয়।” এ লক্ষ্যেই ন্যাশনাল ডিবেট ফেডারেশন বাংলাদেশ কাজ করে যাচ্ছে।
‘উত্তরের সমীরণে যুক্তির আলো’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে রংপুরে আয়োজিত এনডিএফের সপ্তম বিভাগীয় বিতর্ক উৎসব-২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।
রংপুর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ মিলনায়তনে দিনব্যাপী এ উৎসবের উদ্বোধন করেন এনডিএফবিডির চেয়ারম্যান এ.কে.এম. শোয়েব। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ কর্নেল মোহাম্মদ আহসানুল কবির।
কর্নেল মোহাম্মদ আহসানুল কবির বলেন, রংপুর বিভাগের পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও, জয়পুরহাট, লালমনিরহাট, নীলফামারী, সৈয়দপুর, দিনাজপুর ও রংপুরের বিভিন্ন উপজেলা ও জেলা পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা এ আয়োজনে অংশ নিয়ে বিতর্ক, শুদ্ধ উচ্চারণসহ বিভিন্ন বিষয়ে শিখছেন। এ ধরনের আয়োজন শিক্ষার্থীদের সাহসী করে তুলবে।
তিনি আরও বলেন, যেখানে জ্ঞানের কোনো সীমা-পরিসীমা নেই, সেখানে বিতর্ক মানুষের জীবনে অনন্য অবদান রাখতে পারে।
দিনব্যাপী এ উৎসবে বিভাগের ৫০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের প্রায় ৬০০ শিক্ষার্থী অংশ নেয়। সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত আয়োজিত অনুষ্ঠানে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ফরম্যাটে বিতর্ক, সংসদীয় বিতর্ক, ব্রিটিশ পার্লামেন্টারি বিতর্ক, ওয়ার্ল্ড ফরম্যাট, এআই ও বিতর্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।
এ ছাড়া ছিল বারোয়ারি বিতর্ক, কুইজ, পাবলিক স্পিকিং ও প্রদর্শনী বিতর্ক।
বাংলা সংসদীয় বিতর্কবিষয়ক অধিবেশনে বিতর্কের কাঠামো, নিয়ম, যুক্তি নির্মাণ ও কৌশল শেখানো হয়। পাশাপাশি বিতর্কে এআইয়ের ব্যবহার, সম্ভাবনা, সীমাবদ্ধতা এবং ভবিষ্যতের বিতর্কচর্চায় এর প্রভাব নিয়ে আলোচনা করা হয়।
ব্রিটিশ পার্লামেন্টারি ডিবেট ও ওয়ার্ল্ড ফরম্যাট অধিবেশনে আন্তর্জাতিক বিতর্কের বিভিন্ন ধরন, বিশেষ করে বিপি ফরম্যাটের কাঠামো, নিয়ম ও মৌলিক ধারণা তুলে ধরা হয়।
‘বিতর্কশিল্পে আবৃত্তির প্রভাব’ শীর্ষক অধিবেশনে শুদ্ধ উচ্চারণ, কণ্ঠস্বর নিয়ন্ত্রণ, বাচনভঙ্গি, আবেগ ও কার্যকর উপস্থাপনায় আবৃত্তির ভূমিকা নিয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।
প্রশিক্ষক হিসেবে ছিলেন নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির লেকচারার ও ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটিজ ডিবেটিং চ্যাম্পিয়নশিপের বিতার্কিক শাইয়ান সাদিক ইশতি, ন্যাশনাল ডিবেট ফেডারেশন বাংলাদেশের মহাসচিব আশিকুর রহমান আকাশ, পাবলিক স্পিকিং প্রশিক্ষক ইঞ্জি. ফারসিমা রিয়াসাত এবং রংপুরের আবৃত্তিকার কাজল রায়।
দিনব্যাপী আয়োজনে বাংলা বারোয়ারি বিতর্ক ও ইংলিশ পাবলিক স্পিকিং প্রতিযোগিতাও অনুষ্ঠিত হয়।
বাংলা বারোয়ারি বিতর্কে স্কুল পর্যায়ে প্রথম স্থান অধিকার করেন তাসনীম, দ্বিতীয় স্বন্দীপ এবং তৃতীয় হন নুসরাত। কলেজ পর্যায়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেন রাজ বৈদ্য এবং রানার্সআপ হন মিসকাত জামান।
এ প্রতিযোগিতায় বিচারক হিসেবে ছিলেন ফিরোজ কবির, অধ্যাপক উমর ফারুক, নিয়াজ, মানিক ও অধ্যাপক শাহ আলম।
ইংলিশ পাবলিক স্পিকিং প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অধিকার করেন ইয়াশা আয়মান, দ্বিতীয় অথৈ এবং তৃতীয় হন নাজিবা। বিচারক হিসেবে ছিলেন ফারসিম রিয়াসাত, মো. শাইয়ান সাদিক ও জাহিদুল ইসলাম শিহাব।
এ ছাড়া প্রদর্শনী বিতর্কের অংশ হিসেবে আঞ্চলিক বিতর্ক ও প্লানচেট বিতর্কের আয়োজন করা হয়।
আঞ্চলিক বিতর্কে নোয়াখালীর হয়ে বিতর্ক করেন আমিন উল্যাহ ফাহাদ, ঢাকার হয়ে আলিফ ইমরান লিমন, রংপুরের হয়ে সেলিম ইসলাম আশিক এবং যশোর অঞ্চলের হয়ে তাওহীদ হোসেন দীপ্র।
প্লানচেট বিতর্কে কাজী নজরুল ইসলামের চরিত্রে বিতর্ক করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আলিফ ইমরান লিমন। বেগম রোকেয়ার চরিত্রে বিতর্ক করেন ঢাকা মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থী নুসরাত ইসলাম হুমায়রা। আবু সাইদের চরিত্রে বিতর্ক করেন ঢাকা মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহ আল নোমান। দেবী চৌধুরানীর চরিত্রে বিতর্ক করেন বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসের শিক্ষার্থী লামিয়া পারভিন অরিন। ম্যারাডোনার চরিত্রে বিতর্ক করেন সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী তাওহীদ হাসান দীপ্র।
এ বিতর্কে ওঝার দায়িত্ব পালন করেন ন্যাশনাল ডিবেট ফেডারেশন বাংলাদেশের যুগ্ম মহাসচিব নাহিদুর রহমান দুর্জয়।
কুইজ প্রতিযোগিতা পরিচালনা করেন এনডিএফবিডির যুগ্ম সাংগঠনিক সম্পাদক ও বিতার্কিক আমিন উল্যাহ ফাহাদ এবং কার্যনির্বাহী সদস্য তাওহীদ হোসেন দীপ্র। কুইজে প্রথম স্থান অধিকার করেন সেলিম, দ্বিতীয় সুবাহ এবং তৃতীয় হন ফুয়াদ আল ফারহান।
অনুষ্ঠানে ন্যাশনাল ডিবেট ফেডারেশন বাংলাদেশের রংপুর জোনের অ্যালামনাই ফিরোজ কবির কিরণ, জাহিদুল ইসলাম শিহাব, নিয়াজ খালিদ, অমরিশ চন্দ্র মহন্ত, নয়ন বাদশা, রাকিব হাসান, আরিফ বিল্লাহ, উমর ফারুকসহ অন্যান্য অতিথি বক্তব্য দেন।
আয়োজনের আহ্বায়ক জয় লালা বলেন, “এই আয়োজনের মাধ্যমে উত্তরাঞ্চলের শিক্ষার্থীরা দেশের অভিজ্ঞ বিতার্কিক ও প্রশিক্ষকদের কাছ থেকে শেখার সুযোগ পাবে। একই সঙ্গে তাদের যুক্তিবোধ, নেতৃত্ব, সৃজনশীলতা ও আত্মবিশ্বাস বিকাশের একটি কার্যকর ক্ষেত্র তৈরি হবে।”
আয়োজনের সংগঠকের দায়িত্ব পালন করেন অপু আলমগীর, রিয়ান, সুস্মিতা, মিষ্টি, শ্রেষ্ঠি, লিমন, প্রান্ত, আরিফ, সেলিম, মারিয়া, ঈদসহ আরও অনেকে।
অনুষ্ঠানটির মিডিয়া পার্টনার ছিল দৈনিক ইত্তেফাক, চ্যানেল আই, বাংলানিউজ২৪, যায়যায়দিন ও সভ্যতা টিভি।

সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
যুক্তিবাদী সমাজ নির্মাণ করা গেলে সমাজ থেকে অপসংস্কৃতি, ধর্মান্ধতা ও কুসংস্কার দূর হবে বলে মন্তব্য করেছেন ন্যাশনাল ডিবেট ফেডারেশন বাংলাদেশ (এনডিএফবিডি) চেয়ারম্যান এ.কে.এম. শোয়েব।
তিনি বলেন, “যুক্তির জোর দরকার, জোরের যুক্তি নয়।” এ লক্ষ্যেই ন্যাশনাল ডিবেট ফেডারেশন বাংলাদেশ কাজ করে যাচ্ছে।
‘উত্তরের সমীরণে যুক্তির আলো’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে রংপুরে আয়োজিত এনডিএফের সপ্তম বিভাগীয় বিতর্ক উৎসব-২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।
রংপুর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ মিলনায়তনে দিনব্যাপী এ উৎসবের উদ্বোধন করেন এনডিএফবিডির চেয়ারম্যান এ.কে.এম. শোয়েব। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ কর্নেল মোহাম্মদ আহসানুল কবির।
কর্নেল মোহাম্মদ আহসানুল কবির বলেন, রংপুর বিভাগের পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও, জয়পুরহাট, লালমনিরহাট, নীলফামারী, সৈয়দপুর, দিনাজপুর ও রংপুরের বিভিন্ন উপজেলা ও জেলা পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা এ আয়োজনে অংশ নিয়ে বিতর্ক, শুদ্ধ উচ্চারণসহ বিভিন্ন বিষয়ে শিখছেন। এ ধরনের আয়োজন শিক্ষার্থীদের সাহসী করে তুলবে।
তিনি আরও বলেন, যেখানে জ্ঞানের কোনো সীমা-পরিসীমা নেই, সেখানে বিতর্ক মানুষের জীবনে অনন্য অবদান রাখতে পারে।
দিনব্যাপী এ উৎসবে বিভাগের ৫০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের প্রায় ৬০০ শিক্ষার্থী অংশ নেয়। সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত আয়োজিত অনুষ্ঠানে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ফরম্যাটে বিতর্ক, সংসদীয় বিতর্ক, ব্রিটিশ পার্লামেন্টারি বিতর্ক, ওয়ার্ল্ড ফরম্যাট, এআই ও বিতর্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।
এ ছাড়া ছিল বারোয়ারি বিতর্ক, কুইজ, পাবলিক স্পিকিং ও প্রদর্শনী বিতর্ক।
বাংলা সংসদীয় বিতর্কবিষয়ক অধিবেশনে বিতর্কের কাঠামো, নিয়ম, যুক্তি নির্মাণ ও কৌশল শেখানো হয়। পাশাপাশি বিতর্কে এআইয়ের ব্যবহার, সম্ভাবনা, সীমাবদ্ধতা এবং ভবিষ্যতের বিতর্কচর্চায় এর প্রভাব নিয়ে আলোচনা করা হয়।
ব্রিটিশ পার্লামেন্টারি ডিবেট ও ওয়ার্ল্ড ফরম্যাট অধিবেশনে আন্তর্জাতিক বিতর্কের বিভিন্ন ধরন, বিশেষ করে বিপি ফরম্যাটের কাঠামো, নিয়ম ও মৌলিক ধারণা তুলে ধরা হয়।
‘বিতর্কশিল্পে আবৃত্তির প্রভাব’ শীর্ষক অধিবেশনে শুদ্ধ উচ্চারণ, কণ্ঠস্বর নিয়ন্ত্রণ, বাচনভঙ্গি, আবেগ ও কার্যকর উপস্থাপনায় আবৃত্তির ভূমিকা নিয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।
প্রশিক্ষক হিসেবে ছিলেন নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির লেকচারার ও ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটিজ ডিবেটিং চ্যাম্পিয়নশিপের বিতার্কিক শাইয়ান সাদিক ইশতি, ন্যাশনাল ডিবেট ফেডারেশন বাংলাদেশের মহাসচিব আশিকুর রহমান আকাশ, পাবলিক স্পিকিং প্রশিক্ষক ইঞ্জি. ফারসিমা রিয়াসাত এবং রংপুরের আবৃত্তিকার কাজল রায়।
দিনব্যাপী আয়োজনে বাংলা বারোয়ারি বিতর্ক ও ইংলিশ পাবলিক স্পিকিং প্রতিযোগিতাও অনুষ্ঠিত হয়।
বাংলা বারোয়ারি বিতর্কে স্কুল পর্যায়ে প্রথম স্থান অধিকার করেন তাসনীম, দ্বিতীয় স্বন্দীপ এবং তৃতীয় হন নুসরাত। কলেজ পর্যায়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেন রাজ বৈদ্য এবং রানার্সআপ হন মিসকাত জামান।
এ প্রতিযোগিতায় বিচারক হিসেবে ছিলেন ফিরোজ কবির, অধ্যাপক উমর ফারুক, নিয়াজ, মানিক ও অধ্যাপক শাহ আলম।
ইংলিশ পাবলিক স্পিকিং প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অধিকার করেন ইয়াশা আয়মান, দ্বিতীয় অথৈ এবং তৃতীয় হন নাজিবা। বিচারক হিসেবে ছিলেন ফারসিম রিয়াসাত, মো. শাইয়ান সাদিক ও জাহিদুল ইসলাম শিহাব।
এ ছাড়া প্রদর্শনী বিতর্কের অংশ হিসেবে আঞ্চলিক বিতর্ক ও প্লানচেট বিতর্কের আয়োজন করা হয়।
আঞ্চলিক বিতর্কে নোয়াখালীর হয়ে বিতর্ক করেন আমিন উল্যাহ ফাহাদ, ঢাকার হয়ে আলিফ ইমরান লিমন, রংপুরের হয়ে সেলিম ইসলাম আশিক এবং যশোর অঞ্চলের হয়ে তাওহীদ হোসেন দীপ্র।
প্লানচেট বিতর্কে কাজী নজরুল ইসলামের চরিত্রে বিতর্ক করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আলিফ ইমরান লিমন। বেগম রোকেয়ার চরিত্রে বিতর্ক করেন ঢাকা মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থী নুসরাত ইসলাম হুমায়রা। আবু সাইদের চরিত্রে বিতর্ক করেন ঢাকা মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহ আল নোমান। দেবী চৌধুরানীর চরিত্রে বিতর্ক করেন বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসের শিক্ষার্থী লামিয়া পারভিন অরিন। ম্যারাডোনার চরিত্রে বিতর্ক করেন সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী তাওহীদ হাসান দীপ্র।
এ বিতর্কে ওঝার দায়িত্ব পালন করেন ন্যাশনাল ডিবেট ফেডারেশন বাংলাদেশের যুগ্ম মহাসচিব নাহিদুর রহমান দুর্জয়।
কুইজ প্রতিযোগিতা পরিচালনা করেন এনডিএফবিডির যুগ্ম সাংগঠনিক সম্পাদক ও বিতার্কিক আমিন উল্যাহ ফাহাদ এবং কার্যনির্বাহী সদস্য তাওহীদ হোসেন দীপ্র। কুইজে প্রথম স্থান অধিকার করেন সেলিম, দ্বিতীয় সুবাহ এবং তৃতীয় হন ফুয়াদ আল ফারহান।
অনুষ্ঠানে ন্যাশনাল ডিবেট ফেডারেশন বাংলাদেশের রংপুর জোনের অ্যালামনাই ফিরোজ কবির কিরণ, জাহিদুল ইসলাম শিহাব, নিয়াজ খালিদ, অমরিশ চন্দ্র মহন্ত, নয়ন বাদশা, রাকিব হাসান, আরিফ বিল্লাহ, উমর ফারুকসহ অন্যান্য অতিথি বক্তব্য দেন।
আয়োজনের আহ্বায়ক জয় লালা বলেন, “এই আয়োজনের মাধ্যমে উত্তরাঞ্চলের শিক্ষার্থীরা দেশের অভিজ্ঞ বিতার্কিক ও প্রশিক্ষকদের কাছ থেকে শেখার সুযোগ পাবে। একই সঙ্গে তাদের যুক্তিবোধ, নেতৃত্ব, সৃজনশীলতা ও আত্মবিশ্বাস বিকাশের একটি কার্যকর ক্ষেত্র তৈরি হবে।”
আয়োজনের সংগঠকের দায়িত্ব পালন করেন অপু আলমগীর, রিয়ান, সুস্মিতা, মিষ্টি, শ্রেষ্ঠি, লিমন, প্রান্ত, আরিফ, সেলিম, মারিয়া, ঈদসহ আরও অনেকে।
অনুষ্ঠানটির মিডিয়া পার্টনার ছিল দৈনিক ইত্তেফাক, চ্যানেল আই, বাংলানিউজ২৪, যায়যায়দিন ও সভ্যতা টিভি।

মতামত