দৈনিক সমাবেশ
প্রকাশ : সোমবার, ৩১ আগস্ট ২০২৬

তিস্তার ভাঙনে দিশেহারা লালমনিরহাটের নদীপাড়ের মানুষ

তিস্তার ভাঙনে দিশেহারা লালমনিরহাটের নদীপাড়ের মানুষ

লালমনিরহাটে তিস্তা নদীর ভয়াবহ ভাঙনে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন নদীতীরবর্তী এলাকার মানুষ। গত কয়েক দিনের তীব্র স্রোতে সদর উপজেলার খুনিয়াগাছ ইউনিয়নের খোলাহাটি-খামারটারী এলাকায় নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে আবাদি জমি, বাঁশঝাড় ও পূর্বপুরুষের কবরস্থান। মাত্র ছয় দিনের ব্যবধানে প্রায় ৮ থেকে ১০ বিঘা জমি নদীতে বিলীন হয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

ভাঙন আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছেন নদীতীরবর্তী পরিবারের সদস্যরা। চোখের সামনে ফসলি জমি ও বসতভিটার অংশ নদীতে বিলীন হতে দেখে অনেকেই সর্বস্ব হারানোর আশঙ্কা করছেন।

স্থানীয়রা জানান, গত এক সপ্তাহ ধরে খুনিয়াগাছ ইউনিয়নের খোলাহাটি-খামারটারী এলাকায় তিস্তার ভাঙন তীব্র আকার ধারণ করেছে। নদীতে পানি ও স্রোত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভাঙনের তীব্রতাও বেড়েছে। একের পর এক রোপা আমনের ক্ষেত, বাঁশঝাড়সহ বিভিন্ন স্থাপনা নদীগর্ভে চলে যাচ্ছে। এতে কৃষিনির্ভর পরিবারগুলো সবচেয়ে বেশি ক্ষতির মুখে পড়েছেন।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, ভাঙন রোধে কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়ায় প্রতিদিনই নতুন নতুন এলাকা নদীর পেটে চলে যাচ্ছে। দ্রুত জিওব্যাগ ফেলা ও স্থায়ী তীররক্ষা বাঁধ নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন তারা।

ভুক্তভোগীরা বলেন, চোখের সামনে বছরের পর বছর ধরে গড়ে তোলা জমি নদীতে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। এমনকি পূর্বপুরুষদের কবরস্থানও নদীগর্ভে চলে যাচ্ছে। দ্রুত ভাঙন রোধে ব্যবস্থা না নিলে অনেক পরিবারকে বসতভিটা ও সম্পদ হারিয়ে পথে বসতে হতে পারে।

তারা আরও বলেন, অস্থায়ীভাবে জিওব্যাগ ফেলার পাশাপাশি তিস্তার ভাঙন থেকে এলাকাটি স্থায়ীভাবে রক্ষায় টেকসই তীররক্ষা বাঁধ নির্মাণ জরুরি।

লালমনিরহাট পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী শুনীল কুমার বলেন, ভাঙন পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। ভাঙন প্রতিরোধে জরুরি আপদকালীন ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

স্থানীয়দের দাবি, শুধু সাময়িক ব্যবস্থা নয়, তিস্তার ভাঙন থেকে নদীতীরবর্তী মানুষ ও তাদের ফসলি জমি রক্ষায় দ্রুত স্থায়ী ও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

তিস্তার ভাঙনে দিশেহারা লালমনিরহাটের নদীপাড়ের মানুষ
0:00 0:00
1.0x
দৈনিক সমাবেশ

বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬


তিস্তার ভাঙনে দিশেহারা লালমনিরহাটের নদীপাড়ের মানুষ

প্রকাশের তারিখ : ৩১ আগস্ট ২০২৬

featured Image

লালমনিরহাটে তিস্তা নদীর ভয়াবহ ভাঙনে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন নদীতীরবর্তী এলাকার মানুষ। গত কয়েক দিনের তীব্র স্রোতে সদর উপজেলার খুনিয়াগাছ ইউনিয়নের খোলাহাটি-খামারটারী এলাকায় নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে আবাদি জমি, বাঁশঝাড় ও পূর্বপুরুষের কবরস্থান। মাত্র ছয় দিনের ব্যবধানে প্রায় ৮ থেকে ১০ বিঘা জমি নদীতে বিলীন হয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

ভাঙন আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছেন নদীতীরবর্তী পরিবারের সদস্যরা। চোখের সামনে ফসলি জমি ও বসতভিটার অংশ নদীতে বিলীন হতে দেখে অনেকেই সর্বস্ব হারানোর আশঙ্কা করছেন।

স্থানীয়রা জানান, গত এক সপ্তাহ ধরে খুনিয়াগাছ ইউনিয়নের খোলাহাটি-খামারটারী এলাকায় তিস্তার ভাঙন তীব্র আকার ধারণ করেছে। নদীতে পানি ও স্রোত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভাঙনের তীব্রতাও বেড়েছে। একের পর এক রোপা আমনের ক্ষেত, বাঁশঝাড়সহ বিভিন্ন স্থাপনা নদীগর্ভে চলে যাচ্ছে। এতে কৃষিনির্ভর পরিবারগুলো সবচেয়ে বেশি ক্ষতির মুখে পড়েছেন।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, ভাঙন রোধে কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়ায় প্রতিদিনই নতুন নতুন এলাকা নদীর পেটে চলে যাচ্ছে। দ্রুত জিওব্যাগ ফেলা ও স্থায়ী তীররক্ষা বাঁধ নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন তারা।

ভুক্তভোগীরা বলেন, চোখের সামনে বছরের পর বছর ধরে গড়ে তোলা জমি নদীতে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। এমনকি পূর্বপুরুষদের কবরস্থানও নদীগর্ভে চলে যাচ্ছে। দ্রুত ভাঙন রোধে ব্যবস্থা না নিলে অনেক পরিবারকে বসতভিটা ও সম্পদ হারিয়ে পথে বসতে হতে পারে।

তারা আরও বলেন, অস্থায়ীভাবে জিওব্যাগ ফেলার পাশাপাশি তিস্তার ভাঙন থেকে এলাকাটি স্থায়ীভাবে রক্ষায় টেকসই তীররক্ষা বাঁধ নির্মাণ জরুরি।

লালমনিরহাট পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী শুনীল কুমার বলেন, ভাঙন পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। ভাঙন প্রতিরোধে জরুরি আপদকালীন ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

স্থানীয়দের দাবি, শুধু সাময়িক ব্যবস্থা নয়, তিস্তার ভাঙন থেকে নদীতীরবর্তী মানুষ ও তাদের ফসলি জমি রক্ষায় দ্রুত স্থায়ী ও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।


দৈনিক সমাবেশ

প্রকাশকঃ মো: রবিউল ইসলাম ।
সম্পাদকঃ নিজামুল হক ।
নির্বাহী সম্পাদকঃ মোঃ রফিকুল ইসলাম ।
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: 2/2-c পুরানা পল্টন, ঢাকা-১০০০।
ই-মেইল: dainiksomabesh@gmail.com
টেলিফোনঃ 02226638261 মোবাইলঃ +880 1408-350003
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক সমাবেশ