দৈনিক সমাবেশ
আপডেট : বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ভালো অর্জনের স্বীকৃতি দেবে সরকার : প্রধানমন্ত্রী

ভালো অর্জনের স্বীকৃতি দেবে সরকার : প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক হলেন হাফিজুল্লাহ খান

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক হলেন হাফিজুল্লাহ খান

তিনটি মেট্রোরেলসহ ১২ প্রকল্প অনুমোদন, ব্যয় ১ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকা

তিনটি মেট্রোরেলসহ ১২ প্রকল্প অনুমোদন, ব্যয় ১ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকা

মালয়েশিয়ার বন্ধ থাকা শ্রমবাজার স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় উন্মুক্ত করতে কাজ করছে সরকার: প্রবাসী কল্যাণ সচিব

মালয়েশিয়ার বন্ধ থাকা শ্রমবাজার স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় উন্মুক্ত করতে কাজ করছে সরকার: প্রবাসী কল্যাণ সচিব

পুলিশ ও গণমাধ্যম পরস্পরের বন্ধু: ডিএমপি কমিশনার

পুলিশ ও গণমাধ্যম পরস্পরের বন্ধু: ডিএমপি কমিশনার

জনাব হুমায়ুন কবির সাথে ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধিদলের সৌজন্য সাক্ষাত

জনাব হুমায়ুন কবির সাথে ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধিদলের সৌজন্য সাক্ষাত

'এস আর বি' নামে যাত্রা শুরু করল র‍্যাব

'এস আর বি' নামে যাত্রা শুরু করল র‍্যাব

বাংলাদেশ শিশু একাডেমির সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন: প্রস্তুতি সভায় অংশগ্রহণ ও একাডেমি পরিদর্শন করলেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী

বাংলাদেশ শিশু একাডেমির সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন: প্রস্তুতি সভায় অংশগ্রহণ ও একাডেমি পরিদর্শন করলেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী

ভালো অর্জনের স্বীকৃতি দেবে সরকার : প্রধানমন্ত্রী

ভালো অর্জনের স্বীকৃতি দেবে সরকার : প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক পবিত্র কোরআন প্রতিযোগিতায় পুরস্কার পাওয়া বাংলাদেশের হাফেজদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, দেশের সন্তানরা নিজেদের মেধা ও যোগ্যতার মাধ্যমে ভালো কোনো অর্জন করলে রাষ্ট্রীয়ভাবে তার স্বীকৃতি দেওয়ার চেষ্টা করবে সরকার।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে সৌদি আরবে অনুষ্ঠিত ৪৬তম কিং আবদুল আজিজ আন্তর্জাতিক পবিত্র কোরআন প্রতিযোগিতায় পুরস্কারজয়ী হাফেজদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের অভিনন্দন জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।



প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আপনারা যে পুরস্কারটা জিতে এসেছেন, এটা শুধু আপনাদেরই অর্জন না। আমি মনে করি, এটা বাংলাদেশের সকল মুসলমানের অর্জন।’

হাফেজদের উৎসাহ ও সম্মান জানানোর প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আপনারা প্রায় সবাই উল্লেখ করেছেন যে দীর্ঘদিন পর হাফেজদের উৎসাহিত করা হয়েছে, সম্মান জানানো হয়েছে। এটা বর্তমান সরকারের একটি নীতি যে দেশের সন্তান যারা আছে, যারা দেশের ভবিষ্যৎ; তারা তাদের যোগ্যতা দিয়ে, মেধা দিয়ে যা কিছু ভালো অর্জন করবে, সেটাকে সরকার চেষ্টা করবে রাষ্ট্রের অবস্থান থেকে স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য।’

মেধাবীদের উৎসাহিত করা এবং তাদের যথাযথ মূল্যায়নের প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন সরকারপ্রধান। তিনি বলেন, মেধাবীদের উৎসাহ ও সঠিক মূল্যায়ন করা গেলে এর সুফল ভবিষ্যৎ প্রজন্ম ও দেশ পাবে। এতে দেশের মানুষও উপকৃত হবে।

সরকার গঠনের পর থেকেই মেধাবী ও যোগ্যতাসম্পন্ন ব্যক্তিদের উৎসাহিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এর অংশ হিসেবেই আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হাফেজদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

অনুষ্ঠানে পুরস্কারজয়ী মাদ্রাসার শিক্ষকরা তাদের কয়েকটি সমস্যার কথা প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেন। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করার কথা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আপনারা কিছু সমস্যার কথা বলেছেন। এটার সমাধানের কোনো পথ আমাদের কাছে আছে কি না বা থাকলে সেটা কী, যদি সম্ভব হয়, ইনশা আল্লাহ আমরা সেটা দেখব। যতটুকু সম্ভব, আমাদের পক্ষে যতটুকু সম্ভব, আমরা ইনশা আল্লাহ সেটা দেখার অবশ্যই চেষ্টা করব।’

ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের ক্ষেত্রেও সহযোগিতার আশ্বাস দেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সামনে হয়তো এ ধরনের আরও প্রতিযোগিতা আসবে। ভবিষ্যতে এসব প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের জন্য সরকারের যদি কোনো সহযোগিতা প্রয়োজন হয়, আপনারা নিয়মমতো আমাদেরকে জানাবেন। আমরা সরকারের পক্ষ থেকে যতটুকু করা সম্ভব, সেই ব্যবস্থা করব।’

তিনি বলেন, ‘আমরা চাই আমাদের ছেলেমেয়েরা এরকম আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতাতে অংশগ্রহণ করুক এবং অংশগ্রহণ করার মাধ্যমে তাদের নিজেদের জন্য, দেশের জন্য, দেশের মানুষের জন্য তারা সম্মান এবং গৌরব নিয়ে আসুক।’

দেশে শান্তি প্রতিষ্ঠা ও পরিবর্তনের লক্ষ্যে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের হয়তো কাজের ধরনটা কিছুটা ভিন্ন হতে পারে। কিন্তু লক্ষ্য একই। সেটা হচ্ছে দেশের মধ্যে শান্তি স্থাপন করা, যাতে সকলে মিলে আমরা ভালো থাকতে পারি, শান্তিতে থাকতে পারি। মানুষ যাতে মানুষের মতো করে বেঁচে থাকতে পারে। সেটাই আমাদের চেষ্টা, সেটাই আমাদের উদ্যোগ।’

সরকারের জন্য সবার সহযোগিতা ও দোয়া চেয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা দেশের জন্য, দেশের মানুষের জন্য কাজ করতে চাই। সকলকে নিয়ে আমরা একসঙ্গে চলতে চাই। সকলকে নিয়ে আমরা দেশের জন্য ভালো কিছু পরিবর্তন আনতে চাই।’

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বিজয়ীদের বই উপহার দেন। এর আগে প্রতিযোগিতায় যে সূরা তিলাওয়াত করে তারা পুরস্কার পেয়েছেন, সেই সূরার আয়াত তাদের কণ্ঠে শোনেন প্রধানমন্ত্রী।

সৌদি আরবে অনুষ্ঠিত প্রতিযোগিতায় বিশ্বের ১৩৩টি দেশের প্রতিযোগীদের মধ্যে বাংলাদেশের হাফেজ মোহাম্মদ জাকারিয়া ১৫ পারা হিফজ, তাজবীদ ও সুন্দর তিলাওয়াত বিভাগে প্রথম স্থান অর্জন করেন। হাফেজ শেখ মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসান আশরাফী ৩০ পারা হিফজ, তাজবীদ ও সুন্দর তিলাওয়াত বিভাগে তৃতীয় হন। এছাড়া হাফেজা রাবেতা বিনতে রমজান ১৫ পারা এবং হাফেজা মুসফিরা বিনতে মাহমুদ ৩০ পারা হিফজ, তাজবিদ ও সুন্দর তিলাওয়াত বিভাগে তৃতীয় স্থান অর্জন করেন।

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ধর্মমন্ত্রী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ, প্রতিমন্ত্রী শামীম কায়সার, মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি এবং প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার।

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

ভালো অর্জনের স্বীকৃতি দেবে সরকার : প্রধানমন্ত্রী
0:00 0:00
1.0x
দৈনিক সমাবেশ

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬


ভালো অর্জনের স্বীকৃতি দেবে সরকার : প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশের তারিখ : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

আন্তর্জাতিক পবিত্র কোরআন প্রতিযোগিতায় পুরস্কার পাওয়া বাংলাদেশের হাফেজদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, দেশের সন্তানরা নিজেদের মেধা ও যোগ্যতার মাধ্যমে ভালো কোনো অর্জন করলে রাষ্ট্রীয়ভাবে তার স্বীকৃতি দেওয়ার চেষ্টা করবে সরকার।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে সৌদি আরবে অনুষ্ঠিত ৪৬তম কিং আবদুল আজিজ আন্তর্জাতিক পবিত্র কোরআন প্রতিযোগিতায় পুরস্কারজয়ী হাফেজদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের অভিনন্দন জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।



প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আপনারা যে পুরস্কারটা জিতে এসেছেন, এটা শুধু আপনাদেরই অর্জন না। আমি মনে করি, এটা বাংলাদেশের সকল মুসলমানের অর্জন।’

হাফেজদের উৎসাহ ও সম্মান জানানোর প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আপনারা প্রায় সবাই উল্লেখ করেছেন যে দীর্ঘদিন পর হাফেজদের উৎসাহিত করা হয়েছে, সম্মান জানানো হয়েছে। এটা বর্তমান সরকারের একটি নীতি যে দেশের সন্তান যারা আছে, যারা দেশের ভবিষ্যৎ; তারা তাদের যোগ্যতা দিয়ে, মেধা দিয়ে যা কিছু ভালো অর্জন করবে, সেটাকে সরকার চেষ্টা করবে রাষ্ট্রের অবস্থান থেকে স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য।’

মেধাবীদের উৎসাহিত করা এবং তাদের যথাযথ মূল্যায়নের প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন সরকারপ্রধান। তিনি বলেন, মেধাবীদের উৎসাহ ও সঠিক মূল্যায়ন করা গেলে এর সুফল ভবিষ্যৎ প্রজন্ম ও দেশ পাবে। এতে দেশের মানুষও উপকৃত হবে।

সরকার গঠনের পর থেকেই মেধাবী ও যোগ্যতাসম্পন্ন ব্যক্তিদের উৎসাহিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এর অংশ হিসেবেই আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হাফেজদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

অনুষ্ঠানে পুরস্কারজয়ী মাদ্রাসার শিক্ষকরা তাদের কয়েকটি সমস্যার কথা প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেন। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করার কথা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আপনারা কিছু সমস্যার কথা বলেছেন। এটার সমাধানের কোনো পথ আমাদের কাছে আছে কি না বা থাকলে সেটা কী, যদি সম্ভব হয়, ইনশা আল্লাহ আমরা সেটা দেখব। যতটুকু সম্ভব, আমাদের পক্ষে যতটুকু সম্ভব, আমরা ইনশা আল্লাহ সেটা দেখার অবশ্যই চেষ্টা করব।’

ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের ক্ষেত্রেও সহযোগিতার আশ্বাস দেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সামনে হয়তো এ ধরনের আরও প্রতিযোগিতা আসবে। ভবিষ্যতে এসব প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের জন্য সরকারের যদি কোনো সহযোগিতা প্রয়োজন হয়, আপনারা নিয়মমতো আমাদেরকে জানাবেন। আমরা সরকারের পক্ষ থেকে যতটুকু করা সম্ভব, সেই ব্যবস্থা করব।’

তিনি বলেন, ‘আমরা চাই আমাদের ছেলেমেয়েরা এরকম আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতাতে অংশগ্রহণ করুক এবং অংশগ্রহণ করার মাধ্যমে তাদের নিজেদের জন্য, দেশের জন্য, দেশের মানুষের জন্য তারা সম্মান এবং গৌরব নিয়ে আসুক।’

দেশে শান্তি প্রতিষ্ঠা ও পরিবর্তনের লক্ষ্যে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের হয়তো কাজের ধরনটা কিছুটা ভিন্ন হতে পারে। কিন্তু লক্ষ্য একই। সেটা হচ্ছে দেশের মধ্যে শান্তি স্থাপন করা, যাতে সকলে মিলে আমরা ভালো থাকতে পারি, শান্তিতে থাকতে পারি। মানুষ যাতে মানুষের মতো করে বেঁচে থাকতে পারে। সেটাই আমাদের চেষ্টা, সেটাই আমাদের উদ্যোগ।’

সরকারের জন্য সবার সহযোগিতা ও দোয়া চেয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা দেশের জন্য, দেশের মানুষের জন্য কাজ করতে চাই। সকলকে নিয়ে আমরা একসঙ্গে চলতে চাই। সকলকে নিয়ে আমরা দেশের জন্য ভালো কিছু পরিবর্তন আনতে চাই।’

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বিজয়ীদের বই উপহার দেন। এর আগে প্রতিযোগিতায় যে সূরা তিলাওয়াত করে তারা পুরস্কার পেয়েছেন, সেই সূরার আয়াত তাদের কণ্ঠে শোনেন প্রধানমন্ত্রী।

সৌদি আরবে অনুষ্ঠিত প্রতিযোগিতায় বিশ্বের ১৩৩টি দেশের প্রতিযোগীদের মধ্যে বাংলাদেশের হাফেজ মোহাম্মদ জাকারিয়া ১৫ পারা হিফজ, তাজবীদ ও সুন্দর তিলাওয়াত বিভাগে প্রথম স্থান অর্জন করেন। হাফেজ শেখ মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসান আশরাফী ৩০ পারা হিফজ, তাজবীদ ও সুন্দর তিলাওয়াত বিভাগে তৃতীয় হন। এছাড়া হাফেজা রাবেতা বিনতে রমজান ১৫ পারা এবং হাফেজা মুসফিরা বিনতে মাহমুদ ৩০ পারা হিফজ, তাজবিদ ও সুন্দর তিলাওয়াত বিভাগে তৃতীয় স্থান অর্জন করেন।

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ধর্মমন্ত্রী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ, প্রতিমন্ত্রী শামীম কায়সার, মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি এবং প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার।


দৈনিক সমাবেশ

প্রকাশকঃ মো: রবিউল ইসলাম ।
সম্পাদকঃ নিজামুল হক ।
নির্বাহী সম্পাদকঃ মোঃ রফিকুল ইসলাম ।
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: 2/2-c পুরানা পল্টন, ঢাকা-১০০০।
ই-মেইল: dainiksomabesh@gmail.com
টেলিফোনঃ 02226638261 মোবাইলঃ +880 1408-350003
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক সমাবেশ