দৈনিক সমাবেশ
প্রকাশ : বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সঠিক ন্যারেটিভ প্রতিষ্ঠা ও সমঅধিকারভিত্তিক সমাজ গড়তে সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ

সঠিক ন্যারেটিভ প্রতিষ্ঠা ও সমঅধিকারভিত্তিক সমাজ গড়তে সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ

রাত ৮টার পর একাদশে ভর্তির প্রথম ধাপের ফল প্রকাশ

রাত ৮টার পর একাদশে ভর্তির প্রথম ধাপের ফল প্রকাশ

বৃত্তি-উপবৃত্তিতে ‘সমতা’ নয়, প্রয়োজনের ভিত্তিতে অগ্রাধিকার: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ

বৃত্তি-উপবৃত্তিতে ‘সমতা’ নয়, প্রয়োজনের ভিত্তিতে অগ্রাধিকার: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ

বাংলা-ইংরেজি মাধ্যমের কারিকুলামে সামঞ্জস্য আনা হবে -- প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ

বাংলা-ইংরেজি মাধ্যমের কারিকুলামে সামঞ্জস্য আনা হবে -- প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ

স্কুল ফিডিং পুষ্টি সহায়তার পাশাপাশি সুশাসনেরও পরীক্ষা: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ

স্কুল ফিডিং পুষ্টি সহায়তার পাশাপাশি সুশাসনেরও পরীক্ষা: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ

চার কোটি মানুষকে সাক্ষরতার আলোয় আনতে উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা হবে আরও কার্যকর: ববি হাজ্জাজ

চার কোটি মানুষকে সাক্ষরতার আলোয় আনতে উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা হবে আরও কার্যকর: ববি হাজ্জাজ

২০৩১ সালের মধ্যে সাক্ষরতার হার ৯০ শতাংশে নেওয়ার লক্ষ্য সরকারের : ববি হাজ্জাজ

২০৩১ সালের মধ্যে সাক্ষরতার হার ৯০ শতাংশে নেওয়ার লক্ষ্য সরকারের : ববি হাজ্জাজ

স্কুল ফিডিং কর্মসূচির মাধ্যমে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ঝরে পড়ার হার শূন্যের কোটায় নামিয়ে আনব: ববি হাজ্জাজ

স্কুল ফিডিং কর্মসূচির মাধ্যমে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ঝরে পড়ার হার শূন্যের কোটায় নামিয়ে আনব: ববি হাজ্জাজ

রাত ৮টার পর একাদশে ভর্তির প্রথম ধাপের ফল প্রকাশ

রাত ৮টার পর একাদশে ভর্তির প্রথম ধাপের ফল প্রকাশ

২০২৬ থেকে ২০২৭ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির প্রথম ধাপের ফল বুধবার ১৬ সেপ্টেম্বর রাত ৮টার পর প্রকাশ করা হবে। নির্ধারিত ওয়েবসাইটে গিয়ে শিক্ষার্থীরা ফল দেখতে পারবেন।

বিষয়টি বুধবার দুপুরে ঢাকা পোস্টকে নিশ্চিত করেছেন আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, ঢাকার চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান। তিনি জানান, রাত ৮টার পর একাদশ শ্রেণির ভর্তির ফল প্রকাশ করা হবে এবং শিক্ষার্থীরা ওয়েবসাইটে ফল দেখতে পারবেন।

ফল প্রকাশের পর নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ভর্তি নিশ্চায়নের জন্য ১৮ সেপ্টেম্বর রাত ৮টা পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে নিশ্চায়ন সম্পন্ন না করলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীর নির্বাচন ও আবেদন বাতিল হয়ে যাবে।

শিক্ষার্থীদের পছন্দক্রমের ভিত্তিতে মাইগ্রেশনের ফল ১৯ সেপ্টেম্বর রাত ৮টায় প্রকাশ করা হবে। এরপর ২০ থেকে ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি কার্যক্রম চলবে। ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হবে একাদশ শ্রেণির ক্লাস।

একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির অনলাইন আবেদন শুরু হয়েছিল ২ সেপ্টেম্বর। এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে মেধাক্রম অনুযায়ী শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে। এ প্রক্রিয়ায় কোনো ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হবে না। আবেদনের ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ২২০ টাকা।

ভর্তি নির্দেশিকা অনুযায়ী, একজন শিক্ষার্থী সর্বনিম্ন পাঁচটি এবং সর্বোচ্চ ১০টি কলেজ বা সমমানের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পছন্দ করতে পারবেন। ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর রাত ৮টা পর্যন্ত আবেদনকারীদের পছন্দক্রম পরিবর্তনের সুযোগ ছিল।

নীতিমালা অনুযায়ী, যে শিক্ষাবর্ষে এসএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশ হয়েছে এবং তার আগের দুই বছরের পরীক্ষার্থীরাও একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির আবেদন করতে পারবেন। বিদেশি বোর্ড থেকে উত্তীর্ণদের ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের মাধ্যমে সনদের সমমান নির্ধারণের পর আবেদনের সুযোগ রয়েছে।

এবার একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির ক্ষেত্রে বিভাগ পরিবর্তনের সুযোগ রাখা হয়েছে। বিজ্ঞান বিভাগ থেকে এসএসসি উত্তীর্ণরা বিজ্ঞান, মানবিক বা ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে ভর্তি হতে পারবেন। মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের শিক্ষার্থীরা নিজেদের বিভাগ ছাড়াও পরস্পরের বিভাগে আবেদন করতে পারবেন। সব বিভাগের শিক্ষার্থীদের ইসলামী শিক্ষা, গার্হস্থ্য বিজ্ঞান ও সংগীত বিভাগে আবেদন করার সুযোগ রয়েছে। কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের শিক্ষার্থীরাও নীতিমালা অনুযায়ী সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের সংশ্লিষ্ট বিভাগে ভর্তি হতে পারবেন।

ভর্তির সময় প্রতিটি কলেজের ৯৩ শতাংশ আসন সাধারণ শিক্ষার্থীদের জন্য মেধার ভিত্তিতে উন্মুক্ত থাকবে। বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তানদের জন্য ৫ শতাংশ আসন সংরক্ষিত থাকবে। এছাড়া শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সন্তানদের জন্য ১ শতাংশ এবং মন্ত্রণালয়ের অধীন দপ্তর ও সংস্থার কর্মরতদের সন্তানদের জন্য ১ শতাংশ, অর্থাৎ মহানগর, বিভাগীয় ও জেলা সদরের প্রতিষ্ঠানে মোট ২ শতাংশ আসন সংরক্ষিত থাকবে। কোটায় উপযুক্ত প্রার্থী পাওয়া না গেলে ওই আসন মেধাতালিকা থেকে পূরণ করা হবে। এই কোটা ব্যবস্থা শুধু ২০২৬ থেকে ২০২৭ শিক্ষাবর্ষে কার্যকর থাকবে।

সমান জিপিএ পাওয়া শিক্ষার্থীদের মেধাক্রম নির্ধারণে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় মোট প্রাপ্ত নম্বর বিবেচনা করা হবে। বিজ্ঞান বিভাগের ক্ষেত্রে মোট নম্বরও সমান হলে সাধারণ গণিত, উচ্চতর গণিত অথবা জীববিজ্ঞানের নম্বর বিবেচনা করা হবে। এরপরও সমতা থাকলে পর্যায়ক্রমে ইংরেজি, পদার্থবিজ্ঞান ও রসায়নের নম্বর দেখা হবে। মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের ক্ষেত্রে সমান নম্বর হলে ইংরেজি, গণিত ও বাংলা বিষয়ের নম্বর পর্যায়ক্রমে বিবেচনায় নেওয়া হবে।

স্কুল অ্যান্ড কলেজ বা নিজস্ব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা ভর্তির যোগ্যতার শর্ত পূরণ করলে নিজ প্রতিষ্ঠানে অগ্রাধিকার পাবেন।

এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে ঢাকা মহানগরে বাংলা ও ইংরেজি মাধ্যমে সেশন চার্জ ও ভর্তি ফি সর্বোচ্চ ৫ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। অন্যান্য মহানগরে সর্বোচ্চ ৩ হাজার টাকা, জেলা সদরে ২ হাজার টাকা এবং উপজেলা বা মফস্বল এলাকায় সর্বোচ্চ ১ হাজার ৫০০ টাকা নেওয়া যাবে।

নন এমপিও বা আংশিক এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানে ঢাকা মহানগরে বাংলা মাধ্যমে সর্বোচ্চ ৭ হাজার ৫০০ টাকা এবং ইংরেজি মাধ্যমে ৮ হাজার ৫০০ টাকা নেওয়া যাবে। অন্যান্য মহানগরে এই ফি যথাক্রমে ৫ হাজার ও ৬ হাজার টাকা, জেলা সদরে ৩ হাজার ও ৪ হাজার টাকা এবং উপজেলা বা মফস্বল এলাকায় বাংলা মাধ্যমে ২ হাজার ৫০০ টাকা ও ইংরেজি মাধ্যমে ৩ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

প্রাথমিক নিশ্চায়নের সময় শিক্ষার্থীকে বোর্ডকে মোট ৩৪০ টাকা দিতে হবে। এর মধ্যে রেজিস্ট্রেশন ফি ১৪২ টাকা, ক্রীড়া ফি ৫০ টাকা, বিএনসিসি ফি ১০ টাকা, রোভার বা রেঞ্জার ফি ১৫ টাকা, রেড ক্রিসেন্ট ফি ১৬ টাকা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ফি ৭ টাকা এবং শিক্ষক কল্যাণ ও অবসর সুবিধা ফি ১০০ টাকা রয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নীতিমালা অনুযায়ী, বোর্ডের অনুমতি ছাড়া কোনো প্রতিষ্ঠান ছাড়পত্র বা টিসি ইস্যু কিংবা শিক্ষার্থী ভর্তি করতে পারবে না। অনুমোদনহীন শাখা বা বিষয়ে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হলে সংশ্লিষ্ট কলেজের পাঠদানের অনুমতি, স্বীকৃতি বা এমপিওভুক্তি বাতিল হতে পারে।

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

রাত ৮টার পর একাদশে ভর্তির প্রথম ধাপের ফল প্রকাশ
0:00 0:00
1.0x
দৈনিক সমাবেশ

বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬


রাত ৮টার পর একাদশে ভর্তির প্রথম ধাপের ফল প্রকাশ

প্রকাশের তারিখ : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

২০২৬ থেকে ২০২৭ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির প্রথম ধাপের ফল বুধবার ১৬ সেপ্টেম্বর রাত ৮টার পর প্রকাশ করা হবে। নির্ধারিত ওয়েবসাইটে গিয়ে শিক্ষার্থীরা ফল দেখতে পারবেন।

বিষয়টি বুধবার দুপুরে ঢাকা পোস্টকে নিশ্চিত করেছেন আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, ঢাকার চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান। তিনি জানান, রাত ৮টার পর একাদশ শ্রেণির ভর্তির ফল প্রকাশ করা হবে এবং শিক্ষার্থীরা ওয়েবসাইটে ফল দেখতে পারবেন।

ফল প্রকাশের পর নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ভর্তি নিশ্চায়নের জন্য ১৮ সেপ্টেম্বর রাত ৮টা পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে নিশ্চায়ন সম্পন্ন না করলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীর নির্বাচন ও আবেদন বাতিল হয়ে যাবে।

শিক্ষার্থীদের পছন্দক্রমের ভিত্তিতে মাইগ্রেশনের ফল ১৯ সেপ্টেম্বর রাত ৮টায় প্রকাশ করা হবে। এরপর ২০ থেকে ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি কার্যক্রম চলবে। ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হবে একাদশ শ্রেণির ক্লাস।

একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির অনলাইন আবেদন শুরু হয়েছিল ২ সেপ্টেম্বর। এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে মেধাক্রম অনুযায়ী শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে। এ প্রক্রিয়ায় কোনো ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হবে না। আবেদনের ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ২২০ টাকা।

ভর্তি নির্দেশিকা অনুযায়ী, একজন শিক্ষার্থী সর্বনিম্ন পাঁচটি এবং সর্বোচ্চ ১০টি কলেজ বা সমমানের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পছন্দ করতে পারবেন। ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর রাত ৮টা পর্যন্ত আবেদনকারীদের পছন্দক্রম পরিবর্তনের সুযোগ ছিল।

নীতিমালা অনুযায়ী, যে শিক্ষাবর্ষে এসএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশ হয়েছে এবং তার আগের দুই বছরের পরীক্ষার্থীরাও একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির আবেদন করতে পারবেন। বিদেশি বোর্ড থেকে উত্তীর্ণদের ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের মাধ্যমে সনদের সমমান নির্ধারণের পর আবেদনের সুযোগ রয়েছে।

এবার একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির ক্ষেত্রে বিভাগ পরিবর্তনের সুযোগ রাখা হয়েছে। বিজ্ঞান বিভাগ থেকে এসএসসি উত্তীর্ণরা বিজ্ঞান, মানবিক বা ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে ভর্তি হতে পারবেন। মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের শিক্ষার্থীরা নিজেদের বিভাগ ছাড়াও পরস্পরের বিভাগে আবেদন করতে পারবেন। সব বিভাগের শিক্ষার্থীদের ইসলামী শিক্ষা, গার্হস্থ্য বিজ্ঞান ও সংগীত বিভাগে আবেদন করার সুযোগ রয়েছে। কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের শিক্ষার্থীরাও নীতিমালা অনুযায়ী সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের সংশ্লিষ্ট বিভাগে ভর্তি হতে পারবেন।

ভর্তির সময় প্রতিটি কলেজের ৯৩ শতাংশ আসন সাধারণ শিক্ষার্থীদের জন্য মেধার ভিত্তিতে উন্মুক্ত থাকবে। বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তানদের জন্য ৫ শতাংশ আসন সংরক্ষিত থাকবে। এছাড়া শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সন্তানদের জন্য ১ শতাংশ এবং মন্ত্রণালয়ের অধীন দপ্তর ও সংস্থার কর্মরতদের সন্তানদের জন্য ১ শতাংশ, অর্থাৎ মহানগর, বিভাগীয় ও জেলা সদরের প্রতিষ্ঠানে মোট ২ শতাংশ আসন সংরক্ষিত থাকবে। কোটায় উপযুক্ত প্রার্থী পাওয়া না গেলে ওই আসন মেধাতালিকা থেকে পূরণ করা হবে। এই কোটা ব্যবস্থা শুধু ২০২৬ থেকে ২০২৭ শিক্ষাবর্ষে কার্যকর থাকবে।

সমান জিপিএ পাওয়া শিক্ষার্থীদের মেধাক্রম নির্ধারণে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় মোট প্রাপ্ত নম্বর বিবেচনা করা হবে। বিজ্ঞান বিভাগের ক্ষেত্রে মোট নম্বরও সমান হলে সাধারণ গণিত, উচ্চতর গণিত অথবা জীববিজ্ঞানের নম্বর বিবেচনা করা হবে। এরপরও সমতা থাকলে পর্যায়ক্রমে ইংরেজি, পদার্থবিজ্ঞান ও রসায়নের নম্বর দেখা হবে। মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের ক্ষেত্রে সমান নম্বর হলে ইংরেজি, গণিত ও বাংলা বিষয়ের নম্বর পর্যায়ক্রমে বিবেচনায় নেওয়া হবে।

স্কুল অ্যান্ড কলেজ বা নিজস্ব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা ভর্তির যোগ্যতার শর্ত পূরণ করলে নিজ প্রতিষ্ঠানে অগ্রাধিকার পাবেন।

এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে ঢাকা মহানগরে বাংলা ও ইংরেজি মাধ্যমে সেশন চার্জ ও ভর্তি ফি সর্বোচ্চ ৫ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। অন্যান্য মহানগরে সর্বোচ্চ ৩ হাজার টাকা, জেলা সদরে ২ হাজার টাকা এবং উপজেলা বা মফস্বল এলাকায় সর্বোচ্চ ১ হাজার ৫০০ টাকা নেওয়া যাবে।

নন এমপিও বা আংশিক এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানে ঢাকা মহানগরে বাংলা মাধ্যমে সর্বোচ্চ ৭ হাজার ৫০০ টাকা এবং ইংরেজি মাধ্যমে ৮ হাজার ৫০০ টাকা নেওয়া যাবে। অন্যান্য মহানগরে এই ফি যথাক্রমে ৫ হাজার ও ৬ হাজার টাকা, জেলা সদরে ৩ হাজার ও ৪ হাজার টাকা এবং উপজেলা বা মফস্বল এলাকায় বাংলা মাধ্যমে ২ হাজার ৫০০ টাকা ও ইংরেজি মাধ্যমে ৩ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

প্রাথমিক নিশ্চায়নের সময় শিক্ষার্থীকে বোর্ডকে মোট ৩৪০ টাকা দিতে হবে। এর মধ্যে রেজিস্ট্রেশন ফি ১৪২ টাকা, ক্রীড়া ফি ৫০ টাকা, বিএনসিসি ফি ১০ টাকা, রোভার বা রেঞ্জার ফি ১৫ টাকা, রেড ক্রিসেন্ট ফি ১৬ টাকা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ফি ৭ টাকা এবং শিক্ষক কল্যাণ ও অবসর সুবিধা ফি ১০০ টাকা রয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নীতিমালা অনুযায়ী, বোর্ডের অনুমতি ছাড়া কোনো প্রতিষ্ঠান ছাড়পত্র বা টিসি ইস্যু কিংবা শিক্ষার্থী ভর্তি করতে পারবে না। অনুমোদনহীন শাখা বা বিষয়ে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হলে সংশ্লিষ্ট কলেজের পাঠদানের অনুমতি, স্বীকৃতি বা এমপিওভুক্তি বাতিল হতে পারে।


দৈনিক সমাবেশ

প্রকাশকঃ মো: রবিউল ইসলাম ।
সম্পাদকঃ নিজামুল হক ।
নির্বাহী সম্পাদকঃ মোঃ রফিকুল ইসলাম ।
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: 2/2-c পুরানা পল্টন, ঢাকা-১০০০।
ই-মেইল: dainiksomabesh@gmail.com
টেলিফোনঃ 02226638261 মোবাইলঃ +880 1408-350003
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক সমাবেশ