ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে যৌতুকের দাবিতে মুন্নি আক্তার (২৮) নামে এক গৃহবধূকে মারধর করে ভাড়া বাসা থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তাঁর স্বামী মোহাম্মদ আবু ইউসুফের (৩৪) বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় নবীনগর থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন মুন্নি। অভিযোগে আবু ইউসুফের পাশাপাশি বাসার কেয়ারটেকার আলমগীর হোসেন (৬০) এবং আরও তিন থেকে চারজনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।
মুন্নির অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার বাসিন্দা মুন্নির সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আবু ইউসুফের পরিচয় হয়। পরে তাঁদের বিয়ে হয়। বিয়ের সময় মুন্নি বাবার বাড়ি থেকে পাওয়া পাঁচ ভরি স্বর্ণালংকার ও নগদ এক লাখ টাকা স্বামীকে দেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। তাঁদের দেনমোহর নির্ধারণ করা হয়েছিল তিন লাখ টাকা।
অভিযোগে বলা হয়েছে, বিয়ের পর প্রায় দেড় বছর তাঁরা ঢাকায় বসবাস করেন। এরপর গত তিন মাস ধরে নবীনগর পৌরসভার কলেজপাড়ার বেলজিয়াম হাউজে ভাড়া থাকছিলেন। বিয়ের কিছুদিন পর থেকেই আবু ইউসুফ আরও টাকা ও আসবাবপত্র এনে দেওয়ার জন্য মুন্নির ওপর চাপ দিতে থাকেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। বাবার বাড়ি থেকে প্রায় পাঁচ লাখ টাকা এনে দিতে না পারায় বিভিন্ন সময় তাঁকে মারধর ও মানসিকভাবে নির্যাতন করা হয়েছে বলেও অভিযোগে বলা হয়।
মুন্নির ভাষ্য, গত ১২ সেপ্টেম্বর সকাল ৮টার দিকে যৌতুকের টাকার জন্য তাঁকে আবার মারধর করা হয়। একপর্যায়ে তাঁকে বাসা থেকে বের করে দেওয়া হয়। বিষয়টি বাসার কেয়ারটেকার আলমগীর হোসেনকে জানালে তিনিও তাঁকে বাসা ছেড়ে দেওয়ার জন্য হুমকি দেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। পরে বাসায় তালা লাগিয়ে দেওয়ায় কয়েক দিন ধরে তিনি ভাড়া বাসাটিতে ঢুকতে পারছেন না বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযোগের বিষয়ে আবু ইউসুফের বক্তব্য জানতে তাঁর মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি। ফলে এ বিষয়ে তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
নবীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোরশেদুল আলম চৌধুরী জানান, গৃহবধূর লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে যৌতুকের দাবিতে মুন্নি আক্তার (২৮) নামে এক গৃহবধূকে মারধর করে ভাড়া বাসা থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তাঁর স্বামী মোহাম্মদ আবু ইউসুফের (৩৪) বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় নবীনগর থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন মুন্নি। অভিযোগে আবু ইউসুফের পাশাপাশি বাসার কেয়ারটেকার আলমগীর হোসেন (৬০) এবং আরও তিন থেকে চারজনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।
মুন্নির অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার বাসিন্দা মুন্নির সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আবু ইউসুফের পরিচয় হয়। পরে তাঁদের বিয়ে হয়। বিয়ের সময় মুন্নি বাবার বাড়ি থেকে পাওয়া পাঁচ ভরি স্বর্ণালংকার ও নগদ এক লাখ টাকা স্বামীকে দেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। তাঁদের দেনমোহর নির্ধারণ করা হয়েছিল তিন লাখ টাকা।
অভিযোগে বলা হয়েছে, বিয়ের পর প্রায় দেড় বছর তাঁরা ঢাকায় বসবাস করেন। এরপর গত তিন মাস ধরে নবীনগর পৌরসভার কলেজপাড়ার বেলজিয়াম হাউজে ভাড়া থাকছিলেন। বিয়ের কিছুদিন পর থেকেই আবু ইউসুফ আরও টাকা ও আসবাবপত্র এনে দেওয়ার জন্য মুন্নির ওপর চাপ দিতে থাকেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। বাবার বাড়ি থেকে প্রায় পাঁচ লাখ টাকা এনে দিতে না পারায় বিভিন্ন সময় তাঁকে মারধর ও মানসিকভাবে নির্যাতন করা হয়েছে বলেও অভিযোগে বলা হয়।
মুন্নির ভাষ্য, গত ১২ সেপ্টেম্বর সকাল ৮টার দিকে যৌতুকের টাকার জন্য তাঁকে আবার মারধর করা হয়। একপর্যায়ে তাঁকে বাসা থেকে বের করে দেওয়া হয়। বিষয়টি বাসার কেয়ারটেকার আলমগীর হোসেনকে জানালে তিনিও তাঁকে বাসা ছেড়ে দেওয়ার জন্য হুমকি দেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। পরে বাসায় তালা লাগিয়ে দেওয়ায় কয়েক দিন ধরে তিনি ভাড়া বাসাটিতে ঢুকতে পারছেন না বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযোগের বিষয়ে আবু ইউসুফের বক্তব্য জানতে তাঁর মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি। ফলে এ বিষয়ে তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
নবীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোরশেদুল আলম চৌধুরী জানান, গৃহবধূর লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মতামত