দৈনিক সমাবেশ
প্রকাশ : শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

২০২৯ সালের জুনে শেষ হবে ঢাকা সিলেট মহাসড়কের ৬ লেনের নির্মাণকাজ: সড়কমন্ত্রী

২০২৯ সালের জুনে শেষ হবে ঢাকা সিলেট মহাসড়কের ৬ লেনের নির্মাণকাজ: সড়কমন্ত্রী

বীর মুক্তিযোদ্ধা গেজেটে অন্তর্ভুক্তি দাবিতে অবসরপ্রাপ্ত ইপিাআর সদস্যর সংবাদ সম্মেলন

বীর মুক্তিযোদ্ধা গেজেটে অন্তর্ভুক্তি দাবিতে অবসরপ্রাপ্ত ইপিাআর সদস্যর সংবাদ সম্মেলন

মানিকগঞ্জে স্ত্রী-সন্তানকে হত্যার পর স্বামীর আত্মহত্যা

মানিকগঞ্জে স্ত্রী-সন্তানকে হত্যার পর স্বামীর আত্মহত্যা

ফুলবাড়ীতে পাটের ফলন ও দাম দুই-ই ভালো, স্বস্তিতে কৃষকেরা

ফুলবাড়ীতে পাটের ফলন ও দাম দুই-ই ভালো, স্বস্তিতে কৃষকেরা

ফুলবাড়ীতে আউশের বাম্পার ফলনেও হাসি নেই কৃষকের মুখে

ফুলবাড়ীতে আউশের বাম্পার ফলনেও হাসি নেই কৃষকের মুখে

পার্বতীপুর হ্যাচারি প্রকল্পের সভাকক্ষে দৈনিক জনতার ৪৩ তম বিভাগীয় প্রতিনিধি সম্মেলন অনুষ্ঠিত

পার্বতীপুর হ্যাচারি প্রকল্পের সভাকক্ষে দৈনিক জনতার ৪৩ তম বিভাগীয় প্রতিনিধি সম্মেলন অনুষ্ঠিত

ফুলবাড়ী উপজেলায় কোরিয়ান মার্শাল আর্ট তায়কোয়ানডো এর শুভ উদ্ভোধন

ফুলবাড়ী উপজেলায় কোরিয়ান মার্শাল আর্ট তায়কোয়ানডো এর শুভ উদ্ভোধন

মহাদেবপুরে ইউপি নির্বাচন পরিস্থিতি -১| উপজেলার সকল ইউনিয়নে জামাতের একক প্রার্থী বিএনপি'র গড়ে ৬ জন

মহাদেবপুরে ইউপি নির্বাচন পরিস্থিতি -১| উপজেলার সকল ইউনিয়নে জামাতের একক প্রার্থী বিএনপি'র গড়ে ৬ জন

ফুলবাড়ীতে পাটের ফলন ও দাম দুই-ই ভালো, স্বস্তিতে কৃষকেরা

ফুলবাড়ীতে পাটের ফলন ও দাম দুই-ই ভালো, স্বস্তিতে কৃষকেরা

গত কয়েক বছর পাটের ফলন ও বাজারদর নিয়ে হতাশ ছিলেন দিনাজপুরের ফুলবাড়ী উপজেলার কৃষকেরা। এ বছর সময় মতো বৃষ্টিপাত ও আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ফলন ভালো হয়েছে। বাজারেও মিলছে ভালো দাম।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, চলতি মৌসুমে ৬০ হেক্টর জমিতে পাট চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। শেষ পর্যন্ত আবাদও হয়েছে সমপরিমাণ জমিতে। এতে উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১১১ মেট্রিক টন বা ৬০৮ বেল পাট। এ বছর সিভিএল-১ ও ৯৮৯৭ এই দুই জাতের পাট আবাদ করা হয়েছে উপজেলায়। এরই মধ্যে ৯০ শতাংশ জমির পাট কাটা শেষ করে ফেলেছেন কৃষক। কৃষি বিভাগের হিসাবে কাটা জমি থেকেই উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার কাছাকাছি পাট পাওয়া গেছে। এখনও অবশিষ্ট ১০ ভাগ জমির পাট কাটা বাকি রয়েছে। 

উপজেলার বিভিন্ন হাটবাজারে মানভেদে প্রতি মণ পাট ৩ হাজান ৯০০ থেকে ৪ হাজার টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। কৃষকদের হিসাবে, এক বিঘা জমিতে পাট চাষে সর্বোচ্চ ১২ হাজার টাকা খরচ হয়। ফলন হয় ৮ থেকে ১০ মণ পাট। বর্তমান বাজারদরে ওই পাট বিক্রি করে ৩০ থেকে ৪০ হাজার টাকা পাওয়া যাচ্ছে। খরচ বাদ দিয়ে লাভ থাকছে ১৮ থেকে ৩০ হাজার টাকা। অবশ্য ফলন, পাটের মান ও দামের ওপর লাভের পরিমাণ কমবেশি হয়। 

উপজেলার আটপুকুরহাটসহ কয়েকটি হাটে গিয়ে দেখা যায়, রিকশাভ্যান ও ইজিবাইকে করে পাট নিয়ে আসছেন কৃষকেরা। পাটের মান অনুযায়ী দরদাম করছেন কৃষক ও ব্যবসায়ীরা।

উপজেলার খয়েরবাড়ী ইউনিয়নের মোক্তারপুর গ্রামের কৃষক এক বিঘা জমিতে পাট চাষ করেছিলেন। ওই জমি থেকে ৮ মণ পাট পেয়েছেন। খরচ হয়েছে প্রায় ১৩ হাজার টাকা। ৩ হাজার ৯০০ টাকা মণ দরে পাট বিক্রি করেছেন ৩১ হাজার ২০০ টাকায়। এতে তার লাভ হয়েছে ১৮ হাজার ২০০ টাকা। 

একই গ্রামের কৃষক মঈনুল ইসলাম বলেন, গত কয়েক বছর পাটের ফলন তেমন ভালো হয়নি। পাট চাষ করে লোকসান হচ্ছিল। তবে এ বছর ফলন ও দাম দুটিই ভালো পেয়েছেন। এক বিঘা জমিতে তোষা জাতের পাট চাষ করে ১৯ হাজার টাকা লাভ হয়েছে।

আলু চাষের ক্ষতি পাট দিয়ে কিছুটা পুষিয়ে নেওয়ার আশা করছেন কৃষকেরা। উপজেলার দৌলতপুর ইউনিয়নের হড়হড়িয়াপাড়া গ্রামের কৃষক মতিউর রহমান বলেন, আলু চাষে লোকসান গুনে ২০ শতক জমিতে পাট চাষ চাষ করেছেন। এবার পাটে আলুর কিছুটা ক্ষতি পুষিয়ে নিতে পারবেন।

পাটের আড়তদার শান্ত কুমার কুন্ডু বলেন, পাটের বাজার ভালো রয়েছে। বর্তমানে মানভেদে প্রতি মণ পাট ৩ হাজার ৯০০ থেকে ৪ হাজার টাকা পর্যন্ত আড়তে বেচাকেনা হচ্ছে। এতে এ বছর পাট চাষিরা লাভবান হচ্ছেন। এ বছর লাভ হওয়ায় আগামী সৌমুমে উপজেলায় পাটের আবাদ আরও বাড়বে বলে আশা করছেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ সাইফ আব্দুল্লাহ মোস্তাফিন।

তিনি বলেন, এ বছর পাট চাষের জন্য আবহাওয়া অনুকূলে ছিল। সময়মতো বৃষ্টিপাত হওয়ায় ফলন ভালো হয়েছে। জাগ দেওয়ার ক্ষেত্রেও কৃষকদের তেমন সমস্যা হয়নি। ভালো বাজারদরের কারণে কৃষকেরা লাভবান হচ্ছেন

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

ফুলবাড়ীতে পাটের ফলন ও দাম দুই-ই ভালো, স্বস্তিতে কৃষকেরা
0:00 0:00
1.0x
দৈনিক সমাবেশ

শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬


ফুলবাড়ীতে পাটের ফলন ও দাম দুই-ই ভালো, স্বস্তিতে কৃষকেরা

প্রকাশের তারিখ : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

গত কয়েক বছর পাটের ফলন ও বাজারদর নিয়ে হতাশ ছিলেন দিনাজপুরের ফুলবাড়ী উপজেলার কৃষকেরা। এ বছর সময় মতো বৃষ্টিপাত ও আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ফলন ভালো হয়েছে। বাজারেও মিলছে ভালো দাম।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, চলতি মৌসুমে ৬০ হেক্টর জমিতে পাট চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। শেষ পর্যন্ত আবাদও হয়েছে সমপরিমাণ জমিতে। এতে উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১১১ মেট্রিক টন বা ৬০৮ বেল পাট। এ বছর সিভিএল-১ ও ৯৮৯৭ এই দুই জাতের পাট আবাদ করা হয়েছে উপজেলায়। এরই মধ্যে ৯০ শতাংশ জমির পাট কাটা শেষ করে ফেলেছেন কৃষক। কৃষি বিভাগের হিসাবে কাটা জমি থেকেই উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার কাছাকাছি পাট পাওয়া গেছে। এখনও অবশিষ্ট ১০ ভাগ জমির পাট কাটা বাকি রয়েছে। 

উপজেলার বিভিন্ন হাটবাজারে মানভেদে প্রতি মণ পাট ৩ হাজান ৯০০ থেকে ৪ হাজার টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। কৃষকদের হিসাবে, এক বিঘা জমিতে পাট চাষে সর্বোচ্চ ১২ হাজার টাকা খরচ হয়। ফলন হয় ৮ থেকে ১০ মণ পাট। বর্তমান বাজারদরে ওই পাট বিক্রি করে ৩০ থেকে ৪০ হাজার টাকা পাওয়া যাচ্ছে। খরচ বাদ দিয়ে লাভ থাকছে ১৮ থেকে ৩০ হাজার টাকা। অবশ্য ফলন, পাটের মান ও দামের ওপর লাভের পরিমাণ কমবেশি হয়। 

উপজেলার আটপুকুরহাটসহ কয়েকটি হাটে গিয়ে দেখা যায়, রিকশাভ্যান ও ইজিবাইকে করে পাট নিয়ে আসছেন কৃষকেরা। পাটের মান অনুযায়ী দরদাম করছেন কৃষক ও ব্যবসায়ীরা।

উপজেলার খয়েরবাড়ী ইউনিয়নের মোক্তারপুর গ্রামের কৃষক এক বিঘা জমিতে পাট চাষ করেছিলেন। ওই জমি থেকে ৮ মণ পাট পেয়েছেন। খরচ হয়েছে প্রায় ১৩ হাজার টাকা। ৩ হাজার ৯০০ টাকা মণ দরে পাট বিক্রি করেছেন ৩১ হাজার ২০০ টাকায়। এতে তার লাভ হয়েছে ১৮ হাজার ২০০ টাকা। 

একই গ্রামের কৃষক মঈনুল ইসলাম বলেন, গত কয়েক বছর পাটের ফলন তেমন ভালো হয়নি। পাট চাষ করে লোকসান হচ্ছিল। তবে এ বছর ফলন ও দাম দুটিই ভালো পেয়েছেন। এক বিঘা জমিতে তোষা জাতের পাট চাষ করে ১৯ হাজার টাকা লাভ হয়েছে।

আলু চাষের ক্ষতি পাট দিয়ে কিছুটা পুষিয়ে নেওয়ার আশা করছেন কৃষকেরা। উপজেলার দৌলতপুর ইউনিয়নের হড়হড়িয়াপাড়া গ্রামের কৃষক মতিউর রহমান বলেন, আলু চাষে লোকসান গুনে ২০ শতক জমিতে পাট চাষ চাষ করেছেন। এবার পাটে আলুর কিছুটা ক্ষতি পুষিয়ে নিতে পারবেন।

পাটের আড়তদার শান্ত কুমার কুন্ডু বলেন, পাটের বাজার ভালো রয়েছে। বর্তমানে মানভেদে প্রতি মণ পাট ৩ হাজার ৯০০ থেকে ৪ হাজার টাকা পর্যন্ত আড়তে বেচাকেনা হচ্ছে। এতে এ বছর পাট চাষিরা লাভবান হচ্ছেন। এ বছর লাভ হওয়ায় আগামী সৌমুমে উপজেলায় পাটের আবাদ আরও বাড়বে বলে আশা করছেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ সাইফ আব্দুল্লাহ মোস্তাফিন।

তিনি বলেন, এ বছর পাট চাষের জন্য আবহাওয়া অনুকূলে ছিল। সময়মতো বৃষ্টিপাত হওয়ায় ফলন ভালো হয়েছে। জাগ দেওয়ার ক্ষেত্রেও কৃষকদের তেমন সমস্যা হয়নি। ভালো বাজারদরের কারণে কৃষকেরা লাভবান হচ্ছেন


দৈনিক সমাবেশ

প্রকাশকঃ মো: রবিউল ইসলাম ।
সম্পাদকঃ নিজামুল হক ।
নির্বাহী সম্পাদকঃ মোঃ রফিকুল ইসলাম ।
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: 2/2-c পুরানা পল্টন, ঢাকা-১০০০।
ই-মেইল: dainiksomabesh@gmail.com
টেলিফোনঃ 02226638261 মোবাইলঃ +880 1408-350003
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক সমাবেশ