নিরীক্ষা, গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর, মূল্য সংযোজন কর, ঢাকার ০২ (দুই) টি প্রিভেন্টিভ টিম ১৬/০৯/২০২৬ খ্রি. তারিখে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সরকারি রাজস্ব সুরক্ষা ও তামাকজাত পণ্যের অবৈধ বাজারজাকরণ প্রতিরোধে রাজধানীর মোহাম্মদপুরে ০২ (দুই) টি আবাসিক ভবন এ বাড়ী-১৪০, রোড-৫, পিসি কালচার হাউজিং, শ্যামলী, মোহাম্মদপুর, ঢাকা এবং ৩৭/৮, জয়েন্ট কোয়াটার, ব্লক-এফ, মোহাম্মদপুর, ঢাকা-১২০৭, জহুরী মহল্লায় আকস্মিক অভিযান চালায়।
সোর্সের দেওয়া তথ্যানুযায়ী গোয়েন্দা দল মোহাম্মদপুরের ০২ (দুই) টি আবাসিক ভবনে সকাল ১১:০০ ঘটিকায় টার্গেট লোকেশনে পৌঁছায়। অতপর তারা একযোগে দুইটি আবাসিক ভবনে প্রবেশ করে। অভিযান চলাকালে গোডাউন ০২ (দুই) টি বন্ধ পাওয়া যায়। পরবর্তীতে ভবনের দারোয়ানের সহযোগিতায় গোপন গোডাউন চিহ্নিত করা হয়।
গোডাউন মালিককে খুঁজে না পেয়ে ভবন মালিকের সহযোগিতা নেওয়া হয়। কোনভাবে চাবি সংগ্রহ করতে না পেরে ভবন মালিকের সহায়তায় বাইরে থেকে মিস্ত্রি ডেকে গোডাউনের তালা ভেঙ্গে প্রবেশ করে বিপুল পরিমাণ বিদেশী সিগারেট বস্তাভরে গুদামজাত অবস্থায় পাওয়া যায়। গোয়েন্দা দল সেগুলো বের করে ইনভেন্ট্রি করে একটি গুদামে Patron Nano-২,০২,২০০ শলাকা, Mond Strawberry-১০,০০০ শলাকা, Mond Silver-১৬,৬০০ শলাকা, Oris Nano-২৬,৪০০ শলাকা এবং অপর গুদামে Orbit, Mond, Patron, Oris-৬১,২০০ শলাকাসহ মোট ৩,১৬,৪০০ শলাকা বিদেশী সিগারেট উদ্ধার করে যার বাজারমূল্য আনুমানিক ৩৫ লক্ষ টাকা এবং মূসক, সম্পূরক শুল্ক ও সারচার্জ বাবদ সরকারের রাজস্ব প্রায় ৩০ লক্ষ টাকা। রাষ্ট্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ গোয়েন্দা সংস্থার সহাযোগিতায় এই চোরাচালান চক্রটিকে হাতেনাতে ধরার প্রচেষ্টা চলছে। এই চক্রটি ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় অবৈধভাবে বিদেশী নকল সিগারেট সরবরাহ করছে।
গোয়েন্দা দল স্থানীয় লোকজনের সাথে আলোচনা করে জানতে পারে যে গোডাউন দুটি ভিন্ন ঠিকানায় হলেও প্রকৃত মালিক একই ব্যক্তি। লোকটি ডিলারশিপ ব্যবসা করবে বলে ভাড়া নেয়। কি পণ্যের ব্যবসা করেন তা ভবন মালিক জানতেন না। গোডাউন হওয়ায় অধিকাংশ সময় দিনের বেলায় এটি বন্ধ থাকে এবং তাদের কার্যক্রম বেশি চোখে পড়েনা। ভবনের দারোয়ানের সাথে কথা বলে জানা যায়, বেশিরভাগ সময় রাতের বেলা মালামাল নিয়ে আসে এবং পার্সেল করে কুরিয়ারের মাধ্যমে বিভিন্ন যায়গায় মালামাল পাঠায়। ভিতরে কি মাল থাকে তা তিনি জানেন না। গোডাউন মালিক সবাইকে বৈধ মালের ব্যবসা করেন বলে জানান তাই কেউ তাকে সন্দেহ করেনি। ভবন মালিক জানান বৈধ ব্যবসার জন্য গোডাউন ভাড়া দিয়েছি কিন্তু সে অবৈধ মালের ব্যবসা করে এটা জানতাম না। ভবিষ্যতে গোডাউন ভাড়া দেওয়ার বিষয়ে সতর্ক থাকবেন বলে গোয়েন্দা দলকে নিশ্চিত করেন।
আটককৃত সিগারেটসমূহ অবৈধ বিধায় তা জব্দ করে নিকটস্থ কাস্টমস গুদামে জমা দেওয়া হয়েছে। যেহেতু পূর্বানুমতি এবং বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতি ছাড়া বিদেশী সিগারেট আমদানি করা যায় না তাই অবৈধ সিগারেটসমূহ পরবতীতে বিধি মোতাবেক ধ্বংস করা হবে। এ বিষয়ে মামলা দায়েরসহ আইনানুগ কার্যক্রম গ্রহণ করা হচ্ছে।
সরকারি রাজস্ব সুরক্ষা, তামাকজাত পণ্যের অবৈধ উৎপাদন ও বাজারজাতকরণ প্রতিরোধ এবং জাল স্ট্যাম্প/ব্যান্ডরোল ব্যবহারের মাধ্যমে রাজস্ব ফাঁকি বন্ধে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের নির্দেশনা অনুযায়ী দেশব্যাপী নিরীক্ষা, গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর, মূল্য সংযোজন কর, ঢাকা-এর অভিযান ও কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নিরীক্ষা, গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর, মূল্য সংযোজন কর, ঢাকার ০২ (দুই) টি প্রিভেন্টিভ টিম ১৬/০৯/২০২৬ খ্রি. তারিখে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সরকারি রাজস্ব সুরক্ষা ও তামাকজাত পণ্যের অবৈধ বাজারজাকরণ প্রতিরোধে রাজধানীর মোহাম্মদপুরে ০২ (দুই) টি আবাসিক ভবন এ বাড়ী-১৪০, রোড-৫, পিসি কালচার হাউজিং, শ্যামলী, মোহাম্মদপুর, ঢাকা এবং ৩৭/৮, জয়েন্ট কোয়াটার, ব্লক-এফ, মোহাম্মদপুর, ঢাকা-১২০৭, জহুরী মহল্লায় আকস্মিক অভিযান চালায়।
সোর্সের দেওয়া তথ্যানুযায়ী গোয়েন্দা দল মোহাম্মদপুরের ০২ (দুই) টি আবাসিক ভবনে সকাল ১১:০০ ঘটিকায় টার্গেট লোকেশনে পৌঁছায়। অতপর তারা একযোগে দুইটি আবাসিক ভবনে প্রবেশ করে। অভিযান চলাকালে গোডাউন ০২ (দুই) টি বন্ধ পাওয়া যায়। পরবর্তীতে ভবনের দারোয়ানের সহযোগিতায় গোপন গোডাউন চিহ্নিত করা হয়।
গোডাউন মালিককে খুঁজে না পেয়ে ভবন মালিকের সহযোগিতা নেওয়া হয়। কোনভাবে চাবি সংগ্রহ করতে না পেরে ভবন মালিকের সহায়তায় বাইরে থেকে মিস্ত্রি ডেকে গোডাউনের তালা ভেঙ্গে প্রবেশ করে বিপুল পরিমাণ বিদেশী সিগারেট বস্তাভরে গুদামজাত অবস্থায় পাওয়া যায়। গোয়েন্দা দল সেগুলো বের করে ইনভেন্ট্রি করে একটি গুদামে Patron Nano-২,০২,২০০ শলাকা, Mond Strawberry-১০,০০০ শলাকা, Mond Silver-১৬,৬০০ শলাকা, Oris Nano-২৬,৪০০ শলাকা এবং অপর গুদামে Orbit, Mond, Patron, Oris-৬১,২০০ শলাকাসহ মোট ৩,১৬,৪০০ শলাকা বিদেশী সিগারেট উদ্ধার করে যার বাজারমূল্য আনুমানিক ৩৫ লক্ষ টাকা এবং মূসক, সম্পূরক শুল্ক ও সারচার্জ বাবদ সরকারের রাজস্ব প্রায় ৩০ লক্ষ টাকা। রাষ্ট্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ গোয়েন্দা সংস্থার সহাযোগিতায় এই চোরাচালান চক্রটিকে হাতেনাতে ধরার প্রচেষ্টা চলছে। এই চক্রটি ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় অবৈধভাবে বিদেশী নকল সিগারেট সরবরাহ করছে।
গোয়েন্দা দল স্থানীয় লোকজনের সাথে আলোচনা করে জানতে পারে যে গোডাউন দুটি ভিন্ন ঠিকানায় হলেও প্রকৃত মালিক একই ব্যক্তি। লোকটি ডিলারশিপ ব্যবসা করবে বলে ভাড়া নেয়। কি পণ্যের ব্যবসা করেন তা ভবন মালিক জানতেন না। গোডাউন হওয়ায় অধিকাংশ সময় দিনের বেলায় এটি বন্ধ থাকে এবং তাদের কার্যক্রম বেশি চোখে পড়েনা। ভবনের দারোয়ানের সাথে কথা বলে জানা যায়, বেশিরভাগ সময় রাতের বেলা মালামাল নিয়ে আসে এবং পার্সেল করে কুরিয়ারের মাধ্যমে বিভিন্ন যায়গায় মালামাল পাঠায়। ভিতরে কি মাল থাকে তা তিনি জানেন না। গোডাউন মালিক সবাইকে বৈধ মালের ব্যবসা করেন বলে জানান তাই কেউ তাকে সন্দেহ করেনি। ভবন মালিক জানান বৈধ ব্যবসার জন্য গোডাউন ভাড়া দিয়েছি কিন্তু সে অবৈধ মালের ব্যবসা করে এটা জানতাম না। ভবিষ্যতে গোডাউন ভাড়া দেওয়ার বিষয়ে সতর্ক থাকবেন বলে গোয়েন্দা দলকে নিশ্চিত করেন।
আটককৃত সিগারেটসমূহ অবৈধ বিধায় তা জব্দ করে নিকটস্থ কাস্টমস গুদামে জমা দেওয়া হয়েছে। যেহেতু পূর্বানুমতি এবং বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতি ছাড়া বিদেশী সিগারেট আমদানি করা যায় না তাই অবৈধ সিগারেটসমূহ পরবতীতে বিধি মোতাবেক ধ্বংস করা হবে। এ বিষয়ে মামলা দায়েরসহ আইনানুগ কার্যক্রম গ্রহণ করা হচ্ছে।
সরকারি রাজস্ব সুরক্ষা, তামাকজাত পণ্যের অবৈধ উৎপাদন ও বাজারজাতকরণ প্রতিরোধ এবং জাল স্ট্যাম্প/ব্যান্ডরোল ব্যবহারের মাধ্যমে রাজস্ব ফাঁকি বন্ধে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের নির্দেশনা অনুযায়ী দেশব্যাপী নিরীক্ষা, গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর, মূল্য সংযোজন কর, ঢাকা-এর অভিযান ও কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

মতামত