ফেনী শহরের মহিপাল এলাকায় দাবীকৃত চাঁদা না পেয়ে এক প্রবাসীর কলোনির ভাড়া তুলে নিলেন কথিত যুবদল নেতা জাফর।
এ বিষয়ে বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) রাতে প্রবাসীর স্ত্রী মনোয়ারা বেগম বাদী হয়ে ফেনী মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ফেনী পৌরসভার ১১ নং ওয়ার্ড চাড়িপুরের মহিপাল চৌধুরী বাড়ি সংলগ্ন এলাকায় স্ত্রীর নামে ৬.২৫ শতক জায়গা কিনেন প্রবাসী রবিউল হক।
সারা জীবনের অর্জিত আয় ও সহায় সম্বল বিক্রি করে বাড়ি করার জন্য ২০২৩ সালে ১২টি সেমিপাকা রুমসহ মহিপাল চৌধুরী বাড়ির শাহেদ চৌধুরীর কাছ থেকে কলোনীটি কিনে নেন প্রবাসী রবিউল। এ দীর্ঘ সময় জায়গাটি তিনি ভোগ দখলে আছেন। এদিকে গত এক মাস আগে থেকে নিজেকে নির্যাতিত যুবদল নেতা দাবী করে দলবল নিয়ে প্রবাসীর স্ত্রীর কাছে চাঁদা দাবী করে আসছেন ঐ এলাকার মোঃ ইলিয়াসের ছেলে মোঃ জাফর। দাবীকৃত চাঁদা না পেয়ে একদল সন্ত্রাসী নিয়ে হুমকি ও ভয় দেখিয়ে রবিউলের কলোনীর ৯ জন ভাড়াটিয়ার কাছ থেকে ২৭ হাজার টাকা চাঁদা আদায় করেন জাফর। নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন ভাড়াটিয়া জানান, জাফর গত একমাস ধরে কলোনির মালিককে না দিয়ে তাকে ভাড়া দেয়ার জন্য তাদের ভয়ভীতি ও গালমন্দ করে যাচ্ছেন।
স্থানীয়রা জানান, ভাসমান টোকাই, ছিনতাইকারী ও ছিঁচকে চোর নিয়ে জাফর চাড়িপুর এলাকায় একটি চাঁদাবাজ গ্রুপ তৈরি করেছেন। তাদের সহায়তায় চাড়িপুরে সন্ত্রাস আর চাঁদাবাজির রাজত্ব কায়েম করেছেন তিনি।
জুলাই ২৪ এর আগে কেউ তার নাম না শুনলেও এখন তিনি দুর্ধর্ষ ও নির্যাতিত যুবদল নেতা। তার এসব কর্মকান্ডে ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বিএনপি নেতা শাহীন। জাফর দলের কোন পদে নেই বলে নিশ্চিত করেছেন পৌর যুবদলের একাধিক নেতা। তবে তিনি পৌর বিএনপির এক নেতার নাম বিক্রি করে চলেন বলে স্থানীয়রা নিশ্চিত করেছেন।
প্রবাসীর কলোনীর ভাড়াটিয়াদের কাছ থেকে টাকা তুলেছেন জানিয়ে জাফর বলেন, সেখানে ৫৫ শতক আন্দরে ১.৭০ শতক জায়গার ওয়ারিশ সূত্রে তিনি মালিক। তার কাছে মালিকানার কাগজপত্র আছে যা তিনি ফেনী কোর্টের এক আইনজীবির কাছে জমা দিয়েছেন।
এ বিষয়ে জায়গাটির পূর্বের মালিক শাহেদ চৌধুরী জানান, প্রবাসী রবিউলের ৬.২৫ শতক জায়গায় জাফরের কোন মালিকানা নাই। এছাড়া তার বাবা একটি দলিলের মাধ্যমে এ এলাকায় তার কোন জায়গা নাই বলে স্বীকারোক্তি দিয়েছেন। তারপরও জাফর কিভাবে জায়গার মালিকানা দাবী করছেন তা তিনি অবগত নন।
এদিকে জাফরের চাঁদাবাজির বিষয়টি নিউজ না করতে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে ৪/৫টি নম্বর থেকে ফোন করে অনুরোধ করা হয়েছে। অফিসে এসে দেখা করার আশ্বাসও দিয়েছেন তারা। জাফর প্রতিবেদককে ম্যানেজ করতে মরিয়া হয়ে ব্যাপক তদবির চালায়।

শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ফেনী শহরের মহিপাল এলাকায় দাবীকৃত চাঁদা না পেয়ে এক প্রবাসীর কলোনির ভাড়া তুলে নিলেন কথিত যুবদল নেতা জাফর।
এ বিষয়ে বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) রাতে প্রবাসীর স্ত্রী মনোয়ারা বেগম বাদী হয়ে ফেনী মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ফেনী পৌরসভার ১১ নং ওয়ার্ড চাড়িপুরের মহিপাল চৌধুরী বাড়ি সংলগ্ন এলাকায় স্ত্রীর নামে ৬.২৫ শতক জায়গা কিনেন প্রবাসী রবিউল হক।
সারা জীবনের অর্জিত আয় ও সহায় সম্বল বিক্রি করে বাড়ি করার জন্য ২০২৩ সালে ১২টি সেমিপাকা রুমসহ মহিপাল চৌধুরী বাড়ির শাহেদ চৌধুরীর কাছ থেকে কলোনীটি কিনে নেন প্রবাসী রবিউল। এ দীর্ঘ সময় জায়গাটি তিনি ভোগ দখলে আছেন। এদিকে গত এক মাস আগে থেকে নিজেকে নির্যাতিত যুবদল নেতা দাবী করে দলবল নিয়ে প্রবাসীর স্ত্রীর কাছে চাঁদা দাবী করে আসছেন ঐ এলাকার মোঃ ইলিয়াসের ছেলে মোঃ জাফর। দাবীকৃত চাঁদা না পেয়ে একদল সন্ত্রাসী নিয়ে হুমকি ও ভয় দেখিয়ে রবিউলের কলোনীর ৯ জন ভাড়াটিয়ার কাছ থেকে ২৭ হাজার টাকা চাঁদা আদায় করেন জাফর। নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন ভাড়াটিয়া জানান, জাফর গত একমাস ধরে কলোনির মালিককে না দিয়ে তাকে ভাড়া দেয়ার জন্য তাদের ভয়ভীতি ও গালমন্দ করে যাচ্ছেন।
স্থানীয়রা জানান, ভাসমান টোকাই, ছিনতাইকারী ও ছিঁচকে চোর নিয়ে জাফর চাড়িপুর এলাকায় একটি চাঁদাবাজ গ্রুপ তৈরি করেছেন। তাদের সহায়তায় চাড়িপুরে সন্ত্রাস আর চাঁদাবাজির রাজত্ব কায়েম করেছেন তিনি।
জুলাই ২৪ এর আগে কেউ তার নাম না শুনলেও এখন তিনি দুর্ধর্ষ ও নির্যাতিত যুবদল নেতা। তার এসব কর্মকান্ডে ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বিএনপি নেতা শাহীন। জাফর দলের কোন পদে নেই বলে নিশ্চিত করেছেন পৌর যুবদলের একাধিক নেতা। তবে তিনি পৌর বিএনপির এক নেতার নাম বিক্রি করে চলেন বলে স্থানীয়রা নিশ্চিত করেছেন।
প্রবাসীর কলোনীর ভাড়াটিয়াদের কাছ থেকে টাকা তুলেছেন জানিয়ে জাফর বলেন, সেখানে ৫৫ শতক আন্দরে ১.৭০ শতক জায়গার ওয়ারিশ সূত্রে তিনি মালিক। তার কাছে মালিকানার কাগজপত্র আছে যা তিনি ফেনী কোর্টের এক আইনজীবির কাছে জমা দিয়েছেন।
এ বিষয়ে জায়গাটির পূর্বের মালিক শাহেদ চৌধুরী জানান, প্রবাসী রবিউলের ৬.২৫ শতক জায়গায় জাফরের কোন মালিকানা নাই। এছাড়া তার বাবা একটি দলিলের মাধ্যমে এ এলাকায় তার কোন জায়গা নাই বলে স্বীকারোক্তি দিয়েছেন। তারপরও জাফর কিভাবে জায়গার মালিকানা দাবী করছেন তা তিনি অবগত নন।
এদিকে জাফরের চাঁদাবাজির বিষয়টি নিউজ না করতে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে ৪/৫টি নম্বর থেকে ফোন করে অনুরোধ করা হয়েছে। অফিসে এসে দেখা করার আশ্বাসও দিয়েছেন তারা। জাফর প্রতিবেদককে ম্যানেজ করতে মরিয়া হয়ে ব্যাপক তদবির চালায়।

মতামত