দৈনিক সমাবেশ
প্রকাশ : সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬

যথাযোগ্য মর্যাদায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শোক দিবস পালিত

যথাযোগ্য মর্যাদায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শোক দিবস পালিত

নারীর ক্ষমতায়নে শুধু প্রশিক্ষণ নয়, পরিবারকেও সম্পৃক্ত করতে হবে: প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী

নারীর ক্ষমতায়নে শুধু প্রশিক্ষণ নয়, পরিবারকেও সম্পৃক্ত করতে হবে: প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী

ভাষাদক্ষতা ও কারিগরি জ্ঞানের সমন্বয়েই এগোবে বাংলাদেশের অর্থনীতি: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ

ভাষাদক্ষতা ও কারিগরি জ্ঞানের সমন্বয়েই এগোবে বাংলাদেশের অর্থনীতি: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ

সঠিক ন্যারেটিভ প্রতিষ্ঠা ও সমঅধিকারভিত্তিক সমাজ গড়তে সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ

সঠিক ন্যারেটিভ প্রতিষ্ঠা ও সমঅধিকারভিত্তিক সমাজ গড়তে সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ

রাত ৮টার পর একাদশে ভর্তির প্রথম ধাপের ফল প্রকাশ

রাত ৮টার পর একাদশে ভর্তির প্রথম ধাপের ফল প্রকাশ

বৃত্তি-উপবৃত্তিতে ‘সমতা’ নয়, প্রয়োজনের ভিত্তিতে অগ্রাধিকার: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ

বৃত্তি-উপবৃত্তিতে ‘সমতা’ নয়, প্রয়োজনের ভিত্তিতে অগ্রাধিকার: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ

বাংলা-ইংরেজি মাধ্যমের কারিকুলামে সামঞ্জস্য আনা হবে -- প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ

বাংলা-ইংরেজি মাধ্যমের কারিকুলামে সামঞ্জস্য আনা হবে -- প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ

স্কুল ফিডিং পুষ্টি সহায়তার পাশাপাশি সুশাসনেরও পরীক্ষা: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ

স্কুল ফিডিং পুষ্টি সহায়তার পাশাপাশি সুশাসনেরও পরীক্ষা: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ

নারীর ক্ষমতায়নে শুধু প্রশিক্ষণ নয়, পরিবারকেও সম্পৃক্ত করতে হবে: প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী

নারীর ক্ষমতায়নে শুধু প্রশিক্ষণ নয়, পরিবারকেও সম্পৃক্ত করতে হবে: প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী

নারীর টেকসই ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করতে শুধু পেশাগত প্রশিক্ষণ প্রদান বা কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি যথেষ্ট নয়,এর সঙ্গে ব্যক্তিগত আত্মবিশ্বাস, যোগাযোগদক্ষতা, অধিকার সম্পর্কে সচেতনতা এবং পারিবারিক ও সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী।

আজ রাজধানীর বনানীর শেরাটন হোটেলে কোরিয়া ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (কোইকা—KOICA) ও ইউনিসেফের যৌথ উদ্যোগে বাস্তবায়িত প্রকল্পের সমাপনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। ‘হার স্কিলস, হার ফিউচার’ (Her Skills, Her Future) শীর্ষক এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির  বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন ।প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার বাইরে থাকা কিশোরী ও তরুণীদের শ্রমবাজারের চাহিদাভিত্তিক পেশাগত ও জীবনমুখী দক্ষতা উন্নয়ন এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির মাধ্যমে তাঁদের আত্মনির্ভরশীল করে তোলাই ছিল এ প্রকল্পের মূল লক্ষ্য।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার বাইরে থাকা কিশোরী ও তরুণীদের দক্ষতা উন্নয়নের কর্মসূচি প্রণয়নের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সামাজিক ও অর্থনৈতিক বাস্তবতাকে বিবেচনায় নিতে হবে। আমাদের সমাজে একজন নারীকে তাঁর পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন করে বিবেচনা করার সুযোগ নেই। বিশেষ করে গ্রামীণ ও অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে থাকা জনগোষ্ঠীর নারীদের ক্ষমতায়নের জন্য তাঁদের পরিবারকে সম্পৃক্ত করে কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে। পরিবারকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করতে পারলে নারীর ব্যক্তিগত সক্ষমতা ও অর্থনৈতিক স্বাধীনতা অর্জনের পথ আরও সুগম হবে।

তিনি বলেন, নারীর ক্ষমতায়নকে কেবল একটি সাধারণ ধারণা হিসেবে দেখলে হবে না। ব্যক্তিগত ক্ষমতায়ন, শিক্ষাগত ক্ষমতায়ন ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নের বিষয়গুলো আলাদাভাবে চিহ্নিত করে সেগুলোর সমন্বয়ে কার্যকর কর্মসূচি তৈরি করতে হবে। একজন নারীকে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করার আগে তাঁর আত্মবিশ্বাস, নিজের অধিকার সম্পর্কে ধারণা এবং জীবনের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার সক্ষমতা তৈরি করাও জরুরি।

যোগাযোগদক্ষতার গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, নিজের দক্ষতা ও সম্ভাবনাকে যথাযথভাবে প্রকাশ করতে পারা একটি গুরুত্বপূর্ণ সক্ষমতা। একজন নারী তাঁর কাজ, পণ্য বা সেবার গুণাগুণ অন্যের কাছে কার্যকরভাবে তুলে ধরতে পারলে কর্মসংস্থান ও উদ্যোক্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার সুযোগ বাড়ে। তাই নারীদের দক্ষতা উন্নয়নের কর্মসূচিতে যোগাযোগদক্ষতা ও আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধির বিষয়গুলোকে বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে।


বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, অনেক ক্ষেত্রে পরিবারের নিরাপত্তাসংক্রান্ত উদ্বেগ, সামাজিক চাপ এবং অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা থেকে মেয়েদের অল্প বয়সে বিয়ে দেওয়ার প্রবণতা তৈরি হয়। এসব বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে পরিবারগুলোর দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তনে কাজ করতে হবে। মেয়েদের শিক্ষা, দক্ষতা অর্জন ও অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হওয়ার সুযোগ বাড়ানো গেলে তাঁরা নিজেদের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে আরও সক্ষম হয়ে উঠবেন।

তিনি আরও বলেন, নারীর ক্ষমতায়নে আইনগত সুরক্ষা ও সচেতনতার পাশাপাশি অর্থনৈতিক সক্ষমতা বৃদ্ধির ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কর্মসংস্থান ও আয়মূলক কর্মকাণ্ডে নারীর অংশগ্রহণ তাঁদের পরিবার ও সমাজে অবস্থান শক্তিশালী করতে সহায়তা করে। তাই বাল্যবিবাহ প্রতিরোধসহ নারীর অধিকার প্রতিষ্ঠার উদ্যোগগুলোকে শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নের সঙ্গে সমন্বিত করতে হবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, নারীদের জন্য উন্নয়ন কর্মসূচি প্রণয়নের ক্ষেত্রে তাঁদের বাস্তব প্রয়োজন ও সীমাবদ্ধতা বুঝতে হবে। বিশেষ করে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা থেকে ঝরে পড়া কিশোরী ও তরুণীদের জন্য এমন কর্মসূচি তৈরি করতে হবে, যাতে তাঁরা নিজেদের সক্ষমতা বিকাশের পাশাপাশি পরিবার ও সমাজের সহযোগিতাও পান। এ ক্ষেত্রে সরকারের পাশাপাশি উন্নয়ন সহযোগী, বেসরকারি সংস্থা ও গণমাধ্যমের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।

ইউনিসেফ বাংলাদেশের চিফ অব এডুকেশন দীপা শঙ্করের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউনিসেফ বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন প্রতিনিধি জিলিয়ান মেলসপ এবং কোইকা বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর জিহুন কিম। অনুষ্ঠানে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

নারীর ক্ষমতায়নে শুধু প্রশিক্ষণ নয়, পরিবারকেও সম্পৃক্ত করতে হবে: প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী
0:00 0:00
1.0x
দৈনিক সমাবেশ

শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬


নারীর ক্ষমতায়নে শুধু প্রশিক্ষণ নয়, পরিবারকেও সম্পৃক্ত করতে হবে: প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশের তারিখ : ১২ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

নারীর টেকসই ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করতে শুধু পেশাগত প্রশিক্ষণ প্রদান বা কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি যথেষ্ট নয়,এর সঙ্গে ব্যক্তিগত আত্মবিশ্বাস, যোগাযোগদক্ষতা, অধিকার সম্পর্কে সচেতনতা এবং পারিবারিক ও সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী।

আজ রাজধানীর বনানীর শেরাটন হোটেলে কোরিয়া ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (কোইকা—KOICA) ও ইউনিসেফের যৌথ উদ্যোগে বাস্তবায়িত প্রকল্পের সমাপনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। ‘হার স্কিলস, হার ফিউচার’ (Her Skills, Her Future) শীর্ষক এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির  বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন ।প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার বাইরে থাকা কিশোরী ও তরুণীদের শ্রমবাজারের চাহিদাভিত্তিক পেশাগত ও জীবনমুখী দক্ষতা উন্নয়ন এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির মাধ্যমে তাঁদের আত্মনির্ভরশীল করে তোলাই ছিল এ প্রকল্পের মূল লক্ষ্য।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার বাইরে থাকা কিশোরী ও তরুণীদের দক্ষতা উন্নয়নের কর্মসূচি প্রণয়নের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সামাজিক ও অর্থনৈতিক বাস্তবতাকে বিবেচনায় নিতে হবে। আমাদের সমাজে একজন নারীকে তাঁর পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন করে বিবেচনা করার সুযোগ নেই। বিশেষ করে গ্রামীণ ও অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে থাকা জনগোষ্ঠীর নারীদের ক্ষমতায়নের জন্য তাঁদের পরিবারকে সম্পৃক্ত করে কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে। পরিবারকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করতে পারলে নারীর ব্যক্তিগত সক্ষমতা ও অর্থনৈতিক স্বাধীনতা অর্জনের পথ আরও সুগম হবে।

তিনি বলেন, নারীর ক্ষমতায়নকে কেবল একটি সাধারণ ধারণা হিসেবে দেখলে হবে না। ব্যক্তিগত ক্ষমতায়ন, শিক্ষাগত ক্ষমতায়ন ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নের বিষয়গুলো আলাদাভাবে চিহ্নিত করে সেগুলোর সমন্বয়ে কার্যকর কর্মসূচি তৈরি করতে হবে। একজন নারীকে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করার আগে তাঁর আত্মবিশ্বাস, নিজের অধিকার সম্পর্কে ধারণা এবং জীবনের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার সক্ষমতা তৈরি করাও জরুরি।

যোগাযোগদক্ষতার গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, নিজের দক্ষতা ও সম্ভাবনাকে যথাযথভাবে প্রকাশ করতে পারা একটি গুরুত্বপূর্ণ সক্ষমতা। একজন নারী তাঁর কাজ, পণ্য বা সেবার গুণাগুণ অন্যের কাছে কার্যকরভাবে তুলে ধরতে পারলে কর্মসংস্থান ও উদ্যোক্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার সুযোগ বাড়ে। তাই নারীদের দক্ষতা উন্নয়নের কর্মসূচিতে যোগাযোগদক্ষতা ও আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধির বিষয়গুলোকে বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে।


বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, অনেক ক্ষেত্রে পরিবারের নিরাপত্তাসংক্রান্ত উদ্বেগ, সামাজিক চাপ এবং অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা থেকে মেয়েদের অল্প বয়সে বিয়ে দেওয়ার প্রবণতা তৈরি হয়। এসব বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে পরিবারগুলোর দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তনে কাজ করতে হবে। মেয়েদের শিক্ষা, দক্ষতা অর্জন ও অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হওয়ার সুযোগ বাড়ানো গেলে তাঁরা নিজেদের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে আরও সক্ষম হয়ে উঠবেন।

তিনি আরও বলেন, নারীর ক্ষমতায়নে আইনগত সুরক্ষা ও সচেতনতার পাশাপাশি অর্থনৈতিক সক্ষমতা বৃদ্ধির ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কর্মসংস্থান ও আয়মূলক কর্মকাণ্ডে নারীর অংশগ্রহণ তাঁদের পরিবার ও সমাজে অবস্থান শক্তিশালী করতে সহায়তা করে। তাই বাল্যবিবাহ প্রতিরোধসহ নারীর অধিকার প্রতিষ্ঠার উদ্যোগগুলোকে শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নের সঙ্গে সমন্বিত করতে হবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, নারীদের জন্য উন্নয়ন কর্মসূচি প্রণয়নের ক্ষেত্রে তাঁদের বাস্তব প্রয়োজন ও সীমাবদ্ধতা বুঝতে হবে। বিশেষ করে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা থেকে ঝরে পড়া কিশোরী ও তরুণীদের জন্য এমন কর্মসূচি তৈরি করতে হবে, যাতে তাঁরা নিজেদের সক্ষমতা বিকাশের পাশাপাশি পরিবার ও সমাজের সহযোগিতাও পান। এ ক্ষেত্রে সরকারের পাশাপাশি উন্নয়ন সহযোগী, বেসরকারি সংস্থা ও গণমাধ্যমের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।

ইউনিসেফ বাংলাদেশের চিফ অব এডুকেশন দীপা শঙ্করের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউনিসেফ বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন প্রতিনিধি জিলিয়ান মেলসপ এবং কোইকা বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর জিহুন কিম। অনুষ্ঠানে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।


দৈনিক সমাবেশ

প্রকাশকঃ মো: রবিউল ইসলাম ।
সম্পাদকঃ নিজামুল হক ।
নির্বাহী সম্পাদকঃ মোঃ রফিকুল ইসলাম ।
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: 2/2-c পুরানা পল্টন, ঢাকা-১০০০।
ই-মেইল: dainiksomabesh@gmail.com
টেলিফোনঃ 02226638261 মোবাইলঃ +880 1408-350003
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক সমাবেশ