দৈনিক সমাবেশ
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬

বাংলাদেশে বিনিয়োগ বাড়াতে আগ্রহী জাপানের মারুবেনি, সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস বাণিজ্যমন্ত্রীর

বাংলাদেশে বিনিয়োগ বাড়াতে আগ্রহী জাপানের মারুবেনি, সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস বাণিজ্যমন্ত্রীর

বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে ওষুধ ও তৈরি পোশাকের বাজার সম্প্রসারণে জোর বাণিজ্যমন্ত্রীর

বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে ওষুধ ও তৈরি পোশাকের বাজার সম্প্রসারণে জোর বাণিজ্যমন্ত্রীর

তুরস্কের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির আলোচনা এগিয়ে নিতে চান বাণিজ্যমন্ত্রী

তুরস্কের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির আলোচনা এগিয়ে নিতে চান বাণিজ্যমন্ত্রী

উৎপাদনশীলতা বাড়াতে সরকারি প্রকল্পে ওভারল্যাপিং বন্ধ করতে হবে : শিল্পমন্ত্রী

উৎপাদনশীলতা বাড়াতে সরকারি প্রকল্পে ওভারল্যাপিং বন্ধ করতে হবে : শিল্পমন্ত্রী

ব্যবসায়ীদের মতামত নিয়েই যুগোপযোগী হবে কোম্পানি আইন -- বাণিজ্যমন্ত্রী

ব্যবসায়ীদের মতামত নিয়েই যুগোপযোগী হবে কোম্পানি আইন -- বাণিজ্যমন্ত্রী

ইইউর ৬১ বাধার ৪৮টির সমাধান : বাণিজ্যমন্ত্রী

ইইউর ৬১ বাধার ৪৮টির সমাধান : বাণিজ্যমন্ত্রী

সোনামসজিদ স্থলবন্দর দিয়ে পাথর ছাড়া আমদানি প্রায় বন্ধ, রাজস্ব কমেছে ৯০ কোটি টাকা

সোনামসজিদ স্থলবন্দর দিয়ে পাথর ছাড়া আমদানি প্রায় বন্ধ, রাজস্ব কমেছে ৯০ কোটি টাকা

বিনিয়োগ ও বাণিজ্য সহজীকরণে বাংলাদেশের সঙ্গে অংশীদারত্ব জোরদার করবে ইউএনডিপি

বিনিয়োগ ও বাণিজ্য সহজীকরণে বাংলাদেশের সঙ্গে অংশীদারত্ব জোরদার করবে ইউএনডিপি

উৎপাদনশীলতা বাড়াতে সরকারি প্রকল্পে ওভারল্যাপিং বন্ধ করতে হবে : শিল্পমন্ত্রী

উৎপাদনশীলতা বাড়াতে সরকারি প্রকল্পে ওভারল্যাপিং বন্ধ করতে হবে : শিল্পমন্ত্রী

শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, দেশের উৎপাদনশীলতা বাড়াতে সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর মধ্যে ওভারল্যাপিং বা একই ধরনের কার্যক্রমের পুনরাবৃত্তি বন্ধ করতে হবে। এ জন্য এডিপির আওতায় নতুন প্রকল্প গ্রহণের আগে বিদ্যমান প্রকল্পগুলোর সঙ্গে এর উদ্দেশ্য ও কার্যক্রমের কোনো ধরনের ওভারল্যাপিং রয়েছে কি না, তা প্রযুক্তিনির্ভরভাবে যাচাই করা প্রয়োজন।

মন্ত্রী আজ শিল্প মন্ত্রণালয়ে সভাকক্ষে ন্যাশনাল প্রোডাকটিভিটি অর্গানাইজেশন (এনপিও) ও দৈনিক যুগান্তরের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত" বাংলাদেশে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি : চ্যালেঞ্জ ও ভবিষ্যৎ করণীয়" শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনায় সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন। 

শিল্পমন্ত্রী বলেন, “এনএসডি মূলত একটি রেগুলেটরি বিষয়, আর উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি একটি নীতিগত বিষয়। দুটি বিষয়কে একইভাবে দেখলে চলবে না। উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির জন্য সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের প্রকল্পে যদি একই ধরনের কার্যক্রম থাকে, তাহলে কাঙ্ক্ষিত ফলাফল অর্জন বাধাগ্রস্ত হতে পারে।”

 এডিপির নতুন প্রকল্প প্রস্তাবগুলো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI)-ভিত্তিক ব্যবস্থার মাধ্যমে যাচাই করার কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, নতুন প্রকল্প প্রস্তাব পাওয়ার পর সফটওয়্যার ব্যবহার করে একই উদ্দেশ্যে অন্য কোনো মন্ত্রণালয় বা সংস্থায় প্রকল্প চলমান আছে কি না, তা শনাক্ত করা সম্ভব হলে সরকারি ব্যয়ের দক্ষতা বাড়বে এবং অপচয় কমবে। তিনি বলেন, “সরকারি প্রকল্পে ডুপ্লিকেশন বা ওভারল্যাপিং কমানো গেলে এডিপির বাস্তবায়নে যে ধরনের অদক্ষতা তৈরি হয়, তার একটি বড় অংশ মোকাবিলা করা সম্ভব হবে।”

বিশ্ববাজারের বাস্তবতা তুলে ধরে তিনি বলেন, উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির বিষয়টি শুধু বাংলাদেশের জন্য নয়, প্রতিটি দেশের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ। কোনো পণ্য প্রতিযোগিতামূলকভাবে উৎপাদন করা না গেলে আন্তর্জাতিক বাজারে অন্য দেশ সেই বাজার দখল করবে। তাই কৃত্রিমভাবে বাজার সুরক্ষা দেওয়ার পাশাপাশি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে দেশীয় শিল্পকে প্রতিযোগিতার সক্ষমতা অর্জন করতে হবে।

তিনি বলেন, “বিশ্ব অর্থনীতির সঙ্গে বাংলাদেশের যে গভীর সংযুক্তি তৈরি হয়েছে, সেখান থেকে হঠাৎ করে বেরিয়ে আসা সম্ভব নয়। এই বৈশ্বিক প্রতিযোগিতার বাস্তবতায় বাংলাদেশের শিল্প ও অর্থনীতির স্থায়িত্ব নিশ্চিত করতে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির কোনো বিকল্প নেই।”

শিল্পমন্ত্রী বলেন, উৎপাদনশীলতা শুধু শিল্পকারখানার উৎপাদন বৃদ্ধির বিষয় নয়; এটি একটি সংস্কৃতিতে পরিণত করতে হবে। কম শ্রম ও কম সম্পদ ব্যবহার করে অধিক ও উন্নতমানের উৎপাদন নিশ্চিত করাই উৎপাদনশীলতার মূল লক্ষ্য। আধুনিক প্রযুক্তি ও যন্ত্রপাতির ব্যবহার মানুষের দৈনন্দিন জীবনেও উৎপাদনশীলতা বাড়িয়েছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাত প্রমাণ করেছে যে উচ্চশিক্ষার সুযোগ সীমিত থাকলেও প্রযুক্তি ও দক্ষতা অর্জনের সক্ষমতা থাকলে সাধারণ শ্রমিকরাও উৎপাদনশীলতা বাড়াতে পারেন। তাই “আমাদের মূল ঘাটতি শুধু দক্ষতার নয়; নেতৃত্ব, সঠিক পরিকল্পনা এবং দৃঢ় সংকল্পের ঘাটতিও উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির পথে বড় চ্যালেঞ্জ।”

শিল্পমন্ত্রী বলেন, দেশের শিল্প ও অর্থনীতিকে এগিয়ে নিতে বাস্তবভিত্তিক পরিকল্পনা, প্রযুক্তির কার্যকর ব্যবহার, দক্ষ মানবসম্পদ এবং জবাবদিহিমূলক নেতৃত্ব নিশ্চিত করতে হবে।

আলোচনায় অন্যান্যের মধ্যে শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিব আব্দুন নাসের খান, দৈনিক যুগান্তরের সম্পাদক আব্দুল হাই শিকদার, সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ(সিপিডি) এর নির্বাহী পরিচালক ড. নাজনীন আহমেদ,  বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান (বিআইডিএস) এর মহাপরিচালক ড. এ, কে, এনামুল হক, ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বারর্স অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রিজ (এফবিসিসিআই) এর প্রশাসক  মোঃ ফজলুল হক, এনপিও এর মহাপরিচালক মোহা: নায়েব আলীসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, প্রশাসনের কর্মকর্তা, ব্যবসায়ী ও সংশ্লিষ্ট খাতের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

উৎপাদনশীলতা বাড়াতে সরকারি প্রকল্পে ওভারল্যাপিং বন্ধ করতে হবে : শিল্পমন্ত্রী
0:00 0:00
1.0x
দৈনিক সমাবেশ

শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬


উৎপাদনশীলতা বাড়াতে সরকারি প্রকল্পে ওভারল্যাপিং বন্ধ করতে হবে : শিল্পমন্ত্রী

প্রকাশের তারিখ : ০১ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, দেশের উৎপাদনশীলতা বাড়াতে সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর মধ্যে ওভারল্যাপিং বা একই ধরনের কার্যক্রমের পুনরাবৃত্তি বন্ধ করতে হবে। এ জন্য এডিপির আওতায় নতুন প্রকল্প গ্রহণের আগে বিদ্যমান প্রকল্পগুলোর সঙ্গে এর উদ্দেশ্য ও কার্যক্রমের কোনো ধরনের ওভারল্যাপিং রয়েছে কি না, তা প্রযুক্তিনির্ভরভাবে যাচাই করা প্রয়োজন।

মন্ত্রী আজ শিল্প মন্ত্রণালয়ে সভাকক্ষে ন্যাশনাল প্রোডাকটিভিটি অর্গানাইজেশন (এনপিও) ও দৈনিক যুগান্তরের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত" বাংলাদেশে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি : চ্যালেঞ্জ ও ভবিষ্যৎ করণীয়" শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনায় সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন। 

শিল্পমন্ত্রী বলেন, “এনএসডি মূলত একটি রেগুলেটরি বিষয়, আর উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি একটি নীতিগত বিষয়। দুটি বিষয়কে একইভাবে দেখলে চলবে না। উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির জন্য সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের প্রকল্পে যদি একই ধরনের কার্যক্রম থাকে, তাহলে কাঙ্ক্ষিত ফলাফল অর্জন বাধাগ্রস্ত হতে পারে।”

 এডিপির নতুন প্রকল্প প্রস্তাবগুলো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI)-ভিত্তিক ব্যবস্থার মাধ্যমে যাচাই করার কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, নতুন প্রকল্প প্রস্তাব পাওয়ার পর সফটওয়্যার ব্যবহার করে একই উদ্দেশ্যে অন্য কোনো মন্ত্রণালয় বা সংস্থায় প্রকল্প চলমান আছে কি না, তা শনাক্ত করা সম্ভব হলে সরকারি ব্যয়ের দক্ষতা বাড়বে এবং অপচয় কমবে। তিনি বলেন, “সরকারি প্রকল্পে ডুপ্লিকেশন বা ওভারল্যাপিং কমানো গেলে এডিপির বাস্তবায়নে যে ধরনের অদক্ষতা তৈরি হয়, তার একটি বড় অংশ মোকাবিলা করা সম্ভব হবে।”

বিশ্ববাজারের বাস্তবতা তুলে ধরে তিনি বলেন, উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির বিষয়টি শুধু বাংলাদেশের জন্য নয়, প্রতিটি দেশের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ। কোনো পণ্য প্রতিযোগিতামূলকভাবে উৎপাদন করা না গেলে আন্তর্জাতিক বাজারে অন্য দেশ সেই বাজার দখল করবে। তাই কৃত্রিমভাবে বাজার সুরক্ষা দেওয়ার পাশাপাশি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে দেশীয় শিল্পকে প্রতিযোগিতার সক্ষমতা অর্জন করতে হবে।

তিনি বলেন, “বিশ্ব অর্থনীতির সঙ্গে বাংলাদেশের যে গভীর সংযুক্তি তৈরি হয়েছে, সেখান থেকে হঠাৎ করে বেরিয়ে আসা সম্ভব নয়। এই বৈশ্বিক প্রতিযোগিতার বাস্তবতায় বাংলাদেশের শিল্প ও অর্থনীতির স্থায়িত্ব নিশ্চিত করতে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির কোনো বিকল্প নেই।”

শিল্পমন্ত্রী বলেন, উৎপাদনশীলতা শুধু শিল্পকারখানার উৎপাদন বৃদ্ধির বিষয় নয়; এটি একটি সংস্কৃতিতে পরিণত করতে হবে। কম শ্রম ও কম সম্পদ ব্যবহার করে অধিক ও উন্নতমানের উৎপাদন নিশ্চিত করাই উৎপাদনশীলতার মূল লক্ষ্য। আধুনিক প্রযুক্তি ও যন্ত্রপাতির ব্যবহার মানুষের দৈনন্দিন জীবনেও উৎপাদনশীলতা বাড়িয়েছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাত প্রমাণ করেছে যে উচ্চশিক্ষার সুযোগ সীমিত থাকলেও প্রযুক্তি ও দক্ষতা অর্জনের সক্ষমতা থাকলে সাধারণ শ্রমিকরাও উৎপাদনশীলতা বাড়াতে পারেন। তাই “আমাদের মূল ঘাটতি শুধু দক্ষতার নয়; নেতৃত্ব, সঠিক পরিকল্পনা এবং দৃঢ় সংকল্পের ঘাটতিও উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির পথে বড় চ্যালেঞ্জ।”

শিল্পমন্ত্রী বলেন, দেশের শিল্প ও অর্থনীতিকে এগিয়ে নিতে বাস্তবভিত্তিক পরিকল্পনা, প্রযুক্তির কার্যকর ব্যবহার, দক্ষ মানবসম্পদ এবং জবাবদিহিমূলক নেতৃত্ব নিশ্চিত করতে হবে।

আলোচনায় অন্যান্যের মধ্যে শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিব আব্দুন নাসের খান, দৈনিক যুগান্তরের সম্পাদক আব্দুল হাই শিকদার, সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ(সিপিডি) এর নির্বাহী পরিচালক ড. নাজনীন আহমেদ,  বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান (বিআইডিএস) এর মহাপরিচালক ড. এ, কে, এনামুল হক, ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বারর্স অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রিজ (এফবিসিসিআই) এর প্রশাসক  মোঃ ফজলুল হক, এনপিও এর মহাপরিচালক মোহা: নায়েব আলীসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, প্রশাসনের কর্মকর্তা, ব্যবসায়ী ও সংশ্লিষ্ট খাতের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।


দৈনিক সমাবেশ

প্রকাশকঃ মো: রবিউল ইসলাম ।
সম্পাদকঃ নিজামুল হক ।
নির্বাহী সম্পাদকঃ মোঃ রফিকুল ইসলাম ।
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: 2/2-c পুরানা পল্টন, ঢাকা-১০০০।
ই-মেইল: dainiksomabesh@gmail.com
টেলিফোনঃ 02226638261 মোবাইলঃ +880 1408-350003
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক সমাবেশ