হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর (CIID)-এর অভিযানে দুই যাত্রীর কাছ থেকে শুল্কমুক্ত সীমার অতিরিক্ত মোট ৮১.৫০ লিটার বিভিন্ন ব্র্যান্ডের বিদেশি মদ আটক করা হয়েছে। আটক মদের আনুমানিক বাজারমূল্য ১৬ লাখ ৩০ হাজার টাকা।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত সার্কেল, এয়ারপোর্ট (এ-শিফট)-এর কর্মকর্তারা বিমানবন্দরে সতর্ক অবস্থান গ্রহণ করেন। এ সময় দুবাই থেকে আগত Emirates-এর EK0584 ফ্লাইটের যাত্রী Roman Mikhailov গ্রিন চ্যানেল অতিক্রমকালে তাঁর সব ব্যাগেজ স্ক্যান করা হয়। তল্লাশিতে ৭৮.৫০ লিটার বিভিন্ন ব্র্যান্ডের মদ পাওয়া যায়। যাত্রী বিদেশি পাসপোর্টধারী হওয়ায় প্রযোজ্য ব্যাগেজ রুলস অনুযায়ী ১ লিটার মদ শুল্কমুক্তভাবে আমদানির অনুমতি দিয়ে অবশিষ্ট ৭৭.৫০ লিটার আটক করা হয়।
অপরদিকে, গত ২৯/০৯/২০২৬ দিবাগত রাতে Turkish Airlines-এর TK0712 ফ্লাইটে আগত যাত্রী Samiul Islam গ্রিন চ্যানেল অতিক্রমকালে তাঁর ব্যাগেজ স্ক্যান করে আরও ৪ লিটার বিভিন্ন ব্র্যান্ডের মদ পাওয়া যায় এবং তা আটক করা হয়।
দুই ঘটনায় অনুমোদিত ১ লিটার বাদ দিয়ে সর্বমোট ৮১.৫০ লিটার বিদেশি মদ আটক করেছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর (CIID)। আটক মদের আনুমানিক বাজারমূল্য ১৬ লাখ ৩০ হাজার টাকা।
গ্রিন চ্যানেলসহ বিমানবন্দরের বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ পয়েন্টে গোপন তথ্য, যাত্রী প্রোফাইলিং ও নিবিড় নজরদারির মাধ্যমে চোরাচালান এবং ব্যাগেজ সুবিধার অপব্যবহার প্রতিরোধে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর (CIID)-এর অভিযানে দুই যাত্রীর কাছ থেকে শুল্কমুক্ত সীমার অতিরিক্ত মোট ৮১.৫০ লিটার বিভিন্ন ব্র্যান্ডের বিদেশি মদ আটক করা হয়েছে। আটক মদের আনুমানিক বাজারমূল্য ১৬ লাখ ৩০ হাজার টাকা।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত সার্কেল, এয়ারপোর্ট (এ-শিফট)-এর কর্মকর্তারা বিমানবন্দরে সতর্ক অবস্থান গ্রহণ করেন। এ সময় দুবাই থেকে আগত Emirates-এর EK0584 ফ্লাইটের যাত্রী Roman Mikhailov গ্রিন চ্যানেল অতিক্রমকালে তাঁর সব ব্যাগেজ স্ক্যান করা হয়। তল্লাশিতে ৭৮.৫০ লিটার বিভিন্ন ব্র্যান্ডের মদ পাওয়া যায়। যাত্রী বিদেশি পাসপোর্টধারী হওয়ায় প্রযোজ্য ব্যাগেজ রুলস অনুযায়ী ১ লিটার মদ শুল্কমুক্তভাবে আমদানির অনুমতি দিয়ে অবশিষ্ট ৭৭.৫০ লিটার আটক করা হয়।
অপরদিকে, গত ২৯/০৯/২০২৬ দিবাগত রাতে Turkish Airlines-এর TK0712 ফ্লাইটে আগত যাত্রী Samiul Islam গ্রিন চ্যানেল অতিক্রমকালে তাঁর ব্যাগেজ স্ক্যান করে আরও ৪ লিটার বিভিন্ন ব্র্যান্ডের মদ পাওয়া যায় এবং তা আটক করা হয়।
দুই ঘটনায় অনুমোদিত ১ লিটার বাদ দিয়ে সর্বমোট ৮১.৫০ লিটার বিদেশি মদ আটক করেছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর (CIID)। আটক মদের আনুমানিক বাজারমূল্য ১৬ লাখ ৩০ হাজার টাকা।
গ্রিন চ্যানেলসহ বিমানবন্দরের বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ পয়েন্টে গোপন তথ্য, যাত্রী প্রোফাইলিং ও নিবিড় নজরদারির মাধ্যমে চোরাচালান এবং ব্যাগেজ সুবিধার অপব্যবহার প্রতিরোধে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

মতামত