জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে গণমানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের বার্তা তুলে ধরবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও তার কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহ্দী আমিন এ কথা জানিয়েছেন।
সোমবার স্থানীয় সময় রাত ৯টায় নিউইয়র্কের ‘হায়াত গ্র্যান্ড সেন্ট্রাল নিউ ইয়র্ক’ হোটেলের লবিতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন মাহ্দী আমিন। জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে অংশ নিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিউইয়র্কে পৌঁছানোর পর এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
মাহ্দী আমিন বলেন, ‘দেশপ্রেম, আবেগ, অনুভূতি এবং আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে দেশের ভবিষ্যৎ রূপকল্প কী হওয়া উচিত, কীভাবে বাংলাদেশের স্বার্থকে সুরক্ষিত রাখতে হবে এবং কীভাবে অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন নিশ্চিত করা যাবে, সেগুলো বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।’
প্রধানমন্ত্রীর নিউইয়র্ক সফরকে ঐতিহাসিক হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, দীর্ঘদিন পর জনগণের ভোটে নির্বাচিত একটি প্রতিনিধিত্বমূলক সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমান আমন্ত্রিত হয়ে এসেছেন। তার মতে, এটিও ইতিহাসের একটি অংশ।
ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরে মাহ্দী আমিন বলেন, ‘শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের পক্ষে নিজেদের অবস্থান, ভিশন ও পরিকল্পনা তুলে ধরেছিলেন।
ইতিহাসের ধারাবাহিকতায় আজকে তাদের সন্তান বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঠিক একইভাবে বাবা-মায়ের মতো দেশপ্রেমকে ধারণ করে বাংলাদেশের স্বার্থ ও অধিকারের কথা বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরবেন।’
মাহ্দী আমিন জানান, আগামী বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর এবারের সফর অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত। যাতায়াতের দুই দিন বাদ দিলে নিউইয়র্কে তিনি মাত্র চার কর্মদিবস অবস্থান করবেন। এ সময়ে বেশ কয়েকটি দ্বিপাক্ষিক ও বহুপাক্ষিক বৈঠকে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।
সফরসঙ্গীদের বিষয়ে মাহ্দী আমিন বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী সনাতনী ধারা সম্পূর্ণ ভেঙে দিয়ে খুব সংক্ষিপ্ত এই সফরে ছোট্ট একটি বহর নিয়ে এসেছেন। আনুষ্ঠানিকভাবে এখানে মাত্র ৩৫ জন রয়েছেন। এর পাশাপাশি শুধু অত্যাবশ্যকীয় মিডিয়া, নিরাপত্তা ও ব্যক্তিগত স্টাফ রয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানও এসেছেন।’
মঙ্গলবার থেকে প্রধানমন্ত্রীর আনুষ্ঠানিক সফর শুরু হচ্ছে বলেও জানান মুখপাত্র। সকাল ৯টায় জাতিসংঘ সদর দপ্তরে উদ্বোধনী অধিবেশনে অংশ নেবেন তিনি। ওই অধিবেশনে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানরা উপস্থিত থাকবেন। এর আগে সকালে জাতিসংঘ মহাসচিবের আমন্ত্রণে একটি ‘ওয়েলকাম ব্রেকফাস্ট রিসেপশনে’ অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী।
সফরে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে আলাদা বৈঠকের সুযোগ রয়েছে কি না, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর এবারের সফরের মূল উদ্দেশ্য জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে যোগদান। তাই আলাদা করে এ ধরনের দ্বিপাক্ষিক আলোচনার তেমন সুযোগ হবে না।’
সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী, অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন এবং জাতিসংঘে বাংলাদেশ মিশনের উপস্থায়ী প্রতিনিধি ওয়াহিদুজ্জামান উপস্থিত ছিলেন।

মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে গণমানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের বার্তা তুলে ধরবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও তার কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহ্দী আমিন এ কথা জানিয়েছেন।
সোমবার স্থানীয় সময় রাত ৯টায় নিউইয়র্কের ‘হায়াত গ্র্যান্ড সেন্ট্রাল নিউ ইয়র্ক’ হোটেলের লবিতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন মাহ্দী আমিন। জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে অংশ নিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিউইয়র্কে পৌঁছানোর পর এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
মাহ্দী আমিন বলেন, ‘দেশপ্রেম, আবেগ, অনুভূতি এবং আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে দেশের ভবিষ্যৎ রূপকল্প কী হওয়া উচিত, কীভাবে বাংলাদেশের স্বার্থকে সুরক্ষিত রাখতে হবে এবং কীভাবে অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন নিশ্চিত করা যাবে, সেগুলো বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।’
প্রধানমন্ত্রীর নিউইয়র্ক সফরকে ঐতিহাসিক হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, দীর্ঘদিন পর জনগণের ভোটে নির্বাচিত একটি প্রতিনিধিত্বমূলক সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমান আমন্ত্রিত হয়ে এসেছেন। তার মতে, এটিও ইতিহাসের একটি অংশ।
ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরে মাহ্দী আমিন বলেন, ‘শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের পক্ষে নিজেদের অবস্থান, ভিশন ও পরিকল্পনা তুলে ধরেছিলেন।
ইতিহাসের ধারাবাহিকতায় আজকে তাদের সন্তান বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঠিক একইভাবে বাবা-মায়ের মতো দেশপ্রেমকে ধারণ করে বাংলাদেশের স্বার্থ ও অধিকারের কথা বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরবেন।’
মাহ্দী আমিন জানান, আগামী বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর এবারের সফর অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত। যাতায়াতের দুই দিন বাদ দিলে নিউইয়র্কে তিনি মাত্র চার কর্মদিবস অবস্থান করবেন। এ সময়ে বেশ কয়েকটি দ্বিপাক্ষিক ও বহুপাক্ষিক বৈঠকে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।
সফরসঙ্গীদের বিষয়ে মাহ্দী আমিন বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী সনাতনী ধারা সম্পূর্ণ ভেঙে দিয়ে খুব সংক্ষিপ্ত এই সফরে ছোট্ট একটি বহর নিয়ে এসেছেন। আনুষ্ঠানিকভাবে এখানে মাত্র ৩৫ জন রয়েছেন। এর পাশাপাশি শুধু অত্যাবশ্যকীয় মিডিয়া, নিরাপত্তা ও ব্যক্তিগত স্টাফ রয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানও এসেছেন।’
মঙ্গলবার থেকে প্রধানমন্ত্রীর আনুষ্ঠানিক সফর শুরু হচ্ছে বলেও জানান মুখপাত্র। সকাল ৯টায় জাতিসংঘ সদর দপ্তরে উদ্বোধনী অধিবেশনে অংশ নেবেন তিনি। ওই অধিবেশনে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানরা উপস্থিত থাকবেন। এর আগে সকালে জাতিসংঘ মহাসচিবের আমন্ত্রণে একটি ‘ওয়েলকাম ব্রেকফাস্ট রিসেপশনে’ অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী।
সফরে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে আলাদা বৈঠকের সুযোগ রয়েছে কি না, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর এবারের সফরের মূল উদ্দেশ্য জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে যোগদান। তাই আলাদা করে এ ধরনের দ্বিপাক্ষিক আলোচনার তেমন সুযোগ হবে না।’
সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী, অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন এবং জাতিসংঘে বাংলাদেশ মিশনের উপস্থায়ী প্রতিনিধি ওয়াহিদুজ্জামান উপস্থিত ছিলেন।

মতামত