স্কুল শিক্ষার্থী ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিমকে আইফোনের লোভেই হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন কুমিল্লা জেলা পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান। তাঁর দাবি, নিখোঁজ হওয়ার দিন বিকেল ৫টা থেকে ৬টার মধ্যে অপ্রতিমকে হত্যা করা হয়।
রোববার ২০ সেপ্টেম্বর দুপুর ২টায় কুমিল্লা জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান তিনি। পুলিশ সুপার বলেন, আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদ করে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।
তিনি জানান, অপ্রতিমকে লালমাই পাহাড়ের সানন্দা এলাকার একটি নির্জন জঙ্গলে নিয়ে আইফোন ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়। এতে অপ্রতিম বাধা দিলে তাঁর সঙ্গে আসামিদের ধস্তাধস্তি হয়। পরে তুহিন, ফাহাদ ও কামরুল বাঁশের শক্ত লাঠি দিয়ে অপ্রতিমের মাথায় আঘাত করেন।
পুলিশ সুপারের ভাষ্য অনুযায়ী, একপর্যায়ে অপ্রতিমের মৃত্যু নিশ্চিত হলে তাঁর আইফোন নিয়ে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান তারা।
এ ঘটনায় তুহিন, ফাহাদ, কামরুল ও সিয়ামসহ মোট চারজনকে আটক করা হয়েছে। পুলিশ সুপার জানিয়েছেন, তারা সবাই হত্যার দায় স্বীকার করেছে।
এদিকে রোববার দুপুরে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘সব আলামত পাওয়া গেছে। তারা ঘটনা স্বীকার করেছেন। এখন পুলিশ অন্যান্য আইনানুগ কার্যক্রম বা ১৬৪ করানো যায় কি না, এগুলো নিয়ে কাজ করছে।’
রামিসা হত্যার মতো অপ্রতিম হত্যার দ্রুত বিচারের জন্য পুলিশ সহযোগিতা করবে বলেও জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘বিচার করবেন আদালত, আমরা সব সহযোগিতা করব।’
শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়সংলগ্ন কোটবাড়ী এলাকার বাসা থেকে বের হওয়ার পর অপ্রতিম নিখোঁজ হন। পরদিন শনিবার দুপুরে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশের লালমাই পাহাড়ের সানন্দা এলাকার জঙ্গল থেকে তাঁর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

রোববার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুল শিক্ষার্থী ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিমকে আইফোনের লোভেই হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন কুমিল্লা জেলা পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান। তাঁর দাবি, নিখোঁজ হওয়ার দিন বিকেল ৫টা থেকে ৬টার মধ্যে অপ্রতিমকে হত্যা করা হয়।
রোববার ২০ সেপ্টেম্বর দুপুর ২টায় কুমিল্লা জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান তিনি। পুলিশ সুপার বলেন, আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদ করে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।
তিনি জানান, অপ্রতিমকে লালমাই পাহাড়ের সানন্দা এলাকার একটি নির্জন জঙ্গলে নিয়ে আইফোন ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়। এতে অপ্রতিম বাধা দিলে তাঁর সঙ্গে আসামিদের ধস্তাধস্তি হয়। পরে তুহিন, ফাহাদ ও কামরুল বাঁশের শক্ত লাঠি দিয়ে অপ্রতিমের মাথায় আঘাত করেন।
পুলিশ সুপারের ভাষ্য অনুযায়ী, একপর্যায়ে অপ্রতিমের মৃত্যু নিশ্চিত হলে তাঁর আইফোন নিয়ে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান তারা।
এ ঘটনায় তুহিন, ফাহাদ, কামরুল ও সিয়ামসহ মোট চারজনকে আটক করা হয়েছে। পুলিশ সুপার জানিয়েছেন, তারা সবাই হত্যার দায় স্বীকার করেছে।
এদিকে রোববার দুপুরে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘সব আলামত পাওয়া গেছে। তারা ঘটনা স্বীকার করেছেন। এখন পুলিশ অন্যান্য আইনানুগ কার্যক্রম বা ১৬৪ করানো যায় কি না, এগুলো নিয়ে কাজ করছে।’
রামিসা হত্যার মতো অপ্রতিম হত্যার দ্রুত বিচারের জন্য পুলিশ সহযোগিতা করবে বলেও জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘বিচার করবেন আদালত, আমরা সব সহযোগিতা করব।’
শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়সংলগ্ন কোটবাড়ী এলাকার বাসা থেকে বের হওয়ার পর অপ্রতিম নিখোঁজ হন। পরদিন শনিবার দুপুরে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশের লালমাই পাহাড়ের সানন্দা এলাকার জঙ্গল থেকে তাঁর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

মতামত